মানুষের আবেগ বুঝতে পারে মুরগি

মানুষের আবেগ বুঝতে পারে মুরগি
সিটিজেন ডেস্ক

একাকিত্ব দূর করতে কিংবা মানসিক চাপ কমাতে মানুষ সাধারণত কুকুর বা বিড়াল পুষে থাকে। কিন্তু কানাডার নদার্ন ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক সোনিয়া কং দেখালেন এক ভিন্ন পথ। নিজের মানসিক প্রশান্তির জন্য তিনি বেছে নিয়েছেন একটি গৃহপালিত মুরগিকে। যার নাম রেখেছেন স্যাটার ডে।
অধ্যাপক সোনিয়া কেবল মুরগি পুষেই ক্ষান্ত নন, বরং পোষা প্রাণীর সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক কীভাবে জীবনকে সুস্থ রাখে, তা নিয়ে নিয়মিত পাঠদান করেন তার শিক্ষার্থীদের। বর্তমানে তিনি হংকংয়ের চাইনিজ ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ট্রেসি ওয়ংয়ের সঙ্গে মিলে কিশোর-কিশোরীদের মানসিক বিকাশে পোষা প্রাণীর প্রভাব নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা পরিচালনা করছেন।
সিবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোনিয়া জানান, আমার ১১ মাস বয়সী মুরগিটি অত্যন্ত বুদ্ধিমান। মুরগিটি আমার মনের অবস্থা বুঝতে পারে। যখন আমার মন খারাপ থাকে বা আমি বিষণ্ণ থাকি, সে চুপচাপ আমার পাশে এসে বসে থাকে। তার চোখের চাহনি দেখে মনে হয় সে জানতে চাইছে তুমি কাঁদছ কেন?
সোনিয়া যেখানেই যান, স্যাটার ডে-কে সঙ্গে রাখার চেষ্টা করেন। ঘরের ভেতর বা শহরের রাস্তায় চলাচলের সময় যাতে কোনো অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি না হয়, সেজন্য তিনি মুরগিটির জন্য বিশেষ ধরনের ডায়াপার তৈরি করে নিয়েছেন।
তবে সোনিয়ার এই ব্যতিক্রমী শখ নিয়ে তার পরিবারে রয়েছে মজার সব অভিজ্ঞতা। সোনিয়া জানান, তার বাবা-মা এখনো এই অভ্যাসের সঙ্গে পুরোপুরি মানিয়ে নিতে পারেননি। তারা মাঝেমধ্যে মজা করে জিজ্ঞেস করেন, মুরগিটিকে খাওয়ার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না। সোনিয়া বলেন, আমি সরাসরি না করে দেই। এটি আমার পোষা প্রাণী, খাবার নয়। আসলে এখানে একটা সাংস্কৃতিক চিন্তার পার্থক্য রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একাকিত্ব দূর করতে প্রাণীর প্রজাতি যাই হোক না কেন, তাদের সাথে তৈরি হওয়া মানসিক বন্ধনই আসল। সোনিয়া কং ও তার প্রিয় মুরগি স্যাটার ডে এখন সেই অনন্য বন্ধুত্বেরই এক জীবন্ত উদাহরণ।

একাকিত্ব দূর করতে কিংবা মানসিক চাপ কমাতে মানুষ সাধারণত কুকুর বা বিড়াল পুষে থাকে। কিন্তু কানাডার নদার্ন ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক সোনিয়া কং দেখালেন এক ভিন্ন পথ। নিজের মানসিক প্রশান্তির জন্য তিনি বেছে নিয়েছেন একটি গৃহপালিত মুরগিকে। যার নাম রেখেছেন স্যাটার ডে।
অধ্যাপক সোনিয়া কেবল মুরগি পুষেই ক্ষান্ত নন, বরং পোষা প্রাণীর সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক কীভাবে জীবনকে সুস্থ রাখে, তা নিয়ে নিয়মিত পাঠদান করেন তার শিক্ষার্থীদের। বর্তমানে তিনি হংকংয়ের চাইনিজ ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ট্রেসি ওয়ংয়ের সঙ্গে মিলে কিশোর-কিশোরীদের মানসিক বিকাশে পোষা প্রাণীর প্রভাব নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা পরিচালনা করছেন।
সিবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোনিয়া জানান, আমার ১১ মাস বয়সী মুরগিটি অত্যন্ত বুদ্ধিমান। মুরগিটি আমার মনের অবস্থা বুঝতে পারে। যখন আমার মন খারাপ থাকে বা আমি বিষণ্ণ থাকি, সে চুপচাপ আমার পাশে এসে বসে থাকে। তার চোখের চাহনি দেখে মনে হয় সে জানতে চাইছে তুমি কাঁদছ কেন?
সোনিয়া যেখানেই যান, স্যাটার ডে-কে সঙ্গে রাখার চেষ্টা করেন। ঘরের ভেতর বা শহরের রাস্তায় চলাচলের সময় যাতে কোনো অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি না হয়, সেজন্য তিনি মুরগিটির জন্য বিশেষ ধরনের ডায়াপার তৈরি করে নিয়েছেন।
তবে সোনিয়ার এই ব্যতিক্রমী শখ নিয়ে তার পরিবারে রয়েছে মজার সব অভিজ্ঞতা। সোনিয়া জানান, তার বাবা-মা এখনো এই অভ্যাসের সঙ্গে পুরোপুরি মানিয়ে নিতে পারেননি। তারা মাঝেমধ্যে মজা করে জিজ্ঞেস করেন, মুরগিটিকে খাওয়ার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না। সোনিয়া বলেন, আমি সরাসরি না করে দেই। এটি আমার পোষা প্রাণী, খাবার নয়। আসলে এখানে একটা সাংস্কৃতিক চিন্তার পার্থক্য রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একাকিত্ব দূর করতে প্রাণীর প্রজাতি যাই হোক না কেন, তাদের সাথে তৈরি হওয়া মানসিক বন্ধনই আসল। সোনিয়া কং ও তার প্রিয় মুরগি স্যাটার ডে এখন সেই অনন্য বন্ধুত্বেরই এক জীবন্ত উদাহরণ।

