মৃত ভেবে শোক
দেড় বছর পর ফিলিস্তিনি যুবকের খোঁজ মিললো ইসরায়েলি কারাগারে

দেড় বছর পর ফিলিস্তিনি যুবকের খোঁজ মিললো ইসরায়েলি কারাগারে
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘ দেড় বছর ধরে নিখোঁজ থাকা সন্তানের মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল গাজার এক পরিবারে। সম্পন্ন হয়েছিল তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও জানাজা। তবে সব শোককে ছাপিয়ে অবিশ্বাস্য এক ‘অলৌকিক’ বার্তার মুখোমুখি হয়েছেন স্বজনরা। মৃত বলে ধরে নেওয়া ২৫ বছর বয়সি ইদ নায়েল আবু শার আসলে জীবিত এবং তিনি বন্দি রয়েছেন ইসরায়েলের কুখ্যাত অফার কারাগারে। সোমবার (৩ মে) এক আইনজীবীর ফোন কলের মাধ্যমে এ সত্য নিশ্চিত হওয়ার পর গাজার সেই বাড়িতে এখন শোকের মাতম ভুলে বইছে খুশির জোয়ার, প্রতিবেশীদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে মিষ্টি।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর গাজার কুখ্যাত মৃত্যু উপত্যকা হিসেবে পরিচিত নেৎজারিম করিডোরে কাজ খুঁজতে গিয়ে নিখোঁজ হন ইদ। তার বাবা নায়েল আবু শার দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে সন্তানের খোঁজে প্রতিটি হাসপাতাল ও মর্গের দরজায় কড়া নেড়েছেন। রেড ক্রসসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দ্বারে দ্বারে ঘুরেও যখন কোনো হদিস মেলেনি, তখন অনেকটা নিরুপায় হয়েই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে মৃত্যু সনদ সংগ্রহ করে এবং গত ১০ মাস আগে ছেলের অনুপস্থিতিতে জানাজা ও শোক সভা পালন করে পরিবারটি। তবে মাতৃত্বের অমোঘ টানে মা মহা আবু শার কখনোই বিশ্বাস করতে পারেননি তার সন্তান আর বেঁচে নেই। অবশেষে সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া এক বন্দির দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরে আইনজীবীর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়, ইদ ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক রয়েছেন।
ইদ আবু শারের এ আকস্মিক ফিরে আসার খবর গাজায় চলমান এক বৃহত্তর ও গভীর সংকটের চিত্রকে পুনরায় সামনে এনেছে। প্যালেস্টাইন সেন্টার ফর দ্য মিসিং এর দেওয়া তথ্যানুসারে, বর্তমানে গাজায় প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এদের মধ্যে অন্তত ১৫০০ জন ইসরায়েলি কারাগারে জোরপূর্বক গুম বা গোপন বন্দি হিসেবে আটক আছেন।
সংস্থাটির মতে, বন্দিদের তালিকা প্রকাশ না করা ইসরায়েলের একটি সুপরিকল্পিত কৌশল, যার মাধ্যমে ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোকে দীর্ঘস্থায়ী মনস্তাত্ত্বিক যন্ত্রণার মধ্যে রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারগুলো বর্তমানে এক অবর্ণনীয় ঝুলন্ত শোকের মধ্যে বাস করছে, যেখানে প্রিয়জন ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে নাকি বন্দিশালায় নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তা জানার কোনো উপায় নেই।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কার্যকর পদক্ষেপের অভাব এবং ইসরায়েলের ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করতে না পারার কারণে রেড ক্রসও বর্তমানে কারাগারগুলোতে বন্দিদের অবস্থা পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাচ্ছে না। ইদ আবু শারের পরিবার তার জীবিত থাকার খবরে আপাতত স্বস্তিতে থাকলেও নতুন এক আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে। ইদের মা আল জাজিরাকে জানান, ছেলে বেঁচে আছে জেনে বুক হালকা হলেও কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে সে কী পরিমাণ নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, তা ভেবে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। বুকের ধনকে সশরীরে ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত এ আনন্দ কখনোই পূর্ণতা পাবে না বলে জানান এই ব্যথিত মা।
