জ্বালানি সংকটে ভারতের বিমান পরিষেবা বন্ধের শঙ্কা
সিটিজেন ডেস্ক

জ্বালানি সংকটে ভারতের বিমান পরিষেবা বন্ধের শঙ্কা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৪৯

ভারতের শীর্ষ তিন বিমান পরিষেবা এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো ও স্পাইসজেট। ছবি: এনডিটিভি
ভারতের শীর্ষ তিন বিমান পরিষেবা প্রতিষ্ঠান এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো ও স্পাইসজেট সরকারকে সতর্ক করে জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশের বিমান শিল্প ‘কার্যক্রম বন্ধের’ দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যেতে পারে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া এ তথ্য জানিয়েছে।
ভারতের বিমান চলাচল বাজারের প্রায় ৯৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণকারী এই তিন সংস্থার মতে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালির প্রায় অচল হয়ে পড়ায় জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম বিমান বাজার ভারতের ওপর।
এর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের আকাশসীমায় বিধিনিষেধ আরোপ করায় ফ্লাইট পরিচালনার খরচও বেড়েছে, বিশেষ করে দীর্ঘ দূরত্বের রুটগুলোতে। এতে করে এয়ারলাইনগুলোর আর্থিক চাপ আরও তীব্র হয়েছে।
এয়ারলাইনগুলো জানিয়েছে, এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (এটিএফ)-এর মূল্য একটি সংস্থার মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ জুড়ে থাকে। তাই জ্বালানির দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকায় তারা এটিএফের মূল্য পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে।
একইসঙ্গে ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স (এফআইএ) ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের কাছে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় ফ্লাইটের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট জ্বালানি মূল্য নির্ধারণের অনুরোধ জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি ও অপারেশনাল সীমাবদ্ধতা অব্যাহত থাকলে ভারতের বিমান খাতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, যা যাত্রীসেবা থেকে শুরু করে সামগ্রিক অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

ভারতের শীর্ষ তিন বিমান পরিষেবা প্রতিষ্ঠান এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো ও স্পাইসজেট সরকারকে সতর্ক করে জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশের বিমান শিল্প ‘কার্যক্রম বন্ধের’ দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যেতে পারে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া এ তথ্য জানিয়েছে।
ভারতের বিমান চলাচল বাজারের প্রায় ৯৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণকারী এই তিন সংস্থার মতে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালির প্রায় অচল হয়ে পড়ায় জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম বিমান বাজার ভারতের ওপর।
এর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের আকাশসীমায় বিধিনিষেধ আরোপ করায় ফ্লাইট পরিচালনার খরচও বেড়েছে, বিশেষ করে দীর্ঘ দূরত্বের রুটগুলোতে। এতে করে এয়ারলাইনগুলোর আর্থিক চাপ আরও তীব্র হয়েছে।
এয়ারলাইনগুলো জানিয়েছে, এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (এটিএফ)-এর মূল্য একটি সংস্থার মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ জুড়ে থাকে। তাই জ্বালানির দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকায় তারা এটিএফের মূল্য পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে।
একইসঙ্গে ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স (এফআইএ) ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের কাছে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় ফ্লাইটের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট জ্বালানি মূল্য নির্ধারণের অনুরোধ জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি ও অপারেশনাল সীমাবদ্ধতা অব্যাহত থাকলে ভারতের বিমান খাতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, যা যাত্রীসেবা থেকে শুরু করে সামগ্রিক অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

জ্বালানি সংকটে ভারতের বিমান পরিষেবা বন্ধের শঙ্কা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৪৯

ভারতের শীর্ষ তিন বিমান পরিষেবা এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো ও স্পাইসজেট। ছবি: এনডিটিভি
ভারতের শীর্ষ তিন বিমান পরিষেবা প্রতিষ্ঠান এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো ও স্পাইসজেট সরকারকে সতর্ক করে জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশের বিমান শিল্প ‘কার্যক্রম বন্ধের’ দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যেতে পারে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া এ তথ্য জানিয়েছে।
ভারতের বিমান চলাচল বাজারের প্রায় ৯৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণকারী এই তিন সংস্থার মতে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালির প্রায় অচল হয়ে পড়ায় জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম বিমান বাজার ভারতের ওপর।
এর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের আকাশসীমায় বিধিনিষেধ আরোপ করায় ফ্লাইট পরিচালনার খরচও বেড়েছে, বিশেষ করে দীর্ঘ দূরত্বের রুটগুলোতে। এতে করে এয়ারলাইনগুলোর আর্থিক চাপ আরও তীব্র হয়েছে।
এয়ারলাইনগুলো জানিয়েছে, এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (এটিএফ)-এর মূল্য একটি সংস্থার মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ জুড়ে থাকে। তাই জ্বালানির দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকায় তারা এটিএফের মূল্য পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে।
একইসঙ্গে ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স (এফআইএ) ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের কাছে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় ফ্লাইটের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট জ্বালানি মূল্য নির্ধারণের অনুরোধ জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি ও অপারেশনাল সীমাবদ্ধতা অব্যাহত থাকলে ভারতের বিমান খাতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, যা যাত্রীসেবা থেকে শুরু করে সামগ্রিক অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




