সরেজমিন ঢাকার আদালত
আইনি সেবা ডেস্ক এখন ডাস্টবিনের দখলে

আইনি সেবা ডেস্ক এখন ডাস্টবিনের দখলে
আদালত প্রতিবেদক

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ‘আইনগত তথ্য ও সেবা ডেস্ক’ থাকলেও সেখানে মেলে না কোনো সেবা। সেবা ডেস্কের ভেতরে পড়ে আছে ময়লা-আবর্জনা আর ডাস্টবিন। কর্মীর অভাবে আইনি সহায়তা নিতে আসা সাধারণ মানুষ তথ্য ও সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, সিএমএম আদালতের নিচতলায় হাতের বাঁয়ে পরিপাটি করে সাজানো ‘আইনগত তথ্য ও সেবা ডেস্ক’। উপরে ফ্যান ঘুরছে, তবে ডেস্কে কোনো কর্মী নেই। কাছে গিয়ে দেখা যায়– ভেতরে ময়লা-আবর্জনা আর নানা ধরনের অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী। ডেস্কের প্রবেশপথে কাত হয়ে পড়ে আছে একটি ডাস্টবিন। সেবা নিতে আসা মানুষ আশপাশে কিছুক্ষণ ঘুরে এরপর ফিরে যাচ্ছেন। জানা গেছে, বহুদিন ধরে সেবা ডেস্ক এভাবেই শূন্য পড়ে রয়েছে।
আদালতের সেবা ডেস্কে কর্মী সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে এজেডব্লিউ নামের একটি বেসরকারি সংস্থা। এজেডব্লিউর জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা রহিমা রহমান বলেন, সেবা ডেস্কে ২ জন কর্মী থাকার কথা। একজন আমাদের পক্ষ থেকে, অন্যজন আদালতের পক্ষ থেকে। কিন্তু এ নিয়ে প্রশাসনের কোনো তৎপরতা নেই।
তিনি বলেন, গত ৫ এপ্রিল থেকে কাজ শুরু করেছি। এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেবা ডেস্ক পরিচালনা করার কথা। কিন্তু তারা কী করেছে তা জানি না। এখানে আমাদের কর্মী রয়েছে। কিন্তু সেবা ডেস্কের দরজা না থাকায় ভেতরে ময়লা ফেলা হয়। আমাদের কর্মীরা সেখানে অবস্থান করতে না পেরে ফিরে আসে।

আদালতের নেজারত শাখার প্রধান আবুল হাসান বলেন, অনেক দিন ধরে এই ডেস্ক বন্ধ ছিল। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর বর্তমান সিএমএম মহোদয়ের উদ্যোগে সেবা ডেস্ক সংস্কার করা হয়েছে। সেখানে প্রয়োজনীয় ফ্যান, লাইট, চেয়ার দেওয়া হয়েছে। এখন একটি দরজা প্রয়োজন। এ বিষয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ঢাকার সিএমএম কোর্ট একটি জনবহুল ও ব্যস্ততম আদালত। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এখানে হাজারো বিচারপ্রার্থীর সমাগম ঘটে। তাদের জন্যই সেবা ডেস্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা তো জানি এখানে লোক থাকে। কিন্তু কী কারণে এখন নেই সেটা খোঁজ নিয়ে বলা যাবে। আশাকরি আগামীতে আমাদের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদারকি করা হবে। আদালতে আসা বিচারপ্রার্থীরা যেন সর্বোচ্চ সেবা পায় সেটা নিশ্চিত করা হবে।
আবুল হাসান আরও বলেন, আদালতে পর্যাপ্ত জনবল নেই। হেল্প ডেস্কের জন্য আলাদা কোনো কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়নি। আমাদের দপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে সেখানে কর্মী রাখা হয়।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ‘আইনগত তথ্য ও সেবা ডেস্ক’ থাকলেও সেখানে মেলে না কোনো সেবা। সেবা ডেস্কের ভেতরে পড়ে আছে ময়লা-আবর্জনা আর ডাস্টবিন। কর্মীর অভাবে আইনি সহায়তা নিতে আসা সাধারণ মানুষ তথ্য ও সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, সিএমএম আদালতের নিচতলায় হাতের বাঁয়ে পরিপাটি করে সাজানো ‘আইনগত তথ্য ও সেবা ডেস্ক’। উপরে ফ্যান ঘুরছে, তবে ডেস্কে কোনো কর্মী নেই। কাছে গিয়ে দেখা যায়– ভেতরে ময়লা-আবর্জনা আর নানা ধরনের অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী। ডেস্কের প্রবেশপথে কাত হয়ে পড়ে আছে একটি ডাস্টবিন। সেবা নিতে আসা মানুষ আশপাশে কিছুক্ষণ ঘুরে এরপর ফিরে যাচ্ছেন। জানা গেছে, বহুদিন ধরে সেবা ডেস্ক এভাবেই শূন্য পড়ে রয়েছে।
আদালতের সেবা ডেস্কে কর্মী সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে এজেডব্লিউ নামের একটি বেসরকারি সংস্থা। এজেডব্লিউর জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা রহিমা রহমান বলেন, সেবা ডেস্কে ২ জন কর্মী থাকার কথা। একজন আমাদের পক্ষ থেকে, অন্যজন আদালতের পক্ষ থেকে। কিন্তু এ নিয়ে প্রশাসনের কোনো তৎপরতা নেই।
তিনি বলেন, গত ৫ এপ্রিল থেকে কাজ শুরু করেছি। এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেবা ডেস্ক পরিচালনা করার কথা। কিন্তু তারা কী করেছে তা জানি না। এখানে আমাদের কর্মী রয়েছে। কিন্তু সেবা ডেস্কের দরজা না থাকায় ভেতরে ময়লা ফেলা হয়। আমাদের কর্মীরা সেখানে অবস্থান করতে না পেরে ফিরে আসে।

