মানুষ কেন অন্ধকারকে ভয় পায়
সিটিজেন ডেস্ক

মানুষ কেন অন্ধকারকে ভয় পায়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ০২: ০২

ছবি: সংগৃহীত
অন্ধকার দেখলেই আমাদের মনে এক ধরনের অজানা ভয় জন্ম নেয়। আধুনিক শহরের ঝলমলে আলোতেও সেই প্রাচীন আতঙ্ক পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। তবে বিজ্ঞান বলছে, অন্ধকারকে ভয় পাওয়া কোনো দুর্বলতা নয়; বরং এটি মানুষের বিবর্তনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি স্বাভাবিক প্রতিরক্ষামূলক প্রবৃত্তি।
জীববিজ্ঞানীদের মতে, মানুষ এমন এক পরিবেশে বেড়ে উঠেছে যেখানে রাত ছিল সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। অন্ধকারে শিকারি প্রাণী, শত্রু বা অন্যান্য বিপদ সহজে চোখে পড়ত না। ফলে টিকে থাকার স্বার্থেই মানুষের মস্তিষ্ক অন্ধকারে অতিরিক্ত সতর্ক থাকার অভ্যাস গড়ে তোলে।
গবেষকদের মতে, ভয় আসলে মানুষের বেঁচে থাকার জন্য তৈরি হওয়া এক ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা। যা প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে আছে।
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, পরিবেশ বদলে নিরাপদ হয়ে গেলেও মানুষের মস্তিষ্ক সেই পুরোনো প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়াগুলো ধরে রাখে। বিশেষ করে আলো কমে গেলে বা চারপাশ স্পষ্ট দেখা না গেলে মানুষের সংবেদনশীলতা বেড়ে যায়। কারণ, আদিম যুগে সামান্য অসতর্কতাও প্রাণঘাতী হতে পারত। তাই অন্ধকার মানেই মস্তিষ্কের জন্য সম্ভাব্য বিপদের সংকেত।
সম্প্রতি এক গবেষণায় বলা হয়েছে, অন্ধকারে মানুষের মস্তিষ্ক দিনের সময়ের তুলনায় ভিন্নভাবে কাজ করে। যখন চোখ পর্যাপ্ত তথ্য দিতে পারে না, তখন মস্তিষ্ক নিজেই শূন্যস্থান পূরণ করার চেষ্টা করে। আর সেই সময় কল্পনায় ভয়ঙ্কর বা নেতিবাচক দৃশ্য তৈরি হওয়াই বেশি স্বাভাবিক। এ কারণেই অন্ধকারে ছোট একটি শব্দও অনেক বড় বিপদের ইঙ্গিত বলে মনে হতে পারে।
এ ছাড়া দেখা গেছে, অন্ধকারে মানুষের শ্রবণশক্তি তুলনামূলকভাবে বেশি তীক্ষ্ণ হয়ে ওঠে। দৃষ্টির সীমাবদ্ধতার কারণে মস্তিষ্ক শব্দের প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগী হয়। ফলে স্বাভাবিক আওয়াজও উদ্বেগ বা আতঙ্ক তৈরি করতে পারে।
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করলেও অন্ধকারের ভয় পুরোপুরি দূর না হওয়ার কারণ হলো আমাদের প্রাগৈতিহাসিক প্রবৃত্তি। একই সঙ্গে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাবও এই ভয়ের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে। রূপকথা, লোককাহিনি, সিনেমা কিংবা আধুনিক গণমাধ্যমে অন্ধকারকে প্রায়ই রহস্যময় বা অশুভ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। যা মানুষের অবচেতন মনে ভয়কে আরো গভীর করে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। যখন মানুষ বুঝতে শেখে যে অন্ধকারের ভয় মূলত মস্তিষ্কের একটি পুরোনো প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া, তখন সেটি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ধীরে ধীরে ও নিয়ন্ত্রিতভাবে ভয়ের পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে উদ্বেগ কমতে শুরু করে এবং মস্তিষ্ক নতুনভাবে পরিস্থিতিকে নিরাপদ হিসেবে গ্রহণ করতে শেখে।