মানুষের আবেগ বুঝতে পারে মুরগি
সিটিজেন ডেস্ক

একাকিত্ব দূর করতে কিংবা মানসিক চাপ কমাতে মানুষ সাধারণত কুকুর বা বিড়াল পুষে থাকে। কিন্তু কানাডার নদার্ন ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক সোনিয়া কং দেখালেন এক ভিন্ন পথ। নিজের মানসিক প্রশান্তির জন্য তিনি বেছে নিয়েছেন একটি গৃহপালিত মুরগিকে। যার নাম রেখেছেন স্যাটার ডে।
অধ্যাপক সোনিয়া কেবল মুরগি পুষেই ক্ষান্ত নন, বরং পোষা প্রাণীর সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক কীভাবে জীবনকে সুস্থ রাখে, তা নিয়ে নিয়মিত পাঠদান করেন তার শিক্ষার্থীদের। বর্তমানে তিনি হংকংয়ের চাইনিজ ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ট্রেসি ওয়ংয়ের সঙ্গে মিলে কিশোর-কিশোরীদের মানসিক বিকাশে পোষা প্রাণীর প্রভাব নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা পরিচালনা করছেন।
সিবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোনিয়া জানান, আমার ১১ মাস বয়সী মুরগিটি অত্যন্ত বুদ্ধিমান। মুরগিটি আমার মনের অবস্থা বুঝতে পারে। যখন আমার মন খারাপ থাকে বা আমি বিষণ্ণ থাকি, সে চুপচাপ আমার পাশে এসে বসে থাকে। তার চোখের চাহনি দেখে মনে হয় সে জানতে চাইছে তুমি কাঁদছ কেন?
সোনিয়া যেখানেই যান, স্যাটার ডে-কে সঙ্গে রাখার চেষ্টা করেন। ঘরের ভেতর বা শহরের রাস্তায় চলাচলের সময় যাতে কোনো অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি না হয়, সেজন্য তিনি মুরগিটির জন্য বিশেষ ধরনের ডায়াপার তৈরি করে নিয়েছেন।
তবে সোনিয়ার এই ব্যতিক্রমী শখ নিয়ে তার পরিবারে রয়েছে মজার সব অভিজ্ঞতা। সোনিয়া জানান, তার বাবা-মা এখনো এই অভ্যাসের সঙ্গে পুরোপুরি মানিয়ে নিতে পারেননি। তারা মাঝেমধ্যে মজা করে জিজ্ঞেস করেন, মুরগিটিকে খাওয়ার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না। সোনিয়া বলেন, আমি সরাসরি না করে দেই। এটি আমার পোষা প্রাণী, খাবার নয়। আসলে এখানে একটা সাংস্কৃতিক চিন্তার পার্থক্য রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একাকিত্ব দূর করতে প্রাণীর প্রজাতি যাই হোক না কেন, তাদের সাথে তৈরি হওয়া মানসিক বন্ধনই আসল। সোনিয়া কং ও তার প্রিয় মুরগি স্যাটার ডে এখন সেই অনন্য বন্ধুত্বেরই এক জীবন্ত উদাহরণ।

যে মুরগি মাথা ছাড়াই বেঁচে ছিল ১৮ মাস


