বৃষ্টিতে ডুবলো ঢাকা, চরম দুর্ভোগে নগরবাসী

বৃষ্টিতে ডুবলো ঢাকা, চরম দুর্ভোগে নগরবাসী
নিজস্ব প্রতিবেদক

টানা কয়েক ঘণ্টার ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতায় নাকাল রাজধানীবাসী। শনিবার (১১ জুলাই) রাতের শেষভাগ থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি সকাল পেরিয়ে দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকায় নগরীর বিস্তীর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করেছে।
শনিবার (১২ জুলাই) রাজধানীর মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, আগারগাঁও, কল্যাণপুর, মোহাম্মদপুর, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, মালিবাগ, মৌচাক, শান্তিনগর, বাড্ডা, রামপুরা, শাহজাহানপুর, তেজগাঁও, বনশ্রী ও খিলগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
জলাবদ্ধতার কারণে রাজধানীর অনেক সড়কে ধীরগতিতে চলেছে যানবাহন। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া নাগরিকদের দীর্ঘ পথ পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

রাজধানীর অলিগলি, বাসাবাড়ির প্রবেশপথ, নিচু এলাকার ঘরবাড়ি এবং দোকানপাটে পানি ঢুকে পড়েছে। কোথাও কোথাও নর্দমার ময়লা পানি সড়কের পানির সঙ্গে মিশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে, যা জনস্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
জলাবদ্ধতার কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ। নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে পৌঁছাতে না পেরে অনেকেই বিকল্প পথ ব্যবহার করেন। কেউ আবার দীর্ঘ সময় যানবাহনের অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত হেঁটেই গন্তব্যে রওনা দেন। হাসপাতালমুখী রোগী ও তাদের স্বজনদেরও দুর্ভোগ ছিল চোখে পড়ার মতো। কোথাও কোথাও পানি জমে থাকায় অ্যাম্বুলেন্সকে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার সময় শিক্ষার্থীরাও একই ভোগান্তির শিকার হয়েছে।
জলাবদ্ধতায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরাও। নিচু এলাকার দোকানগুলোতে পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কায় অনেকেই মালামাল দ্রুত উঁচু স্থানে সরিয়ে রেখেছেন। ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বৃষ্টির কারণে দোকান গুটিয়ে চলে যেতে বাধ্য হন। ক্রেতার উপস্থিতিও ছিল তুলনামূলক কম।
মিরপুরের বাসিন্দা কবীর উদ্দিন বলেন, অফিসে বের হয়ে মনে হয়েছে রাস্তা নয়, যেন খাল পার হচ্ছি। কোথায় ম্যানহোল, কোথায় গর্ত-কিছুই বোঝা যায় না। প্রতি বর্ষাতেই একই দুর্ভোগ, কিন্তু স্থায়ী সমাধান নেই।
রিকশাচালক খায়রুল হাসান বলেন, অতিরিক্ত পানি থাকায় অনেক সড়কে রিকশা চালানোই সম্ভব হয়নি। এতে আয় কমে গেছে, আবার পানি ঢুকে রিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
গাবতলী-ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার রুটের একটি বাসের চালক রহমান বলেন, পানি জমে থাকায় কোথায় গর্ত আছে বোঝা যায় না। ধীরে চললে যানজট বাড়ে, দ্রুত চালালে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়। পানি আর যানজটের কারণে একটি ট্রিপ শেষ করতেই স্বাভাবিক সময়ের প্রায় দ্বিগুণ সময় লাগছে।
মৌচাকের স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই আমাদের এলাকায় পানি জমে ভয়াবহ আকার ধারণ করে। ময়লা পানির কারণে ডেঙ্গুসহ পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।
এই সমস্যা সমাধানে খাল উদ্ধার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নালা-নর্দমা নিয়মিত পরিষ্কার এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় ঢাকায় ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঢাকা, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী এবং কিছু এলাকায় ৮৮ মিলিমিটারের বেশি অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ফলে রাজধানীসহ জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকায় দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

