ইরান যুদ্ধের কারণে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান যুদ্ধের কারণে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২: ৫৪

ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ তীব্র আকার ধারণ করায় যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে, যা দেশটির বিশ্বব্যাপী সামরিক উপস্থিতিকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী এ পর্যন্ত আনুমানিক ১,১০০টি দূরপাল্লার স্টেলথ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। বিস্ময়কর তথ্য হলো, উচ্চ-প্রযুক্তির এ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মূলত এশীয় অঞ্চলে চীনের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মোকাবিলার জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছিল। মার্কিন সামরিক কমান্ডাররা এখন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চাহিদা মেটাতে বর্তমানে এশিয়া ও ইউরোপের জন্য বরাদ্দকৃত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যার ফলে ওই অঞ্চলগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ ও কংগ্রেস কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ হিসাব অনুযায়ী, ফুরিয়ে যাওয়া বিশাল মজুদের মধ্যে এক হাজারের বেশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক ও এটিএসিএএমএস এর মতো ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র তার এশিয়া ও ইউরোপের সামরিক ঘাঁটিগুলো থেকে নিয়মিতভাবে গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে এনে মধ্যপ্রাচ্যের শূন্যস্থান পূরণের চেষ্টা করছে। সমর বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এই কৌশলের ফলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় ও ইউরোপীয় অঞ্চলে সম্ভাব্য হুমকির মুখে প্রস্তুতির বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, বর্তমান মার্কিন সামরিক কৌশল মূলত ব্যয়বহুল ও অতি-নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা এত দ্রুত বাড়ানোর সামর্থ্য নিয়ে বড় ধরনের সংশয় রয়েছে। প্রতিরক্ষা বিভাগ সতর্ক করেছে, এ বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী এ সংকট কেবল বর্তমান রণক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি অদূর ভবিষ্যতে বৈশ্বিক কৌশলগত ভারসাম্যেও বড় ধরনের পরিবর্তন ডেকে আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ তীব্র আকার ধারণ করায় যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে, যা দেশটির বিশ্বব্যাপী সামরিক উপস্থিতিকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী এ পর্যন্ত আনুমানিক ১,১০০টি দূরপাল্লার স্টেলথ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। বিস্ময়কর তথ্য হলো, উচ্চ-প্রযুক্তির এ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মূলত এশীয় অঞ্চলে চীনের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মোকাবিলার জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছিল। মার্কিন সামরিক কমান্ডাররা এখন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চাহিদা মেটাতে বর্তমানে এশিয়া ও ইউরোপের জন্য বরাদ্দকৃত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যার ফলে ওই অঞ্চলগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ ও কংগ্রেস কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ হিসাব অনুযায়ী, ফুরিয়ে যাওয়া বিশাল মজুদের মধ্যে এক হাজারের বেশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক ও এটিএসিএএমএস এর মতো ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র তার এশিয়া ও ইউরোপের সামরিক ঘাঁটিগুলো থেকে নিয়মিতভাবে গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে এনে মধ্যপ্রাচ্যের শূন্যস্থান পূরণের চেষ্টা করছে। সমর বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এই কৌশলের ফলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় ও ইউরোপীয় অঞ্চলে সম্ভাব্য হুমকির মুখে প্রস্তুতির বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, বর্তমান মার্কিন সামরিক কৌশল মূলত ব্যয়বহুল ও অতি-নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা এত দ্রুত বাড়ানোর সামর্থ্য নিয়ে বড় ধরনের সংশয় রয়েছে। প্রতিরক্ষা বিভাগ সতর্ক করেছে, এ বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী এ সংকট কেবল বর্তমান রণক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি অদূর ভবিষ্যতে বৈশ্বিক কৌশলগত ভারসাম্যেও বড় ধরনের পরিবর্তন ডেকে আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

ইরান যুদ্ধের কারণে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২: ৫৪

ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ তীব্র আকার ধারণ করায় যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে, যা দেশটির বিশ্বব্যাপী সামরিক উপস্থিতিকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী এ পর্যন্ত আনুমানিক ১,১০০টি দূরপাল্লার স্টেলথ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। বিস্ময়কর তথ্য হলো, উচ্চ-প্রযুক্তির এ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মূলত এশীয় অঞ্চলে চীনের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মোকাবিলার জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছিল। মার্কিন সামরিক কমান্ডাররা এখন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চাহিদা মেটাতে বর্তমানে এশিয়া ও ইউরোপের জন্য বরাদ্দকৃত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যার ফলে ওই অঞ্চলগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ ও কংগ্রেস কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ হিসাব অনুযায়ী, ফুরিয়ে যাওয়া বিশাল মজুদের মধ্যে এক হাজারের বেশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক ও এটিএসিএএমএস এর মতো ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র তার এশিয়া ও ইউরোপের সামরিক ঘাঁটিগুলো থেকে নিয়মিতভাবে গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে এনে মধ্যপ্রাচ্যের শূন্যস্থান পূরণের চেষ্টা করছে। সমর বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এই কৌশলের ফলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় ও ইউরোপীয় অঞ্চলে সম্ভাব্য হুমকির মুখে প্রস্তুতির বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, বর্তমান মার্কিন সামরিক কৌশল মূলত ব্যয়বহুল ও অতি-নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা এত দ্রুত বাড়ানোর সামর্থ্য নিয়ে বড় ধরনের সংশয় রয়েছে। প্রতিরক্ষা বিভাগ সতর্ক করেছে, এ বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী এ সংকট কেবল বর্তমান রণক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি অদূর ভবিষ্যতে বৈশ্বিক কৌশলগত ভারসাম্যেও বড় ধরনের পরিবর্তন ডেকে আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস
/এমএকে/




