রেস্তোরাঁর ১১০০ চেয়ার চুরি

রেস্তোরাঁর ১১০০ চেয়ার চুরি
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে রেস্তোরাঁ মালিকদের জন্য এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছিল ‘চেয়ার চোর’। অবিশ্বাস্য মনে হলেও, দুই মাসে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একের পর এক চেয়ার চুরির ঘটনায় রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে পুলিশকে। অবশেষে এই রহস্যময় চুরির কিনারা করে ৭ জনকে গ্রেপ্তার দেশটির পুলিশ।
পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত চক্রটিতে ৬ জন পুরুষ ও একজন নারী সদস্য রয়েছেন। তারা মূলত মাদ্রিদ এবং পার্শ্ববর্তী শহর 'তালাভেরা দে লা রেইনা'কে লক্ষ্য করে তাদের অভিযান চালাত। গভীর রাতে যখন শহর ঘুমিয়ে পড়ত, তখন অত্যন্ত সুকৌশলে উন্মুক্ত রেস্তোরাঁ ও বারের সামনে সাজানো চেয়ারগুলো ট্রাকে তুলে তারা চম্পট দিত ।
তদন্তে জানা গেছে, গত দুই মাসে তারা প্রায় ১ হাজার ১০০টিরও বেশি চেয়ার চুরি করেছে। এসব চেয়ারের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬০ হাজার ইউরো। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৫ লাখ টাকারও বেশি। কেবল মাদ্রিদেই অন্তত ১৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই চক্রের শিকারে পরিণত হয়েছে।
পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, এটি কেবল সাধারণ কোনো চুরি ছিল না; বরং এটি একটি সুসংগঠিত অপরাধী চক্র। চুরি করা এসব আসবাবপত্র শুধু স্পেনের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে, এসব চেয়ারের একটি বড় অংশ মরক্কো ও রোমানিয়ায় পাচার করা হয়েছে।
ইউরোপের দেশগুলোতে রেস্তোরাঁ বা বারের সামনের ফুটপাতে আসবাবপত্র রাখার সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের। সাধারণত ধাতব বা শক্ত প্লাস্টিকের তৈরি এই চেয়ারগুলো রাতে বাইরেই পড়ে থাকে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে মাদ্রিদের ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। নিজেদের সম্পদ রক্ষায় এখন অনেক মালিককে দেখা যাচ্ছে রাতের বেলা চেয়ার-টেবিল শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে।
স্পেনের ন্যাশনাল পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে রেস্তোরাঁ মালিকদের জন্য এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছিল ‘চেয়ার চোর’। অবিশ্বাস্য মনে হলেও, দুই মাসে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একের পর এক চেয়ার চুরির ঘটনায় রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে পুলিশকে। অবশেষে এই রহস্যময় চুরির কিনারা করে ৭ জনকে গ্রেপ্তার দেশটির পুলিশ।
পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত চক্রটিতে ৬ জন পুরুষ ও একজন নারী সদস্য রয়েছেন। তারা মূলত মাদ্রিদ এবং পার্শ্ববর্তী শহর 'তালাভেরা দে লা রেইনা'কে লক্ষ্য করে তাদের অভিযান চালাত। গভীর রাতে যখন শহর ঘুমিয়ে পড়ত, তখন অত্যন্ত সুকৌশলে উন্মুক্ত রেস্তোরাঁ ও বারের সামনে সাজানো চেয়ারগুলো ট্রাকে তুলে তারা চম্পট দিত ।
তদন্তে জানা গেছে, গত দুই মাসে তারা প্রায় ১ হাজার ১০০টিরও বেশি চেয়ার চুরি করেছে। এসব চেয়ারের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬০ হাজার ইউরো। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৫ লাখ টাকারও বেশি। কেবল মাদ্রিদেই অন্তত ১৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই চক্রের শিকারে পরিণত হয়েছে।
পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, এটি কেবল সাধারণ কোনো চুরি ছিল না; বরং এটি একটি সুসংগঠিত অপরাধী চক্র। চুরি করা এসব আসবাবপত্র শুধু স্পেনের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে, এসব চেয়ারের একটি বড় অংশ মরক্কো ও রোমানিয়ায় পাচার করা হয়েছে।
ইউরোপের দেশগুলোতে রেস্তোরাঁ বা বারের সামনের ফুটপাতে আসবাবপত্র রাখার সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের। সাধারণত ধাতব বা শক্ত প্লাস্টিকের তৈরি এই চেয়ারগুলো রাতে বাইরেই পড়ে থাকে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে মাদ্রিদের ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। নিজেদের সম্পদ রক্ষায় এখন অনেক মালিককে দেখা যাচ্ছে রাতের বেলা চেয়ার-টেবিল শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে।
স্পেনের ন্যাশনাল পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

রেস্তোরাঁর ১১০০ চেয়ার চুরি
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে রেস্তোরাঁ মালিকদের জন্য এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছিল ‘চেয়ার চোর’। অবিশ্বাস্য মনে হলেও, দুই মাসে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একের পর এক চেয়ার চুরির ঘটনায় রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে পুলিশকে। অবশেষে এই রহস্যময় চুরির কিনারা করে ৭ জনকে গ্রেপ্তার দেশটির পুলিশ।
পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত চক্রটিতে ৬ জন পুরুষ ও একজন নারী সদস্য রয়েছেন। তারা মূলত মাদ্রিদ এবং পার্শ্ববর্তী শহর 'তালাভেরা দে লা রেইনা'কে লক্ষ্য করে তাদের অভিযান চালাত। গভীর রাতে যখন শহর ঘুমিয়ে পড়ত, তখন অত্যন্ত সুকৌশলে উন্মুক্ত রেস্তোরাঁ ও বারের সামনে সাজানো চেয়ারগুলো ট্রাকে তুলে তারা চম্পট দিত ।
তদন্তে জানা গেছে, গত দুই মাসে তারা প্রায় ১ হাজার ১০০টিরও বেশি চেয়ার চুরি করেছে। এসব চেয়ারের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬০ হাজার ইউরো। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৫ লাখ টাকারও বেশি। কেবল মাদ্রিদেই অন্তত ১৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই চক্রের শিকারে পরিণত হয়েছে।
পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, এটি কেবল সাধারণ কোনো চুরি ছিল না; বরং এটি একটি সুসংগঠিত অপরাধী চক্র। চুরি করা এসব আসবাবপত্র শুধু স্পেনের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে, এসব চেয়ারের একটি বড় অংশ মরক্কো ও রোমানিয়ায় পাচার করা হয়েছে।
ইউরোপের দেশগুলোতে রেস্তোরাঁ বা বারের সামনের ফুটপাতে আসবাবপত্র রাখার সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের। সাধারণত ধাতব বা শক্ত প্লাস্টিকের তৈরি এই চেয়ারগুলো রাতে বাইরেই পড়ে থাকে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে মাদ্রিদের ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। নিজেদের সম্পদ রক্ষায় এখন অনেক মালিককে দেখা যাচ্ছে রাতের বেলা চেয়ার-টেবিল শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে।
স্পেনের ন্যাশনাল পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

৭ বছর বয়সেই পেশাদার কার রেসার, অবাক নেটিজেনরা


