গভর্নরের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

গভর্নরের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ২১: ১০

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, হাইকমিশনার বাংলাদেশ ব্যাংককে একটি আধুনিক, প্রযুক্তি নির্ভর ও শক্তিশালী কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় ব্যাংক রেজুলুশন অ্যাক্টসহ আর্থিক খাত সংস্কার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে অর্থ পাচার প্রতিরোধ ও পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধারে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ পুনরুদ্ধারে উভয় পক্ষ তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আসন্ন এফএটিএফ মিউচুয়্যাল ইভ্যালুয়েশন, অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং ভিসা আবেদন সংক্রান্ত ব্যাংক হিসাব বিবরণী ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাচাইকরণ নিয়েও মতবিনিময় হয়।
গভর্নর বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের আধুনিকায়নে যুক্তরাজ্য সরকারের ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি একটি ক্যাশলেস সমাজ ও শক্তিশালী ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার পাশাপাশি আর্থিক খাতের আধুনিকায়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান, স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি বিষয়ক পরামর্শক ফারহানুল গণি চৌধুরী এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি হিসেবে এমা উইন্ড ও ইসাম মোসাদ্দেক উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, হাইকমিশনার বাংলাদেশ ব্যাংককে একটি আধুনিক, প্রযুক্তি নির্ভর ও শক্তিশালী কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় ব্যাংক রেজুলুশন অ্যাক্টসহ আর্থিক খাত সংস্কার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে অর্থ পাচার প্রতিরোধ ও পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধারে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ পুনরুদ্ধারে উভয় পক্ষ তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আসন্ন এফএটিএফ মিউচুয়্যাল ইভ্যালুয়েশন, অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং ভিসা আবেদন সংক্রান্ত ব্যাংক হিসাব বিবরণী ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাচাইকরণ নিয়েও মতবিনিময় হয়।
গভর্নর বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের আধুনিকায়নে যুক্তরাজ্য সরকারের ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি একটি ক্যাশলেস সমাজ ও শক্তিশালী ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার পাশাপাশি আর্থিক খাতের আধুনিকায়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান, স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি বিষয়ক পরামর্শক ফারহানুল গণি চৌধুরী এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি হিসেবে এমা উইন্ড ও ইসাম মোসাদ্দেক উপস্থিত ছিলেন।

গভর্নরের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ২১: ১০

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, হাইকমিশনার বাংলাদেশ ব্যাংককে একটি আধুনিক, প্রযুক্তি নির্ভর ও শক্তিশালী কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় ব্যাংক রেজুলুশন অ্যাক্টসহ আর্থিক খাত সংস্কার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে অর্থ পাচার প্রতিরোধ ও পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধারে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ পুনরুদ্ধারে উভয় পক্ষ তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আসন্ন এফএটিএফ মিউচুয়্যাল ইভ্যালুয়েশন, অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং ভিসা আবেদন সংক্রান্ত ব্যাংক হিসাব বিবরণী ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাচাইকরণ নিয়েও মতবিনিময় হয়।
গভর্নর বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের আধুনিকায়নে যুক্তরাজ্য সরকারের ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি একটি ক্যাশলেস সমাজ ও শক্তিশালী ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার পাশাপাশি আর্থিক খাতের আধুনিকায়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান, স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি বিষয়ক পরামর্শক ফারহানুল গণি চৌধুরী এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি হিসেবে এমা উইন্ড ও ইসাম মোসাদ্দেক উপস্থিত ছিলেন।
/এসবি/

বন্ধ কারখানা চালু করতে অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক


