কেন্দ্রে হাঁটুপানি, বেঞ্চে পা তুলে পরীক্ষা দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা

কেন্দ্রে হাঁটুপানি, বেঞ্চে পা তুলে পরীক্ষা দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা
কুমিল্লা সংবাদদাতা

জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলায় ১০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সকালে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে নগরীর আদালত সড়ক, লাকসাম সড়ক, মনোহরপুর, মহিলা কলেজ রোড, রেইসকোর্স এলাকা, ঈদগাহ সড়ক, অশোকতলা, মগবাড়ি চৌমুনী, কালিয়াজুড়িসহ নগরীর প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। এছাড়া কোথাও কোথাও বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও পানি ঢুকে যায়। পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট, বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পানিবন্দি হয়ে পড়ে মানুষ।

বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তাদের সঙ্গে আসা অভিভাবকরা। বৃষ্টি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন কেন্দ্রে বিদ্যুৎ চলে যায়। কোনো কোনো কেন্দ্রে মোমবাতি ও চার্জলাইট জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
ঈশ্বর পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা শেষে ছেলেকে নিয়ে বাসায় ফেরার পথে অভিভাবক হারুনুর রশিদ বলেন, পরীক্ষা শুরুর ২০ মিনিট পরই বিদ্যুৎ চলে যায়। এরপর মোমবাতি ও চার্জার লাইট দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে কিছুক্ষণের মধ্যেই কেন্দ্রে পানি ঢুকে যায়। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে লিখতে হয়েছে। কেউ কেউ বেঞ্চের ওপরে পা তুলে লিখেছে।
নগরীর জলাবদ্ধতা বিষয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, যেসব ড্রেনের মাধ্যমে নগরীর পানি বহির্গমন করে সেসব ড্রেন ও খাল তাৎক্ষণিক পরিষ্কার করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে নগরীর জলাবদ্ধতা অনেকাংশেই কমে আসবে।

জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলায় ১০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সকালে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে নগরীর আদালত সড়ক, লাকসাম সড়ক, মনোহরপুর, মহিলা কলেজ রোড, রেইসকোর্স এলাকা, ঈদগাহ সড়ক, অশোকতলা, মগবাড়ি চৌমুনী, কালিয়াজুড়িসহ নগরীর প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। এছাড়া কোথাও কোথাও বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও পানি ঢুকে যায়। পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট, বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পানিবন্দি হয়ে পড়ে মানুষ।

বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তাদের সঙ্গে আসা অভিভাবকরা। বৃষ্টি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন কেন্দ্রে বিদ্যুৎ চলে যায়। কোনো কোনো কেন্দ্রে মোমবাতি ও চার্জলাইট জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
ঈশ্বর পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা শেষে ছেলেকে নিয়ে বাসায় ফেরার পথে অভিভাবক হারুনুর রশিদ বলেন, পরীক্ষা শুরুর ২০ মিনিট পরই বিদ্যুৎ চলে যায়। এরপর মোমবাতি ও চার্জার লাইট দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে কিছুক্ষণের মধ্যেই কেন্দ্রে পানি ঢুকে যায়। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে লিখতে হয়েছে। কেউ কেউ বেঞ্চের ওপরে পা তুলে লিখেছে।
নগরীর জলাবদ্ধতা বিষয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, যেসব ড্রেনের মাধ্যমে নগরীর পানি বহির্গমন করে সেসব ড্রেন ও খাল তাৎক্ষণিক পরিষ্কার করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে নগরীর জলাবদ্ধতা অনেকাংশেই কমে আসবে।

কেন্দ্রে হাঁটুপানি, বেঞ্চে পা তুলে পরীক্ষা দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা
কুমিল্লা সংবাদদাতা

জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলায় ১০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সকালে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে নগরীর আদালত সড়ক, লাকসাম সড়ক, মনোহরপুর, মহিলা কলেজ রোড, রেইসকোর্স এলাকা, ঈদগাহ সড়ক, অশোকতলা, মগবাড়ি চৌমুনী, কালিয়াজুড়িসহ নগরীর প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। এছাড়া কোথাও কোথাও বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও পানি ঢুকে যায়। পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট, বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পানিবন্দি হয়ে পড়ে মানুষ।

বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তাদের সঙ্গে আসা অভিভাবকরা। বৃষ্টি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন কেন্দ্রে বিদ্যুৎ চলে যায়। কোনো কোনো কেন্দ্রে মোমবাতি ও চার্জলাইট জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
ঈশ্বর পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা শেষে ছেলেকে নিয়ে বাসায় ফেরার পথে অভিভাবক হারুনুর রশিদ বলেন, পরীক্ষা শুরুর ২০ মিনিট পরই বিদ্যুৎ চলে যায়। এরপর মোমবাতি ও চার্জার লাইট দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে কিছুক্ষণের মধ্যেই কেন্দ্রে পানি ঢুকে যায়। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে লিখতে হয়েছে। কেউ কেউ বেঞ্চের ওপরে পা তুলে লিখেছে।
নগরীর জলাবদ্ধতা বিষয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, যেসব ড্রেনের মাধ্যমে নগরীর পানি বহির্গমন করে সেসব ড্রেন ও খাল তাৎক্ষণিক পরিষ্কার করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে নগরীর জলাবদ্ধতা অনেকাংশেই কমে আসবে।

উজিরপুরে এসএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি, যুবকের কারাদণ্ড
রংপুরে মোমবাতি জ্বালিয়ে এসএসসি পরীক্ষা


