‘জাল নোটের প্রচলন রোধে নতুন আইন প্রণয়ন করা হবে’

‘জাল নোটের প্রচলন রোধে নতুন আইন প্রণয়ন করা হবে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে জাল নোটের প্রচলন কার্যকরভাবে রোধ করার লক্ষ্যে শক্তিশালী আইনগত কাঠামো, আধুনিক নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য এবং সমন্বিত প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে জাল নোটের প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে চাঁদপুর-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. জালাল উদ্দিন কর্তৃক বিধি ৭১ এর আওতায় উত্থাপিত জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, জাল নোটের প্রচলন রোধে একটি খসড়া আইন প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে জাল নোট তৈরি বা এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। আইনটি কার্যকর হলে জাল নোটের প্রচলন নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং নির্মূলে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য উন্নত করছে এবং বাজারে পর্যাপ্ত মানসম্মত নোট সরবরাহ নিশ্চিত করছে। সরকার নীতিগত ও প্রযুক্তিগত উভয় দিক থেকেই এ সমস্যার সমাধানে কাজ করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে পরামর্শ করে যেকোনো প্রযুক্তিগত সমস্যা পর্যালোচনা করা হবে। কোনো ঘাটতি পাওয়া গেলে তা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমীর খসরু বলেন, নতুন সিরিজের ব্যাংক নোট ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। যা বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও স্থাপত্যকর্মের অনুপ্রেরণায় ডিজাইন করা হয়েছে। এসব ডিজাইন দেশের খ্যাতিমান শিল্পীদের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রা ও নকশা কমিটির সুপারিশে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২-এর ২৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী অনুমোদিত হয়েছে।

দেশে জাল নোটের প্রচলন কার্যকরভাবে রোধ করার লক্ষ্যে শক্তিশালী আইনগত কাঠামো, আধুনিক নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য এবং সমন্বিত প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে জাল নোটের প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে চাঁদপুর-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. জালাল উদ্দিন কর্তৃক বিধি ৭১ এর আওতায় উত্থাপিত জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, জাল নোটের প্রচলন রোধে একটি খসড়া আইন প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে জাল নোট তৈরি বা এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। আইনটি কার্যকর হলে জাল নোটের প্রচলন নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং নির্মূলে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য উন্নত করছে এবং বাজারে পর্যাপ্ত মানসম্মত নোট সরবরাহ নিশ্চিত করছে। সরকার নীতিগত ও প্রযুক্তিগত উভয় দিক থেকেই এ সমস্যার সমাধানে কাজ করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে পরামর্শ করে যেকোনো প্রযুক্তিগত সমস্যা পর্যালোচনা করা হবে। কোনো ঘাটতি পাওয়া গেলে তা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমীর খসরু বলেন, নতুন সিরিজের ব্যাংক নোট ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। যা বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও স্থাপত্যকর্মের অনুপ্রেরণায় ডিজাইন করা হয়েছে। এসব ডিজাইন দেশের খ্যাতিমান শিল্পীদের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রা ও নকশা কমিটির সুপারিশে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২-এর ২৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী অনুমোদিত হয়েছে।

‘জাল নোটের প্রচলন রোধে নতুন আইন প্রণয়ন করা হবে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে জাল নোটের প্রচলন কার্যকরভাবে রোধ করার লক্ষ্যে শক্তিশালী আইনগত কাঠামো, আধুনিক নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য এবং সমন্বিত প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে জাল নোটের প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে চাঁদপুর-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. জালাল উদ্দিন কর্তৃক বিধি ৭১ এর আওতায় উত্থাপিত জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, জাল নোটের প্রচলন রোধে একটি খসড়া আইন প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে জাল নোট তৈরি বা এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। আইনটি কার্যকর হলে জাল নোটের প্রচলন নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং নির্মূলে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য উন্নত করছে এবং বাজারে পর্যাপ্ত মানসম্মত নোট সরবরাহ নিশ্চিত করছে। সরকার নীতিগত ও প্রযুক্তিগত উভয় দিক থেকেই এ সমস্যার সমাধানে কাজ করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে পরামর্শ করে যেকোনো প্রযুক্তিগত সমস্যা পর্যালোচনা করা হবে। কোনো ঘাটতি পাওয়া গেলে তা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমীর খসরু বলেন, নতুন সিরিজের ব্যাংক নোট ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। যা বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও স্থাপত্যকর্মের অনুপ্রেরণায় ডিজাইন করা হয়েছে। এসব ডিজাইন দেশের খ্যাতিমান শিল্পীদের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রা ও নকশা কমিটির সুপারিশে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২-এর ২৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী অনুমোদিত হয়েছে।

‘মুক্তিযুদ্ধকে কোনো রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে তুলনা করা যায় না’


