‘মীর মুগ্ধদের আত্মত্যাগ জাতিকে অনুপ্রাণিত করবে’

‘মীর মুগ্ধদের আত্মত্যাগ জাতিকে অনুপ্রাণিত করবে’
খুবি সংবাদদাতা

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেছেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শহীদ মীর মুগ্ধের মতো সাহসী ও আদর্শবান তরুণদের আত্মত্যাগ জাতিকে দীর্ঘদিন অনুপ্রাণিত করবে।’
শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী অডিটোরিয়ামে ‘জুলাই বিপ্লব থেকে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
এদিন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের স্মরণে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে ‘শহীদ মীর মুগ্ধ দিবস’ পালিত হয়েছে। যার অংশ হিসেবে সকাল থেকে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে স্থিরচিত্র প্রদর্শনী, বৃক্ষরোপণ, আলোচনা সভা, স্মারকলিপি প্রদান এবং জুলাই আন্দোলনে আহতদের সম্মাননা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্যবিষয়ক সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, ‘যে চেতনা ও আদর্শ নিয়ে মীর মুগ্ধ জীবন উৎসর্গ করেছেন, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মীর মুগ্ধ ও সাকিব রায়হানের মতো সাহসী তরুণদের আত্মত্যাগ আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রেরণা হয়ে থাকবে।’
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে তরুণরা যে অঙ্গীকার রেখে গেছেন, তা বাস্তবায়নে সমাজ ও রাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, দেশের তরুণেরা মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করুক– এটিই তার চাওয়া।
অনুষ্ঠানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ মীর মুগ্ধের নামে একটি নতুন আবাসিক হল নির্মাণের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। এর সঙ্গে সমর্থন জানিয়ে সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান বলেন, নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে তিনি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জুলাই আন্দোলনের শহিদ সাকিব রায়হানের বাবা, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন অর রশীদ খান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. নূরুন্নবী প্রমুখ।
সভায় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সরকারের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নসংক্রান্ত একটি স্মারকলিপি পেশ করা হয়। স্মারকলিপিতে ক্যাম্পাসের ভেতরে অবস্থিত গল্লামারী মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুকূলে হস্তান্তর, ভূমি সংকট নিরসন, শহিদ মীর মুগ্ধের নামে আবাসিক হল নির্মাণ এবং শিক্ষা ও গবেষণার সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দের দাবি জানানো হয়।
দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপনী পর্বে জুলাই আন্দোলনে আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার উত্তরা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেছেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শহীদ মীর মুগ্ধের মতো সাহসী ও আদর্শবান তরুণদের আত্মত্যাগ জাতিকে দীর্ঘদিন অনুপ্রাণিত করবে।’
শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী অডিটোরিয়ামে ‘জুলাই বিপ্লব থেকে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
এদিন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের স্মরণে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে ‘শহীদ মীর মুগ্ধ দিবস’ পালিত হয়েছে। যার অংশ হিসেবে সকাল থেকে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে স্থিরচিত্র প্রদর্শনী, বৃক্ষরোপণ, আলোচনা সভা, স্মারকলিপি প্রদান এবং জুলাই আন্দোলনে আহতদের সম্মাননা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্যবিষয়ক সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, ‘যে চেতনা ও আদর্শ নিয়ে মীর মুগ্ধ জীবন উৎসর্গ করেছেন, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মীর মুগ্ধ ও সাকিব রায়হানের মতো সাহসী তরুণদের আত্মত্যাগ আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রেরণা হয়ে থাকবে।’
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে তরুণরা যে অঙ্গীকার রেখে গেছেন, তা বাস্তবায়নে সমাজ ও রাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, দেশের তরুণেরা মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করুক– এটিই তার চাওয়া।
অনুষ্ঠানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ মীর মুগ্ধের নামে একটি নতুন আবাসিক হল নির্মাণের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। এর সঙ্গে সমর্থন জানিয়ে সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান বলেন, নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে তিনি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জুলাই আন্দোলনের শহিদ সাকিব রায়হানের বাবা, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন অর রশীদ খান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. নূরুন্নবী প্রমুখ।
সভায় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সরকারের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নসংক্রান্ত একটি স্মারকলিপি পেশ করা হয়। স্মারকলিপিতে ক্যাম্পাসের ভেতরে অবস্থিত গল্লামারী মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুকূলে হস্তান্তর, ভূমি সংকট নিরসন, শহিদ মীর মুগ্ধের নামে আবাসিক হল নির্মাণ এবং শিক্ষা ও গবেষণার সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দের দাবি জানানো হয়।
দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপনী পর্বে জুলাই আন্দোলনে আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার উত্তরা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ।

‘মীর মুগ্ধদের আত্মত্যাগ জাতিকে অনুপ্রাণিত করবে’
খুবি সংবাদদাতা

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেছেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শহীদ মীর মুগ্ধের মতো সাহসী ও আদর্শবান তরুণদের আত্মত্যাগ জাতিকে দীর্ঘদিন অনুপ্রাণিত করবে।’
শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী অডিটোরিয়ামে ‘জুলাই বিপ্লব থেকে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
এদিন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের স্মরণে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে ‘শহীদ মীর মুগ্ধ দিবস’ পালিত হয়েছে। যার অংশ হিসেবে সকাল থেকে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে স্থিরচিত্র প্রদর্শনী, বৃক্ষরোপণ, আলোচনা সভা, স্মারকলিপি প্রদান এবং জুলাই আন্দোলনে আহতদের সম্মাননা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্যবিষয়ক সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, ‘যে চেতনা ও আদর্শ নিয়ে মীর মুগ্ধ জীবন উৎসর্গ করেছেন, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মীর মুগ্ধ ও সাকিব রায়হানের মতো সাহসী তরুণদের আত্মত্যাগ আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রেরণা হয়ে থাকবে।’
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে তরুণরা যে অঙ্গীকার রেখে গেছেন, তা বাস্তবায়নে সমাজ ও রাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, দেশের তরুণেরা মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করুক– এটিই তার চাওয়া।
অনুষ্ঠানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ মীর মুগ্ধের নামে একটি নতুন আবাসিক হল নির্মাণের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। এর সঙ্গে সমর্থন জানিয়ে সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান বলেন, নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে তিনি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জুলাই আন্দোলনের শহিদ সাকিব রায়হানের বাবা, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন অর রশীদ খান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. নূরুন্নবী প্রমুখ।
সভায় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সরকারের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নসংক্রান্ত একটি স্মারকলিপি পেশ করা হয়। স্মারকলিপিতে ক্যাম্পাসের ভেতরে অবস্থিত গল্লামারী মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুকূলে হস্তান্তর, ভূমি সংকট নিরসন, শহিদ মীর মুগ্ধের নামে আবাসিক হল নির্মাণ এবং শিক্ষা ও গবেষণার সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দের দাবি জানানো হয়।
দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপনী পর্বে জুলাই আন্দোলনে আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার উত্তরা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ।

বেরোবিতে আবু সাঈদ স্মরণে টুর্নামেন্ট: চ্যাম্পিয়ন সাংবাদিকতা-জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ







