বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির বর্তমান চিত্র ‘পেইনফুল’: অর্থমন্ত্রী
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির বর্তমান চিত্র ‘পেইনফুল’: অর্থমন্ত্রী
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৫: ৪৬

বিএসআইসির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কথা বলছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
কয়েক বছর ধরে অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক চাপের মুখে থাকা অর্থনীতিতে বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির বর্তমান চিত্রকে ‘পেইনফুল’ বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘আমরা পেইনফুল বিনিয়োগের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। দেশের ব্যাংক খাতে বড় ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে– এটা সবাই জানে। আমরা ব্যাংকিং খাতের সমস্যা থেকে বের হতে চাই। এগুলো সবই অর্থনীতির একটা অংশ। সবাই মিলেই এর সমাধান করবো। আমাদের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি আছে তাতে।’
মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রাজধানীর একটি হোটেলে দেশের ৩৯ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মালিকানায় প্রতিষ্ঠা পাওয়া ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি (বিএসআইসি)’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
ব্যাংকিং খাতেও কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু বলেন, ‘ব্যাংক খাত এবং অর্থনীতিতে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তা সমাধান কাজ চলছে। যার জন্য জেপি মরগ্যান, বিশ্বব্যাংক, আইএফসির সাথে মিলেমিশে এই সরকার কাজ করছে। দেশের ব্যাংক খাতে বড় ধরনের সমস্যা হয়েছে, যা আমি বলতে চাই না।’
দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে বড় ধরনের সংস্কারের পদক্ষেপ আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ক্যাপিটাল মার্কেট রিফর্মে যাচ্ছি। বড় ধরনের সংস্কার হবে।’
উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ তহবিলের এই কোম্পানি (বিএসআইসি) বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের একটি প্রোগ্রাম আছে–ক্রিয়েটিভ ইকোনমি। তাতে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য গ্রামীণ অর্থনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এই উদ্যোগের আওতায় ক্রিয়েটিভ ইকোনমির অনেক কাজ করা যাবে আশা করি।’
উদ্যোক্তা তহবিলে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘এই বিনিয়োগে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না, আমি কথা দিচ্ছি। ফিন্যান্সিয়াল সেক্টরে যে স্বচ্ছতা আমরা আনতে চাচ্ছি, যা এর মাধ্যমে প্রকাশ পাবে।’
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেন, ‘দেশের আর্থিক খাতের পরবর্তী ধাপের উন্নয়নে এমন প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন, যা উদ্ভাবন, শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে। বিএসআইসি দেশীয় মূলধনকে উৎপাদনশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।’
তিনি বলেন, ‘এই বিনিয়োগের সুফল যেন প্রান্তিক পর্যায়ের জনগণ পায়। কারণ প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ এর সুফল না পেলে এমন উদ্যোগেও একটা বড় অংশ বঞ্চিত থাকবে।’
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগে গঠিত ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল সফল না হওয়ায় আক্ষেপ করে গভর্নর বলেন, ‘ব্যাংকের মাধ্যমে যৌথ উদ্যোগে গঠিত হওয়ায় এবার স্টার্টআপ ফান্ড কাজ করবে বিশ্বাস করি। ৪২৫ কোটি টাকার তহবিল নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে বিএসআইসি, তবে চলতি বছর শেষে তা ৭০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।’
নব গঠিত বিএসআইসির প্রথম চেয়ারম্যান ও বেসরকারি সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, ‘এটি শুধু একটি তহবিল নয়, এটি এমন একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্লাটফর্ম, যা বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের স্বপ্নকে পেশাদার ও সুশৃঙ্খল মূলধনের সঙ্গে যুক্ত করবে। ৩৯টি ব্যাংকের সমর্থনে আমরা স্থানীয় আস্থা ও বৈশ্বিক ভেঞ্চার মানদণ্ডের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন করছি। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্টার্টআপ আরও শক্তিশালী সুশাসন এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ মাধ্যমে অংশীদারিত্বের সুযোগ পাবে।’
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় বিএসআইসি গঠনে নেতৃত্ব দেয় বেসরকারি ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি।)
বিএসআইসির পরিচালনা পর্ষদে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে পাঁচ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রয়েছেন। এবিবি চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বিএসআইসির প্রথম চেয়ারম্যান হয়েছেন। পর্ষদের অন্য চার সদস্য হচ্ছেন মিচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের(এমটিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খান, পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী ও ইস্টার্ন ব্যাংকের (ইবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান ও. রশিদ।
প্রতি বছর শেয়ারধারক ৩৯টি ব্যাংক, তাদের নিট মুনাফার ১ শতাংশ হারে মূলধন বাড়াবে।

কয়েক বছর ধরে অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক চাপের মুখে থাকা অর্থনীতিতে বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির বর্তমান চিত্রকে ‘পেইনফুল’ বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘আমরা পেইনফুল বিনিয়োগের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। দেশের ব্যাংক খাতে বড় ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে– এটা সবাই জানে। আমরা ব্যাংকিং খাতের সমস্যা থেকে বের হতে চাই। এগুলো সবই অর্থনীতির একটা অংশ। সবাই মিলেই এর সমাধান করবো। আমাদের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি আছে তাতে।’
মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রাজধানীর একটি হোটেলে দেশের ৩৯ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মালিকানায় প্রতিষ্ঠা পাওয়া ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি (বিএসআইসি)’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
ব্যাংকিং খাতেও কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু বলেন, ‘ব্যাংক খাত এবং অর্থনীতিতে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তা সমাধান কাজ চলছে। যার জন্য জেপি মরগ্যান, বিশ্বব্যাংক, আইএফসির সাথে মিলেমিশে এই সরকার কাজ করছে। দেশের ব্যাংক খাতে বড় ধরনের সমস্যা হয়েছে, যা আমি বলতে চাই না।’
দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে বড় ধরনের সংস্কারের পদক্ষেপ আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ক্যাপিটাল মার্কেট রিফর্মে যাচ্ছি। বড় ধরনের সংস্কার হবে।’
উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ তহবিলের এই কোম্পানি (বিএসআইসি) বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের একটি প্রোগ্রাম আছে–ক্রিয়েটিভ ইকোনমি। তাতে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য গ্রামীণ অর্থনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এই উদ্যোগের আওতায় ক্রিয়েটিভ ইকোনমির অনেক কাজ করা যাবে আশা করি।’
উদ্যোক্তা তহবিলে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘এই বিনিয়োগে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না, আমি কথা দিচ্ছি। ফিন্যান্সিয়াল সেক্টরে যে স্বচ্ছতা আমরা আনতে চাচ্ছি, যা এর মাধ্যমে প্রকাশ পাবে।’
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেন, ‘দেশের আর্থিক খাতের পরবর্তী ধাপের উন্নয়নে এমন প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন, যা উদ্ভাবন, শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে। বিএসআইসি দেশীয় মূলধনকে উৎপাদনশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।’
তিনি বলেন, ‘এই বিনিয়োগের সুফল যেন প্রান্তিক পর্যায়ের জনগণ পায়। কারণ প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ এর সুফল না পেলে এমন উদ্যোগেও একটা বড় অংশ বঞ্চিত থাকবে।’
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগে গঠিত ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল সফল না হওয়ায় আক্ষেপ করে গভর্নর বলেন, ‘ব্যাংকের মাধ্যমে যৌথ উদ্যোগে গঠিত হওয়ায় এবার স্টার্টআপ ফান্ড কাজ করবে বিশ্বাস করি। ৪২৫ কোটি টাকার তহবিল নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে বিএসআইসি, তবে চলতি বছর শেষে তা ৭০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।’
নব গঠিত বিএসআইসির প্রথম চেয়ারম্যান ও বেসরকারি সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, ‘এটি শুধু একটি তহবিল নয়, এটি এমন একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্লাটফর্ম, যা বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের স্বপ্নকে পেশাদার ও সুশৃঙ্খল মূলধনের সঙ্গে যুক্ত করবে। ৩৯টি ব্যাংকের সমর্থনে আমরা স্থানীয় আস্থা ও বৈশ্বিক ভেঞ্চার মানদণ্ডের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন করছি। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্টার্টআপ আরও শক্তিশালী সুশাসন এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ মাধ্যমে অংশীদারিত্বের সুযোগ পাবে।’
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় বিএসআইসি গঠনে নেতৃত্ব দেয় বেসরকারি ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি।)
বিএসআইসির পরিচালনা পর্ষদে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে পাঁচ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রয়েছেন। এবিবি চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বিএসআইসির প্রথম চেয়ারম্যান হয়েছেন। পর্ষদের অন্য চার সদস্য হচ্ছেন মিচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের(এমটিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খান, পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী ও ইস্টার্ন ব্যাংকের (ইবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান ও. রশিদ।
প্রতি বছর শেয়ারধারক ৩৯টি ব্যাংক, তাদের নিট মুনাফার ১ শতাংশ হারে মূলধন বাড়াবে।

বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির বর্তমান চিত্র ‘পেইনফুল’: অর্থমন্ত্রী
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৫: ৪৬

