শিরোনাম

ভারতীয়দের ইরান ছাড়ার নির্দেশ

সিটিজেন ডেস্ক
ভারতীয়দের ইরান ছাড়ার নির্দেশ
ইরান ছাড়ছেন ভারতীয়রা। ফাইল ছবি (ন্যাশনাল হেরাল্ড)

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও উত্তেজনা এখনও কমেনি। শুক্রবারের মধ্যেই তেহরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। চুক্তি না হলে আবারও হামলা চালানো হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। এরই মধ্যেে ইরান থেকে নিজেদের নাগরিকদের নিরাপদে চলে আসার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো ভারত। ইরানে অবস্থানরত সব ভারতীয়কে ইরান ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক নতুন নির্দেশনায় নয়াদিল্লি বলেছে, যেহেতু কিছু ফ্লাইট চালু হয়েছে তাই দ্রুত যেন সেগুলো ব্যবহার করে ইরান ছাড়ার জন্য বলা হলো। এছাড়া নতুন করে কাউকে ইরানে প্রবেশ না করতে বিশেষভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ভারতীয়দের আকাশপথ বা স্থলপথ ব্যবহার করে কোনোভাবেই ইরান ভ্রমণ না করার জন্য জোরালো পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আংশিকভাবে খুলে দিলেও আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে আকাশসীমার ওপর বিধিনিষেধ এবং বিমান চলাচলে অনিশ্চয়তা থাকায় ইরানের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো ব্যাহত হচ্ছে। আবারও জোর দিয়ে বলা হচ্ছে, বর্তমানে ইরানে অবস্থানরত সকল ভারতীয় নাগরিক যেন দূতাবাসের সাথে যথাযথ সমন্বয় বজায় রেখে নির্ধারিত স্থল সীমান্ত দিয়ে দেশটি ত্যাগ করেন।’

এদিকে ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি ও দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালাতে প্রস্তুত আছেন বলে জানিয়েছেন দখলদার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) তিনি বলেন, তারা হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় আছেন।

তিনি বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত ইসরায়েল। আমাদের সেনাবাহিনী আক্রমণাত্মক ও রক্ষণাত্মক উভয়দিকেই প্রস্তুত এবং টার্গেটও ঠিক করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ভয়াবহ ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ৪০ জনের অধিক শীর্ষ নেতা নিহত হন। এরপর শুরু হয় মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত। গত ৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও শান্তি আলোচনা নিয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি। এমতাবস্থায় যেকোনো সময় আবার সংঘাত শুরু হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সূত্র: ডিএনএ ইন্ডিয়া, আল জাজিরা

/জেএইচ/