দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইলে ছাড় নয়: অর্থমন্ত্রী

দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইলে ছাড় নয়: অর্থমন্ত্রী
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইলে যে দলেরই হোক তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা একটি স্থিতিশীল, সংবেদনশীল ও সহনশীল রাজনীতির পথে এগোচ্ছি। যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তারা যে দলেরই হোক না কেনো- ছাড় দেওয়া হবে না।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় ‘সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’ উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সমাজে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, যাদের প্রকৃত অর্থে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ কারও নেই।
বিদ্যুৎ সংকট ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘দেশে বিদ্যুৎ সংকট নেই- এ কথা বলার সুযোগ নেই। তবে এটি শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, বৈশ্বিক সংকট।’
জ্বালিনর মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘জনগণের কষ্টের কথা বিবেচনা করে আমরা জ্বালানির মূল্য সামান্য বৃদ্ধি করেছি। প্রতিবেশী দেশগুলোতে দাম অনেক বেশি বেড়েছে। আমাদের ব্যবস্থাপনা ভালো বলেই এখনো ফ্যাক্টরি বা লাইট বন্ধ করতে হয়নি। অনেক দেশে কারফিউ পর্যন্ত হয়েছে। ইনশাল্লাহ বাংলাদেশে সে অবস্থা হবে না।’
বিগত সময়ে ব্যাংকগুলো লুটপাট করে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত সময়ে দেশ থেকে প্রায় ২৩০ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলো প্রায় খালি। শেয়ারবাজারও অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। জনগণ তাদের জমানো অর্থ তুলতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন। এই ধ্বংসস্তূপ থেকে ব্যাংক খাতকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সময় লাগবে। তবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’

দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইলে যে দলেরই হোক তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা একটি স্থিতিশীল, সংবেদনশীল ও সহনশীল রাজনীতির পথে এগোচ্ছি। যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তারা যে দলেরই হোক না কেনো- ছাড় দেওয়া হবে না।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় ‘সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’ উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সমাজে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, যাদের প্রকৃত অর্থে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ কারও নেই।
বিদ্যুৎ সংকট ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘দেশে বিদ্যুৎ সংকট নেই- এ কথা বলার সুযোগ নেই। তবে এটি শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, বৈশ্বিক সংকট।’
জ্বালিনর মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘জনগণের কষ্টের কথা বিবেচনা করে আমরা জ্বালানির মূল্য সামান্য বৃদ্ধি করেছি। প্রতিবেশী দেশগুলোতে দাম অনেক বেশি বেড়েছে। আমাদের ব্যবস্থাপনা ভালো বলেই এখনো ফ্যাক্টরি বা লাইট বন্ধ করতে হয়নি। অনেক দেশে কারফিউ পর্যন্ত হয়েছে। ইনশাল্লাহ বাংলাদেশে সে অবস্থা হবে না।’
বিগত সময়ে ব্যাংকগুলো লুটপাট করে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত সময়ে দেশ থেকে প্রায় ২৩০ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলো প্রায় খালি। শেয়ারবাজারও অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। জনগণ তাদের জমানো অর্থ তুলতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন। এই ধ্বংসস্তূপ থেকে ব্যাংক খাতকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সময় লাগবে। তবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’

দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইলে ছাড় নয়: অর্থমন্ত্রী
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইলে যে দলেরই হোক তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা একটি স্থিতিশীল, সংবেদনশীল ও সহনশীল রাজনীতির পথে এগোচ্ছি। যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তারা যে দলেরই হোক না কেনো- ছাড় দেওয়া হবে না।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় ‘সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’ উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সমাজে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, যাদের প্রকৃত অর্থে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ কারও নেই।
বিদ্যুৎ সংকট ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘দেশে বিদ্যুৎ সংকট নেই- এ কথা বলার সুযোগ নেই। তবে এটি শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, বৈশ্বিক সংকট।’
জ্বালিনর মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘জনগণের কষ্টের কথা বিবেচনা করে আমরা জ্বালানির মূল্য সামান্য বৃদ্ধি করেছি। প্রতিবেশী দেশগুলোতে দাম অনেক বেশি বেড়েছে। আমাদের ব্যবস্থাপনা ভালো বলেই এখনো ফ্যাক্টরি বা লাইট বন্ধ করতে হয়নি। অনেক দেশে কারফিউ পর্যন্ত হয়েছে। ইনশাল্লাহ বাংলাদেশে সে অবস্থা হবে না।’
বিগত সময়ে ব্যাংকগুলো লুটপাট করে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত সময়ে দেশ থেকে প্রায় ২৩০ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলো প্রায় খালি। শেয়ারবাজারও অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। জনগণ তাদের জমানো অর্থ তুলতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন। এই ধ্বংসস্তূপ থেকে ব্যাংক খাতকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সময় লাগবে। তবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’