টানা কয়েক ঘণ্টার ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতায় নাকাল রাজধানীবাসী। শনিবার (১১ জুলাই) রাতের শেষভাগ থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি সকাল পেরিয়ে দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকায় নগরীর বিস্তীর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করেছে।
শনিবার (১২ জুলাই) রাজধানীর মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, আগারগাঁও, কল্যাণপুর, মোহাম্মদপুর, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, মালিবাগ, মৌচাক, শান্তিনগর, বাড্ডা, রামপুরা, শাহজাহানপুর, তেজগাঁও, বনশ্রী ও খিলগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
জলাবদ্ধতার কারণে রাজধানীর অনেক সড়কে ধীরগতিতে চলেছে যানবাহন। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া নাগরিকদের দীর্ঘ পথ পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

রাজধানীর অলিগলি, বাসাবাড়ির প্রবেশপথ, নিচু এলাকার ঘরবাড়ি এবং দোকানপাটে পানি ঢুকে পড়েছে। কোথাও কোথাও নর্দমার ময়লা পানি সড়কের পানির সঙ্গে মিশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে, যা জনস্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
জলাবদ্ধতার কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ। নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে পৌঁছাতে না পেরে অনেকেই বিকল্প পথ ব্যবহার করেন। কেউ আবার দীর্ঘ সময় যানবাহনের অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত হেঁটেই গন্তব্যে রওনা দেন। হাসপাতালমুখী রোগী ও তাদের স্বজনদেরও দুর্ভোগ ছিল চোখে পড়ার মতো। কোথাও কোথাও পানি জমে থাকায় অ্যাম্বুলেন্সকে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার সময় শিক্ষার্থীরাও একই ভোগান্তির শিকার হয়েছে।
জলাবদ্ধতায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরাও। নিচু এলাকার দোকানগুলোতে পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কায় অনেকেই মালামাল দ্রুত উঁচু স্থানে সরিয়ে রেখেছেন। ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বৃষ্টির কারণে দোকান গুটিয়ে চলে যেতে বাধ্য হন। ক্রেতার উপস্থিতিও ছিল তুলনামূলক কম।
মিরপুরের বাসিন্দা কবীর উদ্দিন বলেন, অফিসে বের হয়ে মনে হয়েছে রাস্তা নয়, যেন খাল পার হচ্ছি। কোথায় ম্যানহোল, কোথায় গর্ত-কিছুই বোঝা যায় না। প্রতি বর্ষাতেই একই দুর্ভোগ, কিন্তু স্থায়ী সমাধান নেই।
রিকশাচালক খায়রুল হাসান বলেন, অতিরিক্ত পানি থাকায় অনেক সড়কে রিকশা চালানোই সম্ভব হয়নি। এতে আয় কমে গেছে, আবার পানি ঢুকে রিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
গাবতলী-ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার রুটের একটি বাসের চালক রহমান বলেন, পানি জমে থাকায় কোথায় গর্ত আছে বোঝা যায় না। ধীরে চললে যানজট বাড়ে, দ্রুত চালালে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়। পানি আর যানজটের কারণে একটি ট্রিপ শেষ করতেই স্বাভাবিক সময়ের প্রায় দ্বিগুণ সময় লাগছে।
মৌচাকের স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই আমাদের এলাকায় পানি জমে ভয়াবহ আকার ধারণ করে। ময়লা পানির কারণে ডেঙ্গুসহ পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।
এই সমস্যা সমাধানে খাল উদ্ধার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নালা-নর্দমা নিয়মিত পরিষ্কার এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় ঢাকায় ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঢাকা, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী এবং কিছু এলাকায় ৮৮ মিলিমিটারের বেশি অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ফলে রাজধানীসহ জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকায় দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বৃষ্টিতে ডুবলো ঢাকা, চরম দুর্ভোগে নগরবাসী
নিজস্ব প্রতিবেদক

টানা কয়েক ঘণ্টার ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতায় নাকাল রাজধানীবাসী। শনিবার (১১ জুলাই) রাতের শেষভাগ থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি সকাল পেরিয়ে দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকায় নগরীর বিস্তীর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করেছে।
শনিবার (১২ জুলাই) রাজধানীর মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, আগারগাঁও, কল্যাণপুর, মোহাম্মদপুর, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, মালিবাগ, মৌচাক, শান্তিনগর, বাড্ডা, রামপুরা, শাহজাহানপুর, তেজগাঁও, বনশ্রী ও খিলগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
জলাবদ্ধতার কারণে রাজধানীর অনেক সড়কে ধীরগতিতে চলেছে যানবাহন। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া নাগরিকদের দীর্ঘ পথ পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

রাজধানীর অলিগলি, বাসাবাড়ির প্রবেশপথ, নিচু এলাকার ঘরবাড়ি এবং দোকানপাটে পানি ঢুকে পড়েছে। কোথাও কোথাও নর্দমার ময়লা পানি সড়কের পানির সঙ্গে মিশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে, যা জনস্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
জলাবদ্ধতার কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ। নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে পৌঁছাতে না পেরে অনেকেই বিকল্প পথ ব্যবহার করেন। কেউ আবার দীর্ঘ সময় যানবাহনের অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত হেঁটেই গন্তব্যে রওনা দেন। হাসপাতালমুখী রোগী ও তাদের স্বজনদেরও দুর্ভোগ ছিল চোখে পড়ার মতো। কোথাও কোথাও পানি জমে থাকায় অ্যাম্বুলেন্সকে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার সময় শিক্ষার্থীরাও একই ভোগান্তির শিকার হয়েছে।
জলাবদ্ধতায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরাও। নিচু এলাকার দোকানগুলোতে পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কায় অনেকেই মালামাল দ্রুত উঁচু স্থানে সরিয়ে রেখেছেন। ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বৃষ্টির কারণে দোকান গুটিয়ে চলে যেতে বাধ্য হন। ক্রেতার উপস্থিতিও ছিল তুলনামূলক কম।
মিরপুরের বাসিন্দা কবীর উদ্দিন বলেন, অফিসে বের হয়ে মনে হয়েছে রাস্তা নয়, যেন খাল পার হচ্ছি। কোথায় ম্যানহোল, কোথায় গর্ত-কিছুই বোঝা যায় না। প্রতি বর্ষাতেই একই দুর্ভোগ, কিন্তু স্থায়ী সমাধান নেই।
রিকশাচালক খায়রুল হাসান বলেন, অতিরিক্ত পানি থাকায় অনেক সড়কে রিকশা চালানোই সম্ভব হয়নি। এতে আয় কমে গেছে, আবার পানি ঢুকে রিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
গাবতলী-ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার রুটের একটি বাসের চালক রহমান বলেন, পানি জমে থাকায় কোথায় গর্ত আছে বোঝা যায় না। ধীরে চললে যানজট বাড়ে, দ্রুত চালালে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়। পানি আর যানজটের কারণে একটি ট্রিপ শেষ করতেই স্বাভাবিক সময়ের প্রায় দ্বিগুণ সময় লাগছে।
মৌচাকের স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই আমাদের এলাকায় পানি জমে ভয়াবহ আকার ধারণ করে। ময়লা পানির কারণে ডেঙ্গুসহ পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।
এই সমস্যা সমাধানে খাল উদ্ধার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নালা-নর্দমা নিয়মিত পরিষ্কার এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় ঢাকায় ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঢাকা, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী এবং কিছু এলাকায় ৮৮ মিলিমিটারের বেশি অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ফলে রাজধানীসহ জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকায় দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বৃষ্টিতে রিকশায় গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া

