হরমুজ প্রণালি ঘিরে বড় হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি ঘিরে বড় হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ৪৬

হরমুজ প্রণালিতে মহড়া দিচ্ছে ইরানের ছোট সামরিক যান। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে হরমুজ প্রণালিতে দেশটির সামরিক সক্ষমতার ওপর নতুন করে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে অবগত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
মার্কিন সামরিক পরিকল্পনায় সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে ইরানের ‘ডায়নামিক টার্গেট’—অর্থাৎ চলমান বা দ্রুত স্থান পরিবর্তন করতে সক্ষম সামরিক সক্ষমতাগুলো। সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি, দক্ষিণ পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরজুড়ে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ভেঙে দেওয়াই এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য।
বিশেষ করে ইরানের ছোট আকারের দ্রুতগতির আক্রমণকারী নৌযান, সমুদ্র মাইন স্থাপনকারী জাহাজ এবং অন্যান্য নৌ-সামরিক সরঞ্জামকে টার্গেট করা হতে পারে। এসব সক্ষমতা ব্যবহার করে তেহরান গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে চলাচল বাধাগ্রস্ত করেছে এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কৌশলগত চাপ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
গত ৭ এপ্রিল শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। এর ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকেও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নৌবাহিনীর ওপর হামলা চালালেও প্রাথমিক পর্যায়ের বোমাবর্ষণ ছিল মূলত হরমুজ প্রণালি থেকে দূরের লক্ষ্যবস্তুতে। এর উদ্দেশ্য ছিল ইরানের অভ্যন্তরে আরও গভীরে আঘাত হানার পথ তৈরি করা। তবে নতুন পরিকল্পনায় এই কৌশলগত জলপথের আশপাশে আরও বিস্তৃত ও তীব্র হামলার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
সিএনএনের আগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বড় অংশ এখনো অক্ষত রয়েছে। পাশাপাশি দেশটির হাতে বিপুল সংখ্যক ছোট নৌযান রয়েছে, যেগুলো ব্যবহার করে জাহাজে হামলা চালানো সম্ভব। ফলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশ জটিল হয়ে উঠতে পারে।
এদিকে, একাধিক সূত্র এবং একজন জ্যেষ্ঠ শিপিং ব্রোকার সিএনএনকে জানিয়েছেন, শুধু হরমুজ প্রণালির আশপাশে সামরিক হামলা চালিয়েই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দ্রুত স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। তবে বর্তমান ও সাবেক অনেক মার্কিন কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, নতুন করে ইরানে হামলা চালানো হলে তা সংঘাতকে আরও উসকে দিতে পারে।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অপারেশনাল নিরাপত্তার কারণে আমরা ভবিষ্যৎ বা সম্ভাব্য কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করি না। প্রেসিডেন্টকে বিভিন্ন বিকল্প দেওয়া হচ্ছে এবং সব ধরনের বিকল্পই এখন বিবেচনায় রয়েছে।’
সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, নতুন করে হামলা শুরু হলে ইরানের অবশিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র, লঞ্চার এবং উৎপাদন কেন্দ্রগুলোও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আগের দফার মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পরও ইরানের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং হাজার হাজার ড্রোন অক্ষত রয়েছে।
গত সপ্তাহে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্বীকার করেছেন, যুদ্ধবিরতির সময় ইরান তাদের কিছু সামরিক সম্পদ স্থানান্তর করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি চুক্তিতে না আসে, তাহলে নতুন অবস্থানগুলোও হামলার লক্ষ্য হতে পারে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ চায় না এবং কূটনৈতিক সমাধানকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে একই সঙ্গে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে, এই যুদ্ধবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য নয়। প্রয়োজন হলে দ্রুতই সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে মার্কিন বাহিনী।
তথ্যসূত্র: সিএনএন