অন্ধকার দেখলেই আমাদের মনে এক ধরনের অজানা ভয় জন্ম নেয়। আধুনিক শহরের ঝলমলে আলোতেও সেই প্রাচীন আতঙ্ক পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। তবে বিজ্ঞান বলছে, অন্ধকারকে ভয় পাওয়া কোনো দুর্বলতা নয়; বরং এটি মানুষের বিবর্তনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি স্বাভাবিক প্রতিরক্ষামূলক প্রবৃত্তি।
জীববিজ্ঞানীদের মতে, মানুষ এমন এক পরিবেশে বেড়ে উঠেছে যেখানে রাত ছিল সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। অন্ধকারে শিকারি প্রাণী, শত্রু বা অন্যান্য বিপদ সহজে চোখে পড়ত না। ফলে টিকে থাকার স্বার্থেই মানুষের মস্তিষ্ক অন্ধকারে অতিরিক্ত সতর্ক থাকার অভ্যাস গড়ে তোলে।
গবেষকদের মতে, ভয় আসলে মানুষের বেঁচে থাকার জন্য তৈরি হওয়া এক ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা। যা প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে আছে।
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, পরিবেশ বদলে নিরাপদ হয়ে গেলেও মানুষের মস্তিষ্ক সেই পুরোনো প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়াগুলো ধরে রাখে। বিশেষ করে আলো কমে গেলে বা চারপাশ স্পষ্ট দেখা না গেলে মানুষের সংবেদনশীলতা বেড়ে যায়। কারণ, আদিম যুগে সামান্য অসতর্কতাও প্রাণঘাতী হতে পারত। তাই অন্ধকার মানেই মস্তিষ্কের জন্য সম্ভাব্য বিপদের সংকেত।
সম্প্রতি এক গবেষণায় বলা হয়েছে, অন্ধকারে মানুষের মস্তিষ্ক দিনের সময়ের তুলনায় ভিন্নভাবে কাজ করে। যখন চোখ পর্যাপ্ত তথ্য দিতে পারে না, তখন মস্তিষ্ক নিজেই শূন্যস্থান পূরণ করার চেষ্টা করে। আর সেই সময় কল্পনায় ভয়ঙ্কর বা নেতিবাচক দৃশ্য তৈরি হওয়াই বেশি স্বাভাবিক। এ কারণেই অন্ধকারে ছোট একটি শব্দও অনেক বড় বিপদের ইঙ্গিত বলে মনে হতে পারে।
এ ছাড়া দেখা গেছে, অন্ধকারে মানুষের শ্রবণশক্তি তুলনামূলকভাবে বেশি তীক্ষ্ণ হয়ে ওঠে। দৃষ্টির সীমাবদ্ধতার কারণে মস্তিষ্ক শব্দের প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগী হয়। ফলে স্বাভাবিক আওয়াজও উদ্বেগ বা আতঙ্ক তৈরি করতে পারে।
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করলেও অন্ধকারের ভয় পুরোপুরি দূর না হওয়ার কারণ হলো আমাদের প্রাগৈতিহাসিক প্রবৃত্তি। একই সঙ্গে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাবও এই ভয়ের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে। রূপকথা, লোককাহিনি, সিনেমা কিংবা আধুনিক গণমাধ্যমে অন্ধকারকে প্রায়ই রহস্যময় বা অশুভ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। যা মানুষের অবচেতন মনে ভয়কে আরো গভীর করে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। যখন মানুষ বুঝতে শেখে যে অন্ধকারের ভয় মূলত মস্তিষ্কের একটি পুরোনো প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া, তখন সেটি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ধীরে ধীরে ও নিয়ন্ত্রিতভাবে ভয়ের পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে উদ্বেগ কমতে শুরু করে এবং মস্তিষ্ক নতুনভাবে পরিস্থিতিকে নিরাপদ হিসেবে গ্রহণ করতে শেখে।

মানুষ কেন অন্ধকারকে ভয় পায়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ০২: ০২

