পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাতে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাতে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরবরাহ সংকট, টানা বৃষ্টি ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাতে রাজধানীর বাজারে বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। সবজি, মাছ ও মুরগির বাজারে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।
এজন্য বৃষ্টি ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন বিক্রেতারা। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ব্যবসায়ীরা অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়াচ্ছেন। ফলে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থায় পড়েছে সাধারণ মানুষ।
শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সবজি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, আলু ২০-২৫ টাকা, টমেটো ৬০-৬৫ টাকা, পটল ৬০ টাকা, করলা ৬০-৬৫ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৬০-৭০ টাকা এবং পেঁপে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গাজরের কেজি ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, জিঙে ৭০ টাকা এবং শসা ১০০-১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটির কেজি ৮০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, বেগুন ৮০-১০০ টাকা, ধুন্দুল ৬০-৭০ এবং কাঁচামরিচ ১০০-১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০-১৯০ টাকা, সোনালি জাতের মুরগি ৩৩০-৩৪০ এবং পাকিস্তানি জাতের মুরগি ৩৫০-৩৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, কাতলা প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, বোয়াল ৭০০ টাকা, আইর মাছ ৮০০ টাকা, পাবদা ৩০০ টাকা, ট্যাংরা ৬০০ টাকা এবং ইলিশ ১২০০-১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও চিংড়ি ১২০০-১৪০০ টাকা, শিং মাছ ৪০০-৫০০ টাকা, পাঙ্গাশ মাছ ২২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলছেন, গত কয়েকদিন টানা বৃষ্টির কারণে সবজির স্বাভাবিক সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। এজন্য দাম কিছুটা বেশি।
সবজি বিক্রেতা সাইফুল বলেন, ‘বাজারে সবজির দাম অনেক বেশি। বেশিরভাগ সবজির দাম ১০০ টাকার ওপরে।’
তিনি বলেন, ‘আগে সবজি বহন করা ট্রাকের ভাড়া ছিল ২০ হাজার টাকা। এখন সেই ভাড়ার দাম ৫০ হাজার। গাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির কারণে, সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে।’

তবে ক্রেতাদের মুখে ভিন্ন সুর। তারা বলছেন, ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন অজুহাতে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করে। ফলে, তারা নানানমুখী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
মো. মাহবুব নামের একজন ক্রেতা বলেন, ‘সবকিছু মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা তৈরি হয়েছে। জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও আমাদের আয় বাড়ছে না। ধার-দেনা করে বাজার করতে হয়। আমাদের এখন পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সবকিছুরই দাম বেশি। তবে, ব্যবসায়ীরা সঠিক উত্তর দিচ্ছে না। আমার মনে হচ্ছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়নো হয়েছে।’

সরবরাহ সংকট, টানা বৃষ্টি ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাতে রাজধানীর বাজারে বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। সবজি, মাছ ও মুরগির বাজারে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।
এজন্য বৃষ্টি ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন বিক্রেতারা। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ব্যবসায়ীরা অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়াচ্ছেন। ফলে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থায় পড়েছে সাধারণ মানুষ।
শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সবজি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, আলু ২০-২৫ টাকা, টমেটো ৬০-৬৫ টাকা, পটল ৬০ টাকা, করলা ৬০-৬৫ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৬০-৭০ টাকা এবং পেঁপে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গাজরের কেজি ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, জিঙে ৭০ টাকা এবং শসা ১০০-১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটির কেজি ৮০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, বেগুন ৮০-১০০ টাকা, ধুন্দুল ৬০-৭০ এবং কাঁচামরিচ ১০০-১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০-১৯০ টাকা, সোনালি জাতের মুরগি ৩৩০-৩৪০ এবং পাকিস্তানি জাতের মুরগি ৩৫০-৩৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, কাতলা প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, বোয়াল ৭০০ টাকা, আইর মাছ ৮০০ টাকা, পাবদা ৩০০ টাকা, ট্যাংরা ৬০০ টাকা এবং ইলিশ ১২০০-১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও চিংড়ি ১২০০-১৪০০ টাকা, শিং মাছ ৪০০-৫০০ টাকা, পাঙ্গাশ মাছ ২২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলছেন, গত কয়েকদিন টানা বৃষ্টির কারণে সবজির স্বাভাবিক সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। এজন্য দাম কিছুটা বেশি।
সবজি বিক্রেতা সাইফুল বলেন, ‘বাজারে সবজির দাম অনেক বেশি। বেশিরভাগ সবজির দাম ১০০ টাকার ওপরে।’
তিনি বলেন, ‘আগে সবজি বহন করা ট্রাকের ভাড়া ছিল ২০ হাজার টাকা। এখন সেই ভাড়ার দাম ৫০ হাজার। গাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির কারণে, সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে।’