সূত্র: আল জাজিরা

দীর্ঘ দেড় বছর ধরে নিখোঁজ থাকা সন্তানের মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল গাজার এক পরিবারে। সম্পন্ন হয়েছিল তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও জানাজা। তবে সব শোককে ছাপিয়ে অবিশ্বাস্য এক ‘অলৌকিক’ বার্তার মুখোমুখি হয়েছেন স্বজনরা। মৃত বলে ধরে নেওয়া ২৫ বছর বয়সি ইদ নায়েল আবু শার আসলে জীবিত এবং তিনি বন্দি রয়েছেন ইসরায়েলের কুখ্যাত অফার কারাগারে। সোমবার (৩ মে) এক আইনজীবীর ফোন কলের মাধ্যমে এ সত্য নিশ্চিত হওয়ার পর গাজার সেই বাড়িতে এখন শোকের মাতম ভুলে বইছে খুশির জোয়ার, প্রতিবেশীদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে মিষ্টি।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর গাজার কুখ্যাত মৃত্যু উপত্যকা হিসেবে পরিচিত নেৎজারিম করিডোরে কাজ খুঁজতে গিয়ে নিখোঁজ হন ইদ। তার বাবা নায়েল আবু শার দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে সন্তানের খোঁজে প্রতিটি হাসপাতাল ও মর্গের দরজায় কড়া নেড়েছেন। রেড ক্রসসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দ্বারে দ্বারে ঘুরেও যখন কোনো হদিস মেলেনি, তখন অনেকটা নিরুপায় হয়েই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে মৃত্যু সনদ সংগ্রহ করে এবং গত ১০ মাস আগে ছেলের অনুপস্থিতিতে জানাজা ও শোক সভা পালন করে পরিবারটি। তবে মাতৃত্বের অমোঘ টানে মা মহা আবু শার কখনোই বিশ্বাস করতে পারেননি তার সন্তান আর বেঁচে নেই। অবশেষে সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া এক বন্দির দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরে আইনজীবীর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়, ইদ ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক রয়েছেন।
ইদ আবু শারের এ আকস্মিক ফিরে আসার খবর গাজায় চলমান এক বৃহত্তর ও গভীর সংকটের চিত্রকে পুনরায় সামনে এনেছে। প্যালেস্টাইন সেন্টার ফর দ্য মিসিং এর দেওয়া তথ্যানুসারে, বর্তমানে গাজায় প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এদের মধ্যে অন্তত ১৫০০ জন ইসরায়েলি কারাগারে জোরপূর্বক গুম বা গোপন বন্দি হিসেবে আটক আছেন।
সংস্থাটির মতে, বন্দিদের তালিকা প্রকাশ না করা ইসরায়েলের একটি সুপরিকল্পিত কৌশল, যার মাধ্যমে ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোকে দীর্ঘস্থায়ী মনস্তাত্ত্বিক যন্ত্রণার মধ্যে রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারগুলো বর্তমানে এক অবর্ণনীয় ঝুলন্ত শোকের মধ্যে বাস করছে, যেখানে প্রিয়জন ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে নাকি বন্দিশালায় নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তা জানার কোনো উপায় নেই।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কার্যকর পদক্ষেপের অভাব এবং ইসরায়েলের ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করতে না পারার কারণে রেড ক্রসও বর্তমানে কারাগারগুলোতে বন্দিদের অবস্থা পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাচ্ছে না। ইদ আবু শারের পরিবার তার জীবিত থাকার খবরে আপাতত স্বস্তিতে থাকলেও নতুন এক আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে। ইদের মা আল জাজিরাকে জানান, ছেলে বেঁচে আছে জেনে বুক হালকা হলেও কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে সে কী পরিমাণ নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, তা ভেবে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। বুকের ধনকে সশরীরে ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত এ আনন্দ কখনোই পূর্ণতা পাবে না বলে জানান এই ব্যথিত মা।
সূত্র: আল জাজিরা

দেড় বছর পর ফিলিস্তিনি যুবকের খোঁজ মিললো ইসরায়েলি কারাগারে
