শত্রুতার বলি হলো স্বপ্নের মরিচ খেত

শত্রুতার বলি হলো স্বপ্নের মরিচ খেত
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় রাতে এক কৃষকের মরিচ খেত নষ্ট করে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। স্বপ্নের ফসল হারানোয় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের আহাজারি থামছেই না। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে কটিয়াদি উপজেলার মুমুরদিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাঘবের উমেদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার সকালে জমিতে গিয়ে ফসল নষ্ট দেখতে পান কৃষক ইমাম হোসেন খোকন। এরপর তিনি জমিতে শুয়ে আহাজারি করেন।
স্থানীয় লোকজন জানায়, প্রায় আড়াই মাস আগে নিজের ১৪ শতক জমিতে বগুড়া থেকে এনে হাইব্রিড জাতের মরিচের চাষাবাদ করেন। ফলন ভালো হওয়ায় ভালো লাভের স্বপ্ন দেখছিলেন। চাষাবাদ করতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
কৃষক ইমাম হোসেন খোকন বলেন, আমার সঙ্গে কারো কোন শত্রুতা নেই। কিন্তু কারা এই সর্বনাশ করল, কিছুই জানি না। আমার কষ্টের ফসল বিনষ্ট দেখে বুকটা শুধু জ্বলছে। প্রায় দুই লাখ টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেল।
কটিয়াদি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, যারা এ কাজ করেছে, এটি খুবই বর্বরতা, তাদের বিচার হওয়া প্রয়োজন। কৃষকের পাশাপাশি মানুষের খাদ্যেরও ক্ষতি করেছে। আমি উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে খোঁজ নিচ্ছি। ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে দিতে কৃষক ইমাম হোসেনকে প্রণোদনা দেওয়া হবে।
কটিয়াদী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে সরজমিনে খোঁজ নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় রাতে এক কৃষকের মরিচ খেত নষ্ট করে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। স্বপ্নের ফসল হারানোয় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের আহাজারি থামছেই না। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে কটিয়াদি উপজেলার মুমুরদিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাঘবের উমেদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার সকালে জমিতে গিয়ে ফসল নষ্ট দেখতে পান কৃষক ইমাম হোসেন খোকন। এরপর তিনি জমিতে শুয়ে আহাজারি করেন।
স্থানীয় লোকজন জানায়, প্রায় আড়াই মাস আগে নিজের ১৪ শতক জমিতে বগুড়া থেকে এনে হাইব্রিড জাতের মরিচের চাষাবাদ করেন। ফলন ভালো হওয়ায় ভালো লাভের স্বপ্ন দেখছিলেন। চাষাবাদ করতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
কৃষক ইমাম হোসেন খোকন বলেন, আমার সঙ্গে কারো কোন শত্রুতা নেই। কিন্তু কারা এই সর্বনাশ করল, কিছুই জানি না। আমার কষ্টের ফসল বিনষ্ট দেখে বুকটা শুধু জ্বলছে। প্রায় দুই লাখ টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেল।
কটিয়াদি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, যারা এ কাজ করেছে, এটি খুবই বর্বরতা, তাদের বিচার হওয়া প্রয়োজন। কৃষকের পাশাপাশি মানুষের খাদ্যেরও ক্ষতি করেছে। আমি উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে খোঁজ নিচ্ছি। ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে দিতে কৃষক ইমাম হোসেনকে প্রণোদনা দেওয়া হবে।
কটিয়াদী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে সরজমিনে খোঁজ নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শত্রুতার বলি হলো স্বপ্নের মরিচ খেত
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় রাতে এক কৃষকের মরিচ খেত নষ্ট করে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। স্বপ্নের ফসল হারানোয় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের আহাজারি থামছেই না। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে কটিয়াদি উপজেলার মুমুরদিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাঘবের উমেদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার সকালে জমিতে গিয়ে ফসল নষ্ট দেখতে পান কৃষক ইমাম হোসেন খোকন। এরপর তিনি জমিতে শুয়ে আহাজারি করেন।
স্থানীয় লোকজন জানায়, প্রায় আড়াই মাস আগে নিজের ১৪ শতক জমিতে বগুড়া থেকে এনে হাইব্রিড জাতের মরিচের চাষাবাদ করেন। ফলন ভালো হওয়ায় ভালো লাভের স্বপ্ন দেখছিলেন। চাষাবাদ করতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
কৃষক ইমাম হোসেন খোকন বলেন, আমার সঙ্গে কারো কোন শত্রুতা নেই। কিন্তু কারা এই সর্বনাশ করল, কিছুই জানি না। আমার কষ্টের ফসল বিনষ্ট দেখে বুকটা শুধু জ্বলছে। প্রায় দুই লাখ টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেল।
কটিয়াদি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, যারা এ কাজ করেছে, এটি খুবই বর্বরতা, তাদের বিচার হওয়া প্রয়োজন। কৃষকের পাশাপাশি মানুষের খাদ্যেরও ক্ষতি করেছে। আমি উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে খোঁজ নিচ্ছি। ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে দিতে কৃষক ইমাম হোসেনকে প্রণোদনা দেওয়া হবে।
কটিয়াদী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে সরজমিনে খোঁজ নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।




