পন্টুন থেকে বাস নদীতে, দুই নারীর মৃত্যু

পন্টুন থেকে বাস নদীতে, দুই নারীর মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে দৌলতদিয় ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়ার সময় উদ্ধার হওয়া ৩ জনের মধ্যে ২ নারীর মৃত্যু হয়েছে। বাসটির অন্তত ৪০ যাত্রীর অনেকেই এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকাল ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই যাত্রীদের মধ্যে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়। কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও অধিকাংশই বাসের ভেতরে আটকা পড়েন।
গোয়ালন্দ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক কর্মকর্তা (আরএমও) শরীফুল ইসলাম বলেন, ৩ জনকে হাসপাতালে আনা হয়। এর মধ্যে ২ নারীর মৃত্যু হয়েছে। একজন চিকিৎসা চলছে।
বেঁচে যাওয়া যাত্রী আইন উদ্দিন জানান, তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ঢাকার সাভারের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। দুর্ঘটনার পর তিনি, তার স্ত্রী ও ছেলে নদী থেকে উঠতে পারলেও তার মেয়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছেন। উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ এবং ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত ডুবে যাওয়া বাসটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে তবে এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনরা ফেরিঘাটে ভিড় করছেন, দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা জোরদারের দাবি জানাচ্ছেন তারা।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে দৌলতদিয় ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়ার সময় উদ্ধার হওয়া ৩ জনের মধ্যে ২ নারীর মৃত্যু হয়েছে। বাসটির অন্তত ৪০ যাত্রীর অনেকেই এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকাল ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই যাত্রীদের মধ্যে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়। কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও অধিকাংশই বাসের ভেতরে আটকা পড়েন।
গোয়ালন্দ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক কর্মকর্তা (আরএমও) শরীফুল ইসলাম বলেন, ৩ জনকে হাসপাতালে আনা হয়। এর মধ্যে ২ নারীর মৃত্যু হয়েছে। একজন চিকিৎসা চলছে।
বেঁচে যাওয়া যাত্রী আইন উদ্দিন জানান, তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ঢাকার সাভারের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। দুর্ঘটনার পর তিনি, তার স্ত্রী ও ছেলে নদী থেকে উঠতে পারলেও তার মেয়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছেন। উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ এবং ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত ডুবে যাওয়া বাসটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে তবে এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনরা ফেরিঘাটে ভিড় করছেন, দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা জোরদারের দাবি জানাচ্ছেন তারা।

পন্টুন থেকে বাস নদীতে, দুই নারীর মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে দৌলতদিয় ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়ার সময় উদ্ধার হওয়া ৩ জনের মধ্যে ২ নারীর মৃত্যু হয়েছে। বাসটির অন্তত ৪০ যাত্রীর অনেকেই এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকাল ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই যাত্রীদের মধ্যে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়। কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও অধিকাংশই বাসের ভেতরে আটকা পড়েন।
গোয়ালন্দ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক কর্মকর্তা (আরএমও) শরীফুল ইসলাম বলেন, ৩ জনকে হাসপাতালে আনা হয়। এর মধ্যে ২ নারীর মৃত্যু হয়েছে। একজন চিকিৎসা চলছে।
বেঁচে যাওয়া যাত্রী আইন উদ্দিন জানান, তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ঢাকার সাভারের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। দুর্ঘটনার পর তিনি, তার স্ত্রী ও ছেলে নদী থেকে উঠতে পারলেও তার মেয়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছেন। উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ এবং ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত ডুবে যাওয়া বাসটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে তবে এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনরা ফেরিঘাটে ভিড় করছেন, দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা জোরদারের দাবি জানাচ্ছেন তারা।