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘ দেড় বছর ধরে নিখোঁজ থাকা সন্তানের মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল গাজার এক পরিবারে। সম্পন্ন হয়েছিল তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও জানাজা। তবে সব শোককে ছাপিয়ে অবিশ্বাস্য এক ‘অলৌকিক’ বার্তার মুখোমুখি হয়েছেন স্বজনরা। মৃত বলে ধরে নেওয়া ২৫ বছর বয়সি ইদ নায়েল আবু শার আসলে জীবিত এবং তিনি বন্দি রয়েছেন ইসরায়েলের কুখ্যাত অফার কারাগারে। সোমবার (৩ মে) এক আইনজীবীর ফোন কলের মাধ্যমে এ সত্য নিশ্চিত হওয়ার পর গাজার সেই বাড়িতে এখন শোকের মাতম ভুলে বইছে খুশির জোয়ার, প্রতিবেশীদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে মিষ্টি।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর গাজার কুখ্যাত মৃত্যু উপত্যকা হিসেবে পরিচিত নেৎজারিম করিডোরে কাজ খুঁজতে গিয়ে নিখোঁজ হন ইদ। তার বাবা নায়েল আবু শার দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে সন্তানের খোঁজে প্রতিটি হাসপাতাল ও মর্গের দরজায় কড়া নেড়েছেন। রেড ক্রসসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দ্বারে দ্বারে ঘুরেও যখন কোনো হদিস মেলেনি, তখন অনেকটা নিরুপায় হয়েই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে মৃত্যু সনদ সংগ্রহ করে এবং গত ১০ মাস আগে ছেলের অনুপস্থিতিতে জানাজা ও শোক সভা পালন করে পরিবারটি। তবে মাতৃত্বের অমোঘ টানে মা মহা আবু শার কখনোই বিশ্বাস করতে পারেননি তার সন্তান আর বেঁচে নেই। অবশেষে সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া এক বন্দির দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরে আইনজীবীর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়, ইদ ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক রয়েছেন।
ইদ আবু শারের এ আকস্মিক ফিরে আসার খবর গাজায় চলমান এক বৃহত্তর ও গভীর সংকটের চিত্রকে পুনরায় সামনে এনেছে। প্যালেস্টাইন সেন্টার ফর দ্য মিসিং এর দেওয়া তথ্যানুসারে, বর্তমানে গাজায় প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এদের মধ্যে অন্তত ১৫০০ জন ইসরায়েলি কারাগারে জোরপূর্বক গুম বা গোপন বন্দি হিসেবে আটক আছেন।
সংস্থাটির মতে, বন্দিদের তালিকা প্রকাশ না করা ইসরায়েলের একটি সুপরিকল্পিত কৌশল, যার মাধ্যমে ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোকে দীর্ঘস্থায়ী মনস্তাত্ত্বিক যন্ত্রণার মধ্যে রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারগুলো বর্তমানে এক অবর্ণনীয় ঝুলন্ত শোকের মধ্যে বাস করছে, যেখানে প্রিয়জন ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে নাকি বন্দিশালায় নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তা জানার কোনো উপায় নেই।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কার্যকর পদক্ষেপের অভাব এবং ইসরায়েলের ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করতে না পারার কারণে রেড ক্রসও বর্তমানে কারাগারগুলোতে বন্দিদের অবস্থা পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাচ্ছে না। ইদ আবু শারের পরিবার তার জীবিত থাকার খবরে আপাতত স্বস্তিতে থাকলেও নতুন এক আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে। ইদের মা আল জাজিরাকে জানান, ছেলে বেঁচে আছে জেনে বুক হালকা হলেও কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে সে কী পরিমাণ নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, তা ভেবে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। বুকের ধনকে সশরীরে ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত এ আনন্দ কখনোই পূর্ণতা পাবে না বলে জানান এই ব্যথিত মা।
সূত্র: আল জাজিরা

নিজেদের তৈরি চোরাবালিতেই আটকা পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান


