বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ১০ নির্দেশনা ডিএসসিসির

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ১০ নির্দেশনা ডিএসসিসির
নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। সেই অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন সব বিভাগ ও অফিসে ১০টি নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
রবিবার (৮ মার্চ) ডিএসসিসির সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। তা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে–
- দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে। জানালা ও দরজা কিংবা ভ্যানিশিয়াল ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।
- বিদ্যমান ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইটের ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
- অফিস চলাকালীন প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে।
- এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা এর উপরে রাখতে হবে।
- অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে।
- অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদি স্থানে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
- বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে।
- অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি (লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি) বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
- যাবতীয় আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে।
- গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে।
এ ছাড়াও ডিএসসিসি কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত গাড়িতে ৩০ শতাংশ কম এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কাজে ব্যবহৃত গাড়িতে ২০ শতাংশ কম জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা নিতে হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। সেই অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন সব বিভাগ ও অফিসে ১০টি নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
রবিবার (৮ মার্চ) ডিএসসিসির সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। তা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে–
- দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে। জানালা ও দরজা কিংবা ভ্যানিশিয়াল ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।
- বিদ্যমান ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইটের ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
- অফিস চলাকালীন প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে।
- এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা এর উপরে রাখতে হবে।
- অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে।
- অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদি স্থানে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
- বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে।
- অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি (লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি) বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
- যাবতীয় আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে।
- গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে।
এ ছাড়াও ডিএসসিসি কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত গাড়িতে ৩০ শতাংশ কম এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কাজে ব্যবহৃত গাড়িতে ২০ শতাংশ কম জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ১০ নির্দেশনা ডিএসসিসির
নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। সেই অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন সব বিভাগ ও অফিসে ১০টি নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
রবিবার (৮ মার্চ) ডিএসসিসির সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। তা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে–
- দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে। জানালা ও দরজা কিংবা ভ্যানিশিয়াল ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।
- বিদ্যমান ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইটের ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
- অফিস চলাকালীন প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে।
- এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা এর উপরে রাখতে হবে।
- অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে।
- অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদি স্থানে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
- বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে।
- অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি (লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি) বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
- যাবতীয় আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে।
- গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে।
এ ছাড়াও ডিএসসিসি কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত গাড়িতে ৩০ শতাংশ কম এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কাজে ব্যবহৃত গাড়িতে ২০ শতাংশ কম জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা নিতে হবে।




