ফ্যানের গতি কমালে কী সত্যিই বিদ্যুৎ বিল কমে

ফ্যানের গতি কমালে কী সত্যিই বিদ্যুৎ বিল কমে
সিটিজেন ডেস্ক

গরম বাড়তে না বাড়তেই সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে বিদ্যুৎ বিল। বিশেষ করে সারাদিন ফ্যান, লাইট বা এসি চালানোর ফলে পকেট থেকে বের হয়ে যায় মোটা অঙ্কের টাকা। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আশায় অনেকেই ফ্যান ধীর গতিতে চালিয়ে থাকেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ফ্যান ধীরে চালালে কি আসলেই বিদ্যুৎ বিল কম আসে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করে আপনার ব্যবহৃত ফ্যান রেগুলেটরের ধরনের ওপর।
বাজারে সাধারণত দুই ধরনের রেগুলেটর দেখা যায়। আগেকার দিনের বড় আকারের রেগুলেটরগুলো বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কোনো ভূমিকা রাখতে পারতো না। কারণ, সেগুলো ফ্যানের গতি কমানোর জন্য বাড়তি বিদ্যুৎকে তাপ হিসেবে নষ্ট করে দিত। অর্থাৎ, ফ্যান ধীরে চললেও বিল আসতো সর্বোচ্চ গতির সমান। তবে আধুনিক ইলেকট্রনিক রেগুলেটর এ ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। এই রেগুলেটরগুলো সরাসরি ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে ফ্যান যখন কম গতিতে চলে, তখন বিদ্যুৎ খরচও সে অনুপাতে কমে যায়।
বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করে অনায়াসেই বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে আনা সম্ভব। এই রেগুলেটরগুলো ব্যবহারে ফ্যানের সর্বোচ্চ স্পিড এবং সর্বনিম্ন স্পিডের মধ্যে বিদ্যুৎ খরচের বড় ধরনের পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরে যদি পুরনো আমলের বড় রেগুলেটর থাকে, তবে তা দ্রুত বদলে আধুনিক ইলেকট্রনিক রেগুলেটর লাগিয়ে নেওয়া উচিত। ফ্যানের মোটর পুরনো হয়ে গেলে বা জ্যাম থাকলে সেটি বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। তাই নিয়মিত সার্ভিসিং জরুরি। প্রয়োজন ছাড়া ফ্যান বা লাইট জ্বালিয়ে রাখার অভ্যাস ত্যাগ করাই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের প্রধান উপায়।

গরম বাড়তে না বাড়তেই সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে বিদ্যুৎ বিল। বিশেষ করে সারাদিন ফ্যান, লাইট বা এসি চালানোর ফলে পকেট থেকে বের হয়ে যায় মোটা অঙ্কের টাকা। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আশায় অনেকেই ফ্যান ধীর গতিতে চালিয়ে থাকেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ফ্যান ধীরে চালালে কি আসলেই বিদ্যুৎ বিল কম আসে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করে আপনার ব্যবহৃত ফ্যান রেগুলেটরের ধরনের ওপর।
বাজারে সাধারণত দুই ধরনের রেগুলেটর দেখা যায়। আগেকার দিনের বড় আকারের রেগুলেটরগুলো বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কোনো ভূমিকা রাখতে পারতো না। কারণ, সেগুলো ফ্যানের গতি কমানোর জন্য বাড়তি বিদ্যুৎকে তাপ হিসেবে নষ্ট করে দিত। অর্থাৎ, ফ্যান ধীরে চললেও বিল আসতো সর্বোচ্চ গতির সমান। তবে আধুনিক ইলেকট্রনিক রেগুলেটর এ ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। এই রেগুলেটরগুলো সরাসরি ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে ফ্যান যখন কম গতিতে চলে, তখন বিদ্যুৎ খরচও সে অনুপাতে কমে যায়।
বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করে অনায়াসেই বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে আনা সম্ভব। এই রেগুলেটরগুলো ব্যবহারে ফ্যানের সর্বোচ্চ স্পিড এবং সর্বনিম্ন স্পিডের মধ্যে বিদ্যুৎ খরচের বড় ধরনের পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরে যদি পুরনো আমলের বড় রেগুলেটর থাকে, তবে তা দ্রুত বদলে আধুনিক ইলেকট্রনিক রেগুলেটর লাগিয়ে নেওয়া উচিত। ফ্যানের মোটর পুরনো হয়ে গেলে বা জ্যাম থাকলে সেটি বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। তাই নিয়মিত সার্ভিসিং জরুরি। প্রয়োজন ছাড়া ফ্যান বা লাইট জ্বালিয়ে রাখার অভ্যাস ত্যাগ করাই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের প্রধান উপায়।

ফ্যানের গতি কমালে কী সত্যিই বিদ্যুৎ বিল কমে
সিটিজেন ডেস্ক

গরম বাড়তে না বাড়তেই সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে বিদ্যুৎ বিল। বিশেষ করে সারাদিন ফ্যান, লাইট বা এসি চালানোর ফলে পকেট থেকে বের হয়ে যায় মোটা অঙ্কের টাকা। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আশায় অনেকেই ফ্যান ধীর গতিতে চালিয়ে থাকেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ফ্যান ধীরে চালালে কি আসলেই বিদ্যুৎ বিল কম আসে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করে আপনার ব্যবহৃত ফ্যান রেগুলেটরের ধরনের ওপর।
বাজারে সাধারণত দুই ধরনের রেগুলেটর দেখা যায়। আগেকার দিনের বড় আকারের রেগুলেটরগুলো বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কোনো ভূমিকা রাখতে পারতো না। কারণ, সেগুলো ফ্যানের গতি কমানোর জন্য বাড়তি বিদ্যুৎকে তাপ হিসেবে নষ্ট করে দিত। অর্থাৎ, ফ্যান ধীরে চললেও বিল আসতো সর্বোচ্চ গতির সমান। তবে আধুনিক ইলেকট্রনিক রেগুলেটর এ ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। এই রেগুলেটরগুলো সরাসরি ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে ফ্যান যখন কম গতিতে চলে, তখন বিদ্যুৎ খরচও সে অনুপাতে কমে যায়।
বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করে অনায়াসেই বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে আনা সম্ভব। এই রেগুলেটরগুলো ব্যবহারে ফ্যানের সর্বোচ্চ স্পিড এবং সর্বনিম্ন স্পিডের মধ্যে বিদ্যুৎ খরচের বড় ধরনের পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরে যদি পুরনো আমলের বড় রেগুলেটর থাকে, তবে তা দ্রুত বদলে আধুনিক ইলেকট্রনিক রেগুলেটর লাগিয়ে নেওয়া উচিত। ফ্যানের মোটর পুরনো হয়ে গেলে বা জ্যাম থাকলে সেটি বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। তাই নিয়মিত সার্ভিসিং জরুরি। প্রয়োজন ছাড়া ফ্যান বা লাইট জ্বালিয়ে রাখার অভ্যাস ত্যাগ করাই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের প্রধান উপায়।