ছবি: সংগৃহীত
অন্ধকার দেখলেই আমাদের মনে এক ধরনের অজানা ভয় জন্ম নেয়। আধুনিক শহরের ঝলমলে আলোতেও সেই প্রাচীন আতঙ্ক পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। তবে বিজ্ঞান বলছে, অন্ধকারকে ভয় পাওয়া কোনো দুর্বলতা নয়; বরং এটি মানুষের বিবর্তনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি স্বাভাবিক প্রতিরক্ষামূলক প্রবৃত্তি।
জীববিজ্ঞানীদের মতে, মানুষ এমন এক পরিবেশে বেড়ে উঠেছে যেখানে রাত ছিল সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। অন্ধকারে শিকারি প্রাণী, শত্রু বা অন্যান্য বিপদ সহজে চোখে পড়ত না। ফলে টিকে থাকার স্বার্থেই মানুষের মস্তিষ্ক অন্ধকারে অতিরিক্ত সতর্ক থাকার অভ্যাস গড়ে তোলে।
গবেষকদের মতে, ভয় আসলে মানুষের বেঁচে থাকার জন্য তৈরি হওয়া এক ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা। যা প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে আছে।
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, পরিবেশ বদলে নিরাপদ হয়ে গেলেও মানুষের মস্তিষ্ক সেই পুরোনো প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়াগুলো ধরে রাখে। বিশেষ করে আলো কমে গেলে বা চারপাশ স্পষ্ট দেখা না গেলে মানুষের সংবেদনশীলতা বেড়ে যায়। কারণ, আদিম যুগে সামান্য অসতর্কতাও প্রাণঘাতী হতে পারত। তাই অন্ধকার মানেই মস্তিষ্কের জন্য সম্ভাব্য বিপদের সংকেত।
সম্প্রতি এক গবেষণায় বলা হয়েছে, অন্ধকারে মানুষের মস্তিষ্ক দিনের সময়ের তুলনায় ভিন্নভাবে কাজ করে। যখন চোখ পর্যাপ্ত তথ্য দিতে পারে না, তখন মস্তিষ্ক নিজেই শূন্যস্থান পূরণ করার চেষ্টা করে। আর সেই সময় কল্পনায় ভয়ঙ্কর বা নেতিবাচক দৃশ্য তৈরি হওয়াই বেশি স্বাভাবিক। এ কারণেই অন্ধকারে ছোট একটি শব্দও অনেক বড় বিপদের ইঙ্গিত বলে মনে হতে পারে।
এ ছাড়া দেখা গেছে, অন্ধকারে মানুষের শ্রবণশক্তি তুলনামূলকভাবে বেশি তীক্ষ্ণ হয়ে ওঠে। দৃষ্টির সীমাবদ্ধতার কারণে মস্তিষ্ক শব্দের প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগী হয়। ফলে স্বাভাবিক আওয়াজও উদ্বেগ বা আতঙ্ক তৈরি করতে পারে।
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করলেও অন্ধকারের ভয় পুরোপুরি দূর না হওয়ার কারণ হলো আমাদের প্রাগৈতিহাসিক প্রবৃত্তি। একই সঙ্গে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাবও এই ভয়ের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে। রূপকথা, লোককাহিনি, সিনেমা কিংবা আধুনিক গণমাধ্যমে অন্ধকারকে প্রায়ই রহস্যময় বা অশুভ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। যা মানুষের অবচেতন মনে ভয়কে আরো গভীর করে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। যখন মানুষ বুঝতে শেখে যে অন্ধকারের ভয় মূলত মস্তিষ্কের একটি পুরোনো প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া, তখন সেটি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ধীরে ধীরে ও নিয়ন্ত্রিতভাবে ভয়ের পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে উদ্বেগ কমতে শুরু করে এবং মস্তিষ্ক নতুনভাবে পরিস্থিতিকে নিরাপদ হিসেবে গ্রহণ করতে শেখে।
/এসবি/

হজমশক্তি বাড়াতে মাটি খাচ্ছে বানর


