জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে কিছু ‘ধাপ্পাবাজ’ লোক প্রতারণা করেছে: মামুনুল হক

জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে কিছু ‘ধাপ্পাবাজ’ লোক প্রতারণা করেছে: মামুনুল হক
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু ধাপ্পাবাজ লোক জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে প্রতারণা করেছেন। অন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে অন্ধকারে রেখে তারা জুলাই সনদের মধ্যে গোপনে একটি ধারা ঢুকিয়ে দিয়েছে।’
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকালে কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তেল, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদে ডাকা এ নাগরিক সমাবেশে সভাপতি করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল লতিফ খান।
বিএনপিকে সতর্ক করে মামুনুল হক বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের সূচনা ছিল ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বর থেকে, যার পরিসমাপ্তি ঘটেছিল ৩৬ জুলাই। জুলাই আন্দোলনে বিএনপি আন্দোলনে অংশীদার হিসেবে ছিল। কিন্তু আজ মসনদে বসে জুলাই গণভোটকে অস্বীকার করে তারা নানা অজুহাতে জুলাই গণভোট এবং জুলাই সনদকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু তা কখন সম্ভব নয়। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রয়োজনে আরও একটি বিপ্লব হবে, আর তাতে বিএনপিকে চরম মূল্য দিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পথ অনুসরণ করছে। এতে বিএনপি মারাত্মক ক্ষতির মধ্যে পড়বে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে ফ্যাসিস্ট সরকারকে দেশ থেকে যে ভাবে বিতাড়িত করা হয়েছিল, ঠিক তেমনি কোটি কোটি জনতা বিএনপিকে লাল কার্ড দেখিয়ে এই দেশ ছাড়া করবে।’

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু ধাপ্পাবাজ লোক জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে প্রতারণা করেছেন। অন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে অন্ধকারে রেখে তারা জুলাই সনদের মধ্যে গোপনে একটি ধারা ঢুকিয়ে দিয়েছে।’
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকালে কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তেল, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদে ডাকা এ নাগরিক সমাবেশে সভাপতি করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল লতিফ খান।
বিএনপিকে সতর্ক করে মামুনুল হক বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের সূচনা ছিল ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বর থেকে, যার পরিসমাপ্তি ঘটেছিল ৩৬ জুলাই। জুলাই আন্দোলনে বিএনপি আন্দোলনে অংশীদার হিসেবে ছিল। কিন্তু আজ মসনদে বসে জুলাই গণভোটকে অস্বীকার করে তারা নানা অজুহাতে জুলাই গণভোট এবং জুলাই সনদকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু তা কখন সম্ভব নয়। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রয়োজনে আরও একটি বিপ্লব হবে, আর তাতে বিএনপিকে চরম মূল্য দিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পথ অনুসরণ করছে। এতে বিএনপি মারাত্মক ক্ষতির মধ্যে পড়বে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে ফ্যাসিস্ট সরকারকে দেশ থেকে যে ভাবে বিতাড়িত করা হয়েছিল, ঠিক তেমনি কোটি কোটি জনতা বিএনপিকে লাল কার্ড দেখিয়ে এই দেশ ছাড়া করবে।’

জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে কিছু ‘ধাপ্পাবাজ’ লোক প্রতারণা করেছে: মামুনুল হক
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু ধাপ্পাবাজ লোক জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে প্রতারণা করেছেন। অন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে অন্ধকারে রেখে তারা জুলাই সনদের মধ্যে গোপনে একটি ধারা ঢুকিয়ে দিয়েছে।’
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকালে কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তেল, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদে ডাকা এ নাগরিক সমাবেশে সভাপতি করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল লতিফ খান।
বিএনপিকে সতর্ক করে মামুনুল হক বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের সূচনা ছিল ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বর থেকে, যার পরিসমাপ্তি ঘটেছিল ৩৬ জুলাই। জুলাই আন্দোলনে বিএনপি আন্দোলনে অংশীদার হিসেবে ছিল। কিন্তু আজ মসনদে বসে জুলাই গণভোটকে অস্বীকার করে তারা নানা অজুহাতে জুলাই গণভোট এবং জুলাই সনদকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু তা কখন সম্ভব নয়। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রয়োজনে আরও একটি বিপ্লব হবে, আর তাতে বিএনপিকে চরম মূল্য দিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পথ অনুসরণ করছে। এতে বিএনপি মারাত্মক ক্ষতির মধ্যে পড়বে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে ফ্যাসিস্ট সরকারকে দেশ থেকে যে ভাবে বিতাড়িত করা হয়েছিল, ঠিক তেমনি কোটি কোটি জনতা বিএনপিকে লাল কার্ড দেখিয়ে এই দেশ ছাড়া করবে।’

বিএনপির সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন বাচ্চুকে শোকজ







