ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার নীতিতে পরিবর্তন আসতে পারে

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার নীতিতে পরিবর্তন আসতে পারে
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের নবনির্বাচিত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নেতৃত্বের ধরন নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কাতারভিত্তিক আল-শাবাকা পলিসি নেটওয়ার্কের বিশ্লেষক আবদুল্লাহ আল-আরিয়ান বলেছেন, তার নেতৃত্বে অতীতের কিছু নীতিতে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
আল জাজিরাকে তিনি বলেন, ‘নতুন নেতৃত্ব এসেছে। যদিও তিনি সাবেক সর্বোচ্চ নেতার ছেলে, তবুও তিনি ভিন্ন ধরনের নীতি গ্রহণের পথে হাঁটতে পারেন।’
তার মতে, এটি উপসাগরীয় কিছু দেশের সঙ্গে সম্পর্ক মিটমাটের সুযোগ তৈরি করতে পারে। একইসঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক সংস্কার বা পরিবর্তনের সম্ভাবনাও বিবেচনায় আসতে পারে।
তবে তিনি বলেন, এসব পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের দৃষ্টিভঙ্গির মতো কঠোর হবে না। কারণ তারা ইরানের শাসনব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করা বা দেশটিকে বিভক্ত করার মতো সর্বোচ্চ লক্ষ্য প্রকাশ করেছে। বরং অন্যান্য পক্ষের কাছে তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য কোনো পথ খোঁজার চেষ্টা করতে পারেন।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের নবনির্বাচিত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নেতৃত্বের ধরন নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কাতারভিত্তিক আল-শাবাকা পলিসি নেটওয়ার্কের বিশ্লেষক আবদুল্লাহ আল-আরিয়ান বলেছেন, তার নেতৃত্বে অতীতের কিছু নীতিতে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
আল জাজিরাকে তিনি বলেন, ‘নতুন নেতৃত্ব এসেছে। যদিও তিনি সাবেক সর্বোচ্চ নেতার ছেলে, তবুও তিনি ভিন্ন ধরনের নীতি গ্রহণের পথে হাঁটতে পারেন।’
তার মতে, এটি উপসাগরীয় কিছু দেশের সঙ্গে সম্পর্ক মিটমাটের সুযোগ তৈরি করতে পারে। একইসঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক সংস্কার বা পরিবর্তনের সম্ভাবনাও বিবেচনায় আসতে পারে।
তবে তিনি বলেন, এসব পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের দৃষ্টিভঙ্গির মতো কঠোর হবে না। কারণ তারা ইরানের শাসনব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করা বা দেশটিকে বিভক্ত করার মতো সর্বোচ্চ লক্ষ্য প্রকাশ করেছে। বরং অন্যান্য পক্ষের কাছে তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য কোনো পথ খোঁজার চেষ্টা করতে পারেন।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার নীতিতে পরিবর্তন আসতে পারে
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের নবনির্বাচিত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নেতৃত্বের ধরন নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কাতারভিত্তিক আল-শাবাকা পলিসি নেটওয়ার্কের বিশ্লেষক আবদুল্লাহ আল-আরিয়ান বলেছেন, তার নেতৃত্বে অতীতের কিছু নীতিতে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
আল জাজিরাকে তিনি বলেন, ‘নতুন নেতৃত্ব এসেছে। যদিও তিনি সাবেক সর্বোচ্চ নেতার ছেলে, তবুও তিনি ভিন্ন ধরনের নীতি গ্রহণের পথে হাঁটতে পারেন।’
তার মতে, এটি উপসাগরীয় কিছু দেশের সঙ্গে সম্পর্ক মিটমাটের সুযোগ তৈরি করতে পারে। একইসঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক সংস্কার বা পরিবর্তনের সম্ভাবনাও বিবেচনায় আসতে পারে।
তবে তিনি বলেন, এসব পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের দৃষ্টিভঙ্গির মতো কঠোর হবে না। কারণ তারা ইরানের শাসনব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করা বা দেশটিকে বিভক্ত করার মতো সর্বোচ্চ লক্ষ্য প্রকাশ করেছে। বরং অন্যান্য পক্ষের কাছে তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য কোনো পথ খোঁজার চেষ্টা করতে পারেন।
সূত্র: আল জাজিরা




