ইউরোপের বিমান সংস্থাগুলো দেউলিয়ার ঝুঁকিতে: রায়ানএয়ার
সিটিজেন ডেস্ক

ইউরোপের বিমান সংস্থাগুলো দেউলিয়ার ঝুঁকিতে: রায়ানএয়ার
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩: ০৩

ইউরোপের বিমান সংস্থা রায়ানএয়ার। ছবি: সংগৃহীত
জেট ফুয়েলের মূল্য দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ পর্যায়ে থাকলে ইউরোপের বেশ কিছু বিমান সংস্থা বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন রায়ানএয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ওলিয়ারি।
তিনি জানান, গ্রীষ্মকালজুড়ে ইউরোপে জ্বালানির দাম বেশি থাকলে কিছু এয়ারলাইন দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, যা বিমান খাতে ব্যয়ের চাপ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওলিয়ারি বলেন, রায়ানএয়ার তুলনামূলকভাবে কিছুটা নিরাপদ অবস্থানে আছে, কারণ প্রতিষ্ঠানটি তাদের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ আগেভাগেই হেজিংয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে। তবে যেসব প্রতিদ্বন্দ্বী এ ধরনের সুরক্ষা নেয়নি, তারা ‘বাস্তব আর্থিক সংকটে’ পড়তে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
জ্বালানির দামের ঊর্ধ্বগতির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, গত মার্চে জেট এ-১ জ্বালানির দাম যেখানে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮০ ডলার ছিল, বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ১৫০ ডলারে পৌঁছেছে। তার ভাষায়, যদি জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরজুড়ে এই উচ্চ মূল্য বজায় থাকে, তাহলে ‘ইউরোপের বিমান সংস্থাগুলো দেউলিয়া হয়ে যাবে।’
এদিকে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট এসোসিয়েশনের জেট ফুয়েল প্রাইস মনিটর অনুযায়ী, ২৪ এপ্রিল শেষ হওয়া সপ্তাহে জেট ফুয়েলের গড় মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১৭৯ ডলারে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি সতর্ক করে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ বিঘ্নিত হলে ইউরোপ খুব শিগগিরই জেট ফুয়েলের ঘাটতিতে পড়তে পারে। কারণ এই অঞ্চলটি আগে ইউরোপের জেট ফুয়েল আমদানির একটি বড় উৎস ছিল।
সূত্র: আল জাজিরা

জেট ফুয়েলের মূল্য দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ পর্যায়ে থাকলে ইউরোপের বেশ কিছু বিমান সংস্থা বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন রায়ানএয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ওলিয়ারি।
তিনি জানান, গ্রীষ্মকালজুড়ে ইউরোপে জ্বালানির দাম বেশি থাকলে কিছু এয়ারলাইন দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, যা বিমান খাতে ব্যয়ের চাপ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওলিয়ারি বলেন, রায়ানএয়ার তুলনামূলকভাবে কিছুটা নিরাপদ অবস্থানে আছে, কারণ প্রতিষ্ঠানটি তাদের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ আগেভাগেই হেজিংয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে। তবে যেসব প্রতিদ্বন্দ্বী এ ধরনের সুরক্ষা নেয়নি, তারা ‘বাস্তব আর্থিক সংকটে’ পড়তে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
জ্বালানির দামের ঊর্ধ্বগতির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, গত মার্চে জেট এ-১ জ্বালানির দাম যেখানে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮০ ডলার ছিল, বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ১৫০ ডলারে পৌঁছেছে। তার ভাষায়, যদি জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরজুড়ে এই উচ্চ মূল্য বজায় থাকে, তাহলে ‘ইউরোপের বিমান সংস্থাগুলো দেউলিয়া হয়ে যাবে।’
এদিকে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট এসোসিয়েশনের জেট ফুয়েল প্রাইস মনিটর অনুযায়ী, ২৪ এপ্রিল শেষ হওয়া সপ্তাহে জেট ফুয়েলের গড় মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১৭৯ ডলারে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি সতর্ক করে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ বিঘ্নিত হলে ইউরোপ খুব শিগগিরই জেট ফুয়েলের ঘাটতিতে পড়তে পারে। কারণ এই অঞ্চলটি আগে ইউরোপের জেট ফুয়েল আমদানির একটি বড় উৎস ছিল।
সূত্র: আল জাজিরা

ইউরোপের বিমান সংস্থাগুলো দেউলিয়ার ঝুঁকিতে: রায়ানএয়ার
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩: ০৩

ইউরোপের বিমান সংস্থা রায়ানএয়ার। ছবি: সংগৃহীত
জেট ফুয়েলের মূল্য দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ পর্যায়ে থাকলে ইউরোপের বেশ কিছু বিমান সংস্থা বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন রায়ানএয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ওলিয়ারি।
তিনি জানান, গ্রীষ্মকালজুড়ে ইউরোপে জ্বালানির দাম বেশি থাকলে কিছু এয়ারলাইন দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, যা বিমান খাতে ব্যয়ের চাপ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওলিয়ারি বলেন, রায়ানএয়ার তুলনামূলকভাবে কিছুটা নিরাপদ অবস্থানে আছে, কারণ প্রতিষ্ঠানটি তাদের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ আগেভাগেই হেজিংয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে। তবে যেসব প্রতিদ্বন্দ্বী এ ধরনের সুরক্ষা নেয়নি, তারা ‘বাস্তব আর্থিক সংকটে’ পড়তে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
জ্বালানির দামের ঊর্ধ্বগতির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, গত মার্চে জেট এ-১ জ্বালানির দাম যেখানে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮০ ডলার ছিল, বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ১৫০ ডলারে পৌঁছেছে। তার ভাষায়, যদি জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরজুড়ে এই উচ্চ মূল্য বজায় থাকে, তাহলে ‘ইউরোপের বিমান সংস্থাগুলো দেউলিয়া হয়ে যাবে।’
এদিকে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট এসোসিয়েশনের জেট ফুয়েল প্রাইস মনিটর অনুযায়ী, ২৪ এপ্রিল শেষ হওয়া সপ্তাহে জেট ফুয়েলের গড় মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১৭৯ ডলারে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি সতর্ক করে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ বিঘ্নিত হলে ইউরোপ খুব শিগগিরই জেট ফুয়েলের ঘাটতিতে পড়তে পারে। কারণ এই অঞ্চলটি আগে ইউরোপের জেট ফুয়েল আমদানির একটি বড় উৎস ছিল।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




