ওপেক ও ওপেক প্লাস ছাড়ার ঘোষণা আমিরাতের
সিটিজেন ডেস্ক

ওপেক ও ওপেক প্লাস ছাড়ার ঘোষণা আমিরাতের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ০৪

আলজিয়ার্সে পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন (ওপেক)-এর সদস্যদের মধ্যে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের আগে তোলা ওপেক লোগোর ছবি। রয়টার্স
তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই সিদ্ধান্তকে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে এই সিদ্ধান্তে সৌদি আরব চাপের মুখে পড়েছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় তেল রপ্তানি কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হুমকি ও জাহাজে হামলার ঘটনায় ওপেকভুক্ত দেশগুলো ইতোমধ্যেই পণ্য পরিবহনে সমস্যার মুখে পড়েছে। ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বে সরবরাহকৃত অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়, যা এর কৌশলগত গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত সংযুক্ত আরব আমিরাত এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিজের কৌশলগত অবস্থান পুনর্বিন্যাস করছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ধারাবাহিক হামলা মোকাবিলায় পর্যাপ্ত পদক্ষেপ না নেওয়ায় কিছু আরব দেশের প্রতি অসন্তোষও প্রকাশ করেছে আবুধাবি।
১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত ওপেক বিশ্ব তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত। সংস্থাটি বিশ্বে উৎপাদিত মোট তেলের এক-তৃতীয়াংশের বেশি সরবরাহ করে থাকে। এই জোট থেকে আমিরাতের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাজারে সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
আমিরাত জানিয়েছে, ১ মে থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ওপেক ও ওপেক+ জোট ত্যাগ করবে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়াম-এর ভাষ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ জ্বালানি উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং খাতটির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য এতে প্রতিফলিত হয়েছে।
একইসঙ্গে আমিরাত দাবি করেছে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে তাদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং বাজারের জরুরি চাহিদা পূরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি।
তাদের বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আরব উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা স্বল্পমেয়াদে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে। এই প্রেক্ষাপটেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাধীন ও নমনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে আমিরাত।
সূত্র: আল জাজিরা

তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই সিদ্ধান্তকে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে এই সিদ্ধান্তে সৌদি আরব চাপের মুখে পড়েছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় তেল রপ্তানি কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হুমকি ও জাহাজে হামলার ঘটনায় ওপেকভুক্ত দেশগুলো ইতোমধ্যেই পণ্য পরিবহনে সমস্যার মুখে পড়েছে। ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বে সরবরাহকৃত অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়, যা এর কৌশলগত গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত সংযুক্ত আরব আমিরাত এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিজের কৌশলগত অবস্থান পুনর্বিন্যাস করছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ধারাবাহিক হামলা মোকাবিলায় পর্যাপ্ত পদক্ষেপ না নেওয়ায় কিছু আরব দেশের প্রতি অসন্তোষও প্রকাশ করেছে আবুধাবি।
১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত ওপেক বিশ্ব তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত। সংস্থাটি বিশ্বে উৎপাদিত মোট তেলের এক-তৃতীয়াংশের বেশি সরবরাহ করে থাকে। এই জোট থেকে আমিরাতের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাজারে সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
আমিরাত জানিয়েছে, ১ মে থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ওপেক ও ওপেক+ জোট ত্যাগ করবে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়াম-এর ভাষ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ জ্বালানি উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং খাতটির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য এতে প্রতিফলিত হয়েছে।
একইসঙ্গে আমিরাত দাবি করেছে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে তাদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং বাজারের জরুরি চাহিদা পূরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি।
তাদের বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আরব উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা স্বল্পমেয়াদে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে। এই প্রেক্ষাপটেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাধীন ও নমনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে আমিরাত।
সূত্র: আল জাজিরা

ওপেক ও ওপেক প্লাস ছাড়ার ঘোষণা আমিরাতের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ০৪

আলজিয়ার্সে পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন (ওপেক)-এর সদস্যদের মধ্যে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের আগে তোলা ওপেক লোগোর ছবি। রয়টার্স
তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই সিদ্ধান্তকে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে এই সিদ্ধান্তে সৌদি আরব চাপের মুখে পড়েছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় তেল রপ্তানি কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হুমকি ও জাহাজে হামলার ঘটনায় ওপেকভুক্ত দেশগুলো ইতোমধ্যেই পণ্য পরিবহনে সমস্যার মুখে পড়েছে। ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বে সরবরাহকৃত অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়, যা এর কৌশলগত গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত সংযুক্ত আরব আমিরাত এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিজের কৌশলগত অবস্থান পুনর্বিন্যাস করছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ধারাবাহিক হামলা মোকাবিলায় পর্যাপ্ত পদক্ষেপ না নেওয়ায় কিছু আরব দেশের প্রতি অসন্তোষও প্রকাশ করেছে আবুধাবি।
১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত ওপেক বিশ্ব তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত। সংস্থাটি বিশ্বে উৎপাদিত মোট তেলের এক-তৃতীয়াংশের বেশি সরবরাহ করে থাকে। এই জোট থেকে আমিরাতের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাজারে সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
আমিরাত জানিয়েছে, ১ মে থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ওপেক ও ওপেক+ জোট ত্যাগ করবে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়াম-এর ভাষ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ জ্বালানি উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং খাতটির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য এতে প্রতিফলিত হয়েছে।
একইসঙ্গে আমিরাত দাবি করেছে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে তাদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং বাজারের জরুরি চাহিদা পূরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি।
তাদের বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আরব উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা স্বল্পমেয়াদে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে। এই প্রেক্ষাপটেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাধীন ও নমনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে আমিরাত।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