তবে ক্রেতাদের মুখে ভিন্ন সুর। তারা বলছেন, ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন অজুহাতে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করে। ফলে, তারা নানানমুখী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
মো. মাহবুব নামের একজন ক্রেতা বলেন, ‘সবকিছু মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা তৈরি হয়েছে। জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও আমাদের আয় বাড়ছে না। ধার-দেনা করে বাজার করতে হয়। আমাদের এখন পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সবকিছুরই দাম বেশি। তবে, ব্যবসায়ীরা সঠিক উত্তর দিচ্ছে না। আমার মনে হচ্ছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়নো হয়েছে।’

পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাতে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরবরাহ সংকট, টানা বৃষ্টি ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাতে রাজধানীর বাজারে বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। সবজি, মাছ ও মুরগির বাজারে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।
এজন্য বৃষ্টি ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন বিক্রেতারা। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ব্যবসায়ীরা অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়াচ্ছেন। ফলে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থায় পড়েছে সাধারণ মানুষ।
শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সবজি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, আলু ২০-২৫ টাকা, টমেটো ৬০-৬৫ টাকা, পটল ৬০ টাকা, করলা ৬০-৬৫ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৬০-৭০ টাকা এবং পেঁপে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গাজরের কেজি ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, জিঙে ৭০ টাকা এবং শসা ১০০-১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটির কেজি ৮০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, বেগুন ৮০-১০০ টাকা, ধুন্দুল ৬০-৭০ এবং কাঁচামরিচ ১০০-১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০-১৯০ টাকা, সোনালি জাতের মুরগি ৩৩০-৩৪০ এবং পাকিস্তানি জাতের মুরগি ৩৫০-৩৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, কাতলা প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, বোয়াল ৭০০ টাকা, আইর মাছ ৮০০ টাকা, পাবদা ৩০০ টাকা, ট্যাংরা ৬০০ টাকা এবং ইলিশ ১২০০-১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও চিংড়ি ১২০০-১৪০০ টাকা, শিং মাছ ৪০০-৫০০ টাকা, পাঙ্গাশ মাছ ২২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলছেন, গত কয়েকদিন টানা বৃষ্টির কারণে সবজির স্বাভাবিক সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। এজন্য দাম কিছুটা বেশি।
সবজি বিক্রেতা সাইফুল বলেন, ‘বাজারে সবজির দাম অনেক বেশি। বেশিরভাগ সবজির দাম ১০০ টাকার ওপরে।’
তিনি বলেন, ‘আগে সবজি বহন করা ট্রাকের ভাড়া ছিল ২০ হাজার টাকা। এখন সেই ভাড়ার দাম ৫০ হাজার। গাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির কারণে, সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে।’

তবে ক্রেতাদের মুখে ভিন্ন সুর। তারা বলছেন, ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন অজুহাতে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করে। ফলে, তারা নানানমুখী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
মো. মাহবুব নামের একজন ক্রেতা বলেন, ‘সবকিছু মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা তৈরি হয়েছে। জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও আমাদের আয় বাড়ছে না। ধার-দেনা করে বাজার করতে হয়। আমাদের এখন পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সবকিছুরই দাম বেশি। তবে, ব্যবসায়ীরা সঠিক উত্তর দিচ্ছে না। আমার মনে হচ্ছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়নো হয়েছে।’

তেলের বাড়তি দাম আজ থেকে কার্যকর, কোনটা কত বাড়লো