আদালতের নেজারত শাখার প্রধান আবুল হাসান বলেন, অনেক দিন ধরে এই ডেস্ক বন্ধ ছিল। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর বর্তমান সিএমএম মহোদয়ের উদ্যোগে সেবা ডেস্ক সংস্কার করা হয়েছে। সেখানে প্রয়োজনীয় ফ্যান, লাইট, চেয়ার দেওয়া হয়েছে। এখন একটি দরজা প্রয়োজন। এ বিষয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ঢাকার সিএমএম কোর্ট একটি জনবহুল ও ব্যস্ততম আদালত। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এখানে হাজারো বিচারপ্রার্থীর সমাগম ঘটে। তাদের জন্যই সেবা ডেস্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা তো জানি এখানে লোক থাকে। কিন্তু কী কারণে এখন নেই সেটা খোঁজ নিয়ে বলা যাবে। আশাকরি আগামীতে আমাদের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদারকি করা হবে। আদালতে আসা বিচারপ্রার্থীরা যেন সর্বোচ্চ সেবা পায় সেটা নিশ্চিত করা হবে।
আবুল হাসান আরও বলেন, আদালতে পর্যাপ্ত জনবল নেই। হেল্প ডেস্কের জন্য আলাদা কোনো কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়নি। আমাদের দপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে সেখানে কর্মী রাখা হয়।

আইনি সেবা ডেস্ক এখন ডাস্টবিনের দখলে
আদালত প্রতিবেদক

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ‘আইনগত তথ্য ও সেবা ডেস্ক’ থাকলেও সেখানে মেলে না কোনো সেবা। সেবা ডেস্কের ভেতরে পড়ে আছে ময়লা-আবর্জনা আর ডাস্টবিন। কর্মীর অভাবে আইনি সহায়তা নিতে আসা সাধারণ মানুষ তথ্য ও সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, সিএমএম আদালতের নিচতলায় হাতের বাঁয়ে পরিপাটি করে সাজানো ‘আইনগত তথ্য ও সেবা ডেস্ক’। উপরে ফ্যান ঘুরছে, তবে ডেস্কে কোনো কর্মী নেই। কাছে গিয়ে দেখা যায়– ভেতরে ময়লা-আবর্জনা আর নানা ধরনের অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী। ডেস্কের প্রবেশপথে কাত হয়ে পড়ে আছে একটি ডাস্টবিন। সেবা নিতে আসা মানুষ আশপাশে কিছুক্ষণ ঘুরে এরপর ফিরে যাচ্ছেন। জানা গেছে, বহুদিন ধরে সেবা ডেস্ক এভাবেই শূন্য পড়ে রয়েছে।
আদালতের সেবা ডেস্কে কর্মী সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে এজেডব্লিউ নামের একটি বেসরকারি সংস্থা। এজেডব্লিউর জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা রহিমা রহমান বলেন, সেবা ডেস্কে ২ জন কর্মী থাকার কথা। একজন আমাদের পক্ষ থেকে, অন্যজন আদালতের পক্ষ থেকে। কিন্তু এ নিয়ে প্রশাসনের কোনো তৎপরতা নেই।
তিনি বলেন, গত ৫ এপ্রিল থেকে কাজ শুরু করেছি। এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেবা ডেস্ক পরিচালনা করার কথা। কিন্তু তারা কী করেছে তা জানি না। এখানে আমাদের কর্মী রয়েছে। কিন্তু সেবা ডেস্কের দরজা না থাকায় ভেতরে ময়লা ফেলা হয়। আমাদের কর্মীরা সেখানে অবস্থান করতে না পেরে ফিরে আসে।

আদালতের নেজারত শাখার প্রধান আবুল হাসান বলেন, অনেক দিন ধরে এই ডেস্ক বন্ধ ছিল। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর বর্তমান সিএমএম মহোদয়ের উদ্যোগে সেবা ডেস্ক সংস্কার করা হয়েছে। সেখানে প্রয়োজনীয় ফ্যান, লাইট, চেয়ার দেওয়া হয়েছে। এখন একটি দরজা প্রয়োজন। এ বিষয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ঢাকার সিএমএম কোর্ট একটি জনবহুল ও ব্যস্ততম আদালত। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এখানে হাজারো বিচারপ্রার্থীর সমাগম ঘটে। তাদের জন্যই সেবা ডেস্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা তো জানি এখানে লোক থাকে। কিন্তু কী কারণে এখন নেই সেটা খোঁজ নিয়ে বলা যাবে। আশাকরি আগামীতে আমাদের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদারকি করা হবে। আদালতে আসা বিচারপ্রার্থীরা যেন সর্বোচ্চ সেবা পায় সেটা নিশ্চিত করা হবে।
আবুল হাসান আরও বলেন, আদালতে পর্যাপ্ত জনবল নেই। হেল্প ডেস্কের জন্য আলাদা কোনো কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়নি। আমাদের দপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে সেখানে কর্মী রাখা হয়।