বিএসআইসির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কথা বলছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
কয়েক বছর ধরে অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক চাপের মুখে থাকা অর্থনীতিতে বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির বর্তমান চিত্রকে ‘পেইনফুল’ বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘আমরা পেইনফুল বিনিয়োগের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। দেশের ব্যাংক খাতে বড় ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে– এটা সবাই জানে। আমরা ব্যাংকিং খাতের সমস্যা থেকে বের হতে চাই। এগুলো সবই অর্থনীতির একটা অংশ। সবাই মিলেই এর সমাধান করবো। আমাদের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি আছে তাতে।’
মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রাজধানীর একটি হোটেলে দেশের ৩৯ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মালিকানায় প্রতিষ্ঠা পাওয়া ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি (বিএসআইসি)’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
ব্যাংকিং খাতেও কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু বলেন, ‘ব্যাংক খাত এবং অর্থনীতিতে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তা সমাধান কাজ চলছে। যার জন্য জেপি মরগ্যান, বিশ্বব্যাংক, আইএফসির সাথে মিলেমিশে এই সরকার কাজ করছে। দেশের ব্যাংক খাতে বড় ধরনের সমস্যা হয়েছে, যা আমি বলতে চাই না।’
দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে বড় ধরনের সংস্কারের পদক্ষেপ আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ক্যাপিটাল মার্কেট রিফর্মে যাচ্ছি। বড় ধরনের সংস্কার হবে।’
উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ তহবিলের এই কোম্পানি (বিএসআইসি) বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের একটি প্রোগ্রাম আছে–ক্রিয়েটিভ ইকোনমি। তাতে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য গ্রামীণ অর্থনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এই উদ্যোগের আওতায় ক্রিয়েটিভ ইকোনমির অনেক কাজ করা যাবে আশা করি।’
উদ্যোক্তা তহবিলে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘এই বিনিয়োগে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না, আমি কথা দিচ্ছি। ফিন্যান্সিয়াল সেক্টরে যে স্বচ্ছতা আমরা আনতে চাচ্ছি, যা এর মাধ্যমে প্রকাশ পাবে।’
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেন, ‘দেশের আর্থিক খাতের পরবর্তী ধাপের উন্নয়নে এমন প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন, যা উদ্ভাবন, শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে। বিএসআইসি দেশীয় মূলধনকে উৎপাদনশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।’
তিনি বলেন, ‘এই বিনিয়োগের সুফল যেন প্রান্তিক পর্যায়ের জনগণ পায়। কারণ প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ এর সুফল না পেলে এমন উদ্যোগেও একটা বড় অংশ বঞ্চিত থাকবে।’
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগে গঠিত ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল সফল না হওয়ায় আক্ষেপ করে গভর্নর বলেন, ‘ব্যাংকের মাধ্যমে যৌথ উদ্যোগে গঠিত হওয়ায় এবার স্টার্টআপ ফান্ড কাজ করবে বিশ্বাস করি। ৪২৫ কোটি টাকার তহবিল নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে বিএসআইসি, তবে চলতি বছর শেষে তা ৭০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।’
নব গঠিত বিএসআইসির প্রথম চেয়ারম্যান ও বেসরকারি সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, ‘এটি শুধু একটি তহবিল নয়, এটি এমন একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্লাটফর্ম, যা বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের স্বপ্নকে পেশাদার ও সুশৃঙ্খল মূলধনের সঙ্গে যুক্ত করবে। ৩৯টি ব্যাংকের সমর্থনে আমরা স্থানীয় আস্থা ও বৈশ্বিক ভেঞ্চার মানদণ্ডের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন করছি। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্টার্টআপ আরও শক্তিশালী সুশাসন এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ মাধ্যমে অংশীদারিত্বের সুযোগ পাবে।’
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় বিএসআইসি গঠনে নেতৃত্ব দেয় বেসরকারি ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি।)
বিএসআইসির পরিচালনা পর্ষদে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে পাঁচ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রয়েছেন। এবিবি চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বিএসআইসির প্রথম চেয়ারম্যান হয়েছেন। পর্ষদের অন্য চার সদস্য হচ্ছেন মিচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের(এমটিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খান, পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী ও ইস্টার্ন ব্যাংকের (ইবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান ও. রশিদ।
প্রতি বছর শেয়ারধারক ৩৯টি ব্যাংক, তাদের নিট মুনাফার ১ শতাংশ হারে মূলধন বাড়াবে।
/এফআর/

ব্যাংকের প্রতি আস্থাহীনতা বিদায়ী সরকারের বড় দুর্বলতা: অগ্রণী ব্যাংক চেয়ারম্যান