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে হরমুজ প্রণালিতে দেশটির সামরিক সক্ষমতার ওপর নতুন করে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে অবগত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
মার্কিন সামরিক পরিকল্পনায় সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে ইরানের ‘ডায়নামিক টার্গেট’—অর্থাৎ চলমান বা দ্রুত স্থান পরিবর্তন করতে সক্ষম সামরিক সক্ষমতাগুলো। সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি, দক্ষিণ পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরজুড়ে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ভেঙে দেওয়াই এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য।
বিশেষ করে ইরানের ছোট আকারের দ্রুতগতির আক্রমণকারী নৌযান, সমুদ্র মাইন স্থাপনকারী জাহাজ এবং অন্যান্য নৌ-সামরিক সরঞ্জামকে টার্গেট করা হতে পারে। এসব সক্ষমতা ব্যবহার করে তেহরান গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে চলাচল বাধাগ্রস্ত করেছে এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কৌশলগত চাপ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
গত ৭ এপ্রিল শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। এর ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকেও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নৌবাহিনীর ওপর হামলা চালালেও প্রাথমিক পর্যায়ের বোমাবর্ষণ ছিল মূলত হরমুজ প্রণালি থেকে দূরের লক্ষ্যবস্তুতে। এর উদ্দেশ্য ছিল ইরানের অভ্যন্তরে আরও গভীরে আঘাত হানার পথ তৈরি করা। তবে নতুন পরিকল্পনায় এই কৌশলগত জলপথের আশপাশে আরও বিস্তৃত ও তীব্র হামলার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
সিএনএনের আগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বড় অংশ এখনো অক্ষত রয়েছে। পাশাপাশি দেশটির হাতে বিপুল সংখ্যক ছোট নৌযান রয়েছে, যেগুলো ব্যবহার করে জাহাজে হামলা চালানো সম্ভব। ফলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশ জটিল হয়ে উঠতে পারে।
এদিকে, একাধিক সূত্র এবং একজন জ্যেষ্ঠ শিপিং ব্রোকার সিএনএনকে জানিয়েছেন, শুধু হরমুজ প্রণালির আশপাশে সামরিক হামলা চালিয়েই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দ্রুত স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। তবে বর্তমান ও সাবেক অনেক মার্কিন কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, নতুন করে ইরানে হামলা চালানো হলে তা সংঘাতকে আরও উসকে দিতে পারে।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অপারেশনাল নিরাপত্তার কারণে আমরা ভবিষ্যৎ বা সম্ভাব্য কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করি না। প্রেসিডেন্টকে বিভিন্ন বিকল্প দেওয়া হচ্ছে এবং সব ধরনের বিকল্পই এখন বিবেচনায় রয়েছে।’
সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, নতুন করে হামলা শুরু হলে ইরানের অবশিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র, লঞ্চার এবং উৎপাদন কেন্দ্রগুলোও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আগের দফার মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পরও ইরানের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং হাজার হাজার ড্রোন অক্ষত রয়েছে।
গত সপ্তাহে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্বীকার করেছেন, যুদ্ধবিরতির সময় ইরান তাদের কিছু সামরিক সম্পদ স্থানান্তর করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি চুক্তিতে না আসে, তাহলে নতুন অবস্থানগুলোও হামলার লক্ষ্য হতে পারে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ চায় না এবং কূটনৈতিক সমাধানকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে একই সঙ্গে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে, এই যুদ্ধবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য নয়। প্রয়োজন হলে দ্রুতই সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে মার্কিন বাহিনী।
তথ্যসূত্র: সিএনএন

হরমুজ প্রণালি ঘিরে বড় হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ৪৬

হরমুজ প্রণালিতে মহড়া দিচ্ছে ইরানের ছোট সামরিক যান। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে হরমুজ প্রণালিতে দেশটির সামরিক সক্ষমতার ওপর নতুন করে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে অবগত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
মার্কিন সামরিক পরিকল্পনায় সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে ইরানের ‘ডায়নামিক টার্গেট’—অর্থাৎ চলমান বা দ্রুত স্থান পরিবর্তন করতে সক্ষম সামরিক সক্ষমতাগুলো। সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি, দক্ষিণ পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরজুড়ে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ভেঙে দেওয়াই এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য।
বিশেষ করে ইরানের ছোট আকারের দ্রুতগতির আক্রমণকারী নৌযান, সমুদ্র মাইন স্থাপনকারী জাহাজ এবং অন্যান্য নৌ-সামরিক সরঞ্জামকে টার্গেট করা হতে পারে। এসব সক্ষমতা ব্যবহার করে তেহরান গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে চলাচল বাধাগ্রস্ত করেছে এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কৌশলগত চাপ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
গত ৭ এপ্রিল শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। এর ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকেও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নৌবাহিনীর ওপর হামলা চালালেও প্রাথমিক পর্যায়ের বোমাবর্ষণ ছিল মূলত হরমুজ প্রণালি থেকে দূরের লক্ষ্যবস্তুতে। এর উদ্দেশ্য ছিল ইরানের অভ্যন্তরে আরও গভীরে আঘাত হানার পথ তৈরি করা। তবে নতুন পরিকল্পনায় এই কৌশলগত জলপথের আশপাশে আরও বিস্তৃত ও তীব্র হামলার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
সিএনএনের আগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বড় অংশ এখনো অক্ষত রয়েছে। পাশাপাশি দেশটির হাতে বিপুল সংখ্যক ছোট নৌযান রয়েছে, যেগুলো ব্যবহার করে জাহাজে হামলা চালানো সম্ভব। ফলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশ জটিল হয়ে উঠতে পারে।
এদিকে, একাধিক সূত্র এবং একজন জ্যেষ্ঠ শিপিং ব্রোকার সিএনএনকে জানিয়েছেন, শুধু হরমুজ প্রণালির আশপাশে সামরিক হামলা চালিয়েই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দ্রুত স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। তবে বর্তমান ও সাবেক অনেক মার্কিন কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, নতুন করে ইরানে হামলা চালানো হলে তা সংঘাতকে আরও উসকে দিতে পারে।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অপারেশনাল নিরাপত্তার কারণে আমরা ভবিষ্যৎ বা সম্ভাব্য কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করি না। প্রেসিডেন্টকে বিভিন্ন বিকল্প দেওয়া হচ্ছে এবং সব ধরনের বিকল্পই এখন বিবেচনায় রয়েছে।’
সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, নতুন করে হামলা শুরু হলে ইরানের অবশিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র, লঞ্চার এবং উৎপাদন কেন্দ্রগুলোও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আগের দফার মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পরও ইরানের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং হাজার হাজার ড্রোন অক্ষত রয়েছে।
গত সপ্তাহে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্বীকার করেছেন, যুদ্ধবিরতির সময় ইরান তাদের কিছু সামরিক সম্পদ স্থানান্তর করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি চুক্তিতে না আসে, তাহলে নতুন অবস্থানগুলোও হামলার লক্ষ্য হতে পারে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ চায় না এবং কূটনৈতিক সমাধানকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে একই সঙ্গে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে, এই যুদ্ধবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য নয়। প্রয়োজন হলে দ্রুতই সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে মার্কিন বাহিনী।
তথ্যসূত্র: সিএনএন
/এমআর/




