যে শহরে বিড়ালের রাজত্ব
সিটিজেন ডেস্ক

যে শহরে বিড়ালের রাজত্ব
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ২০: ৩৮

ছবি: সংগৃহীত
তুরস্কের ঐতিহাসিক শহর ইস্তাম্বুলে পা রাখলে যে কেউ দ্বিধায় পড়ে যেতে পারেন—শহরটি কি মানুষের, নাকি বিড়ালের? এখানকার ফুটপাত, দোকানের সোফা কিংবা পার্ক—সবখানেই বিড়ালদের অবাধ বিচরণ। তারা এখানে স্রেফ রাস্তার প্রাণী নয়, বরং শহরের একেকজন সম্মানিত নাগরিক।
ইস্তাম্বুলের একটি শপিং সেন্টারের বিড়াল ‘ক্যানিয়ন’ এখন আলোচনার তুঙ্গে। তার থাকার ঝুড়িটি হারিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয়দের মমতায় সে এখন এক বিলাসী জীবন যাপন করছে। তার জন্য বানানো হয়েছে আরামদায়ক ঘর, দেওয়া হয়েছে নতুন খেলনা। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নামে থাকা ইনস্টাগ্রাম পেজটিও বেশ জনপ্রিয়।
তবে ইস্তাম্বুলে বিড়াল নিয়ে উন্মাদনা নতুন নয়। ২০১৬ সালে বিখ্যাত বিড়াল ‘টম্বিলি’র হেলান দিয়ে বসে থাকার ছবি ইন্টারনেটে ভাইরাল হলে তার স্মরণে ব্রোঞ্জের মূর্তি তৈরি করা হয়। আবার হাগিয়া সোফিয়ার বিখ্যাত বিড়াল ‘গ্লি’র মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল পুরো তুরস্কে। এমনকি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও তাকে আদর করেছিলেন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইস্তাম্বুলের রাস্তায় প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার বিড়াল বাস করে। আর তাদের দেখাশোনা করে শহরের প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ।
বিড়ালদের প্রতি ইস্তাম্বুলবাসীর এই মমতার শেকড় অটোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাসে প্রোথিত। অটোমান সুলতানদের টোপকাপি প্রাসাদে বিড়ালদের জন্য আলাদা দরজা আজও সংরক্ষিত।
ঐতিহাসিকদের মতে, হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বিড়ালপ্রেমের গল্প ইস্তাম্বুলবাসীর মানসিকতাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। ১৪৫৩ সালে অটোমানরা যখন কনস্টান্টিনোপল জয় করে, তখনও বিড়ালদের প্রতি মানুষের সহমর্মিতার প্রমাণ পাওয়া যায়।
বিদেশি শিক্ষার্থীদের মতে, ইস্তাম্বুলে বিড়ালের এতই দাপট যে সেখানে ইঁদুরের উপদ্রব নেই বললেই চলে। বর্তমানে সিটি করপোরেশন বিড়ালের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে নির্বীজকরণ বা স্পেইং কর্মসূচি চালালেও, মানুষের ভালোবাসায় কোনো কমতি নেই।

তুরস্কের ঐতিহাসিক শহর ইস্তাম্বুলে পা রাখলে যে কেউ দ্বিধায় পড়ে যেতে পারেন—শহরটি কি মানুষের, নাকি বিড়ালের? এখানকার ফুটপাত, দোকানের সোফা কিংবা পার্ক—সবখানেই বিড়ালদের অবাধ বিচরণ। তারা এখানে স্রেফ রাস্তার প্রাণী নয়, বরং শহরের একেকজন সম্মানিত নাগরিক।
ইস্তাম্বুলের একটি শপিং সেন্টারের বিড়াল ‘ক্যানিয়ন’ এখন আলোচনার তুঙ্গে। তার থাকার ঝুড়িটি হারিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয়দের মমতায় সে এখন এক বিলাসী জীবন যাপন করছে। তার জন্য বানানো হয়েছে আরামদায়ক ঘর, দেওয়া হয়েছে নতুন খেলনা। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নামে থাকা ইনস্টাগ্রাম পেজটিও বেশ জনপ্রিয়।
তবে ইস্তাম্বুলে বিড়াল নিয়ে উন্মাদনা নতুন নয়। ২০১৬ সালে বিখ্যাত বিড়াল ‘টম্বিলি’র হেলান দিয়ে বসে থাকার ছবি ইন্টারনেটে ভাইরাল হলে তার স্মরণে ব্রোঞ্জের মূর্তি তৈরি করা হয়। আবার হাগিয়া সোফিয়ার বিখ্যাত বিড়াল ‘গ্লি’র মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল পুরো তুরস্কে। এমনকি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও তাকে আদর করেছিলেন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইস্তাম্বুলের রাস্তায় প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার বিড়াল বাস করে। আর তাদের দেখাশোনা করে শহরের প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ।
বিড়ালদের প্রতি ইস্তাম্বুলবাসীর এই মমতার শেকড় অটোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাসে প্রোথিত। অটোমান সুলতানদের টোপকাপি প্রাসাদে বিড়ালদের জন্য আলাদা দরজা আজও সংরক্ষিত।
ঐতিহাসিকদের মতে, হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বিড়ালপ্রেমের গল্প ইস্তাম্বুলবাসীর মানসিকতাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। ১৪৫৩ সালে অটোমানরা যখন কনস্টান্টিনোপল জয় করে, তখনও বিড়ালদের প্রতি মানুষের সহমর্মিতার প্রমাণ পাওয়া যায়।
বিদেশি শিক্ষার্থীদের মতে, ইস্তাম্বুলে বিড়ালের এতই দাপট যে সেখানে ইঁদুরের উপদ্রব নেই বললেই চলে। বর্তমানে সিটি করপোরেশন বিড়ালের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে নির্বীজকরণ বা স্পেইং কর্মসূচি চালালেও, মানুষের ভালোবাসায় কোনো কমতি নেই।

যে শহরে বিড়ালের রাজত্ব
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ২০: ৩৮

ছবি: সংগৃহীত
তুরস্কের ঐতিহাসিক শহর ইস্তাম্বুলে পা রাখলে যে কেউ দ্বিধায় পড়ে যেতে পারেন—শহরটি কি মানুষের, নাকি বিড়ালের? এখানকার ফুটপাত, দোকানের সোফা কিংবা পার্ক—সবখানেই বিড়ালদের অবাধ বিচরণ। তারা এখানে স্রেফ রাস্তার প্রাণী নয়, বরং শহরের একেকজন সম্মানিত নাগরিক।
ইস্তাম্বুলের একটি শপিং সেন্টারের বিড়াল ‘ক্যানিয়ন’ এখন আলোচনার তুঙ্গে। তার থাকার ঝুড়িটি হারিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয়দের মমতায় সে এখন এক বিলাসী জীবন যাপন করছে। তার জন্য বানানো হয়েছে আরামদায়ক ঘর, দেওয়া হয়েছে নতুন খেলনা। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নামে থাকা ইনস্টাগ্রাম পেজটিও বেশ জনপ্রিয়।
তবে ইস্তাম্বুলে বিড়াল নিয়ে উন্মাদনা নতুন নয়। ২০১৬ সালে বিখ্যাত বিড়াল ‘টম্বিলি’র হেলান দিয়ে বসে থাকার ছবি ইন্টারনেটে ভাইরাল হলে তার স্মরণে ব্রোঞ্জের মূর্তি তৈরি করা হয়। আবার হাগিয়া সোফিয়ার বিখ্যাত বিড়াল ‘গ্লি’র মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল পুরো তুরস্কে। এমনকি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও তাকে আদর করেছিলেন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইস্তাম্বুলের রাস্তায় প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার বিড়াল বাস করে। আর তাদের দেখাশোনা করে শহরের প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ।
বিড়ালদের প্রতি ইস্তাম্বুলবাসীর এই মমতার শেকড় অটোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাসে প্রোথিত। অটোমান সুলতানদের টোপকাপি প্রাসাদে বিড়ালদের জন্য আলাদা দরজা আজও সংরক্ষিত।
ঐতিহাসিকদের মতে, হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বিড়ালপ্রেমের গল্প ইস্তাম্বুলবাসীর মানসিকতাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। ১৪৫৩ সালে অটোমানরা যখন কনস্টান্টিনোপল জয় করে, তখনও বিড়ালদের প্রতি মানুষের সহমর্মিতার প্রমাণ পাওয়া যায়।
বিদেশি শিক্ষার্থীদের মতে, ইস্তাম্বুলে বিড়ালের এতই দাপট যে সেখানে ইঁদুরের উপদ্রব নেই বললেই চলে। বর্তমানে সিটি করপোরেশন বিড়ালের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে নির্বীজকরণ বা স্পেইং কর্মসূচি চালালেও, মানুষের ভালোবাসায় কোনো কমতি নেই।
/এসবি/

কবুতরও দুধ দেয়


