বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ

বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘস্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যকার চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। এছাড়াও তেহরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ হ্রাস বা হস্তান্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত বিষয়গুলোও আলোচনায় স্থান পেয়েছে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দুই দেশের মধ্যে শুধু যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করা নয়, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি রূপরেখা তৈরির জোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এ সম্ভাব্য সমঝোতার অংশ হিসেবে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ধাপে ধাপে পুনরায় সচল করার একটি পরিকল্পনাও বিবেচনাধীন রয়েছে। পাশাপাশি ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ কমানো কিংবা তা অন্য কোনো তৃতীয় দেশে স্থানান্তরের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে।
অন্যদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, আলোচনার ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে বেশ কিছু অবরোধ শিথিল করা এবং নির্দিষ্ট কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনা করছে। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে বিভিন্ন নিরাপত্তা ইস্যু ও কঠিন শর্তাবলি নিয়ে দরকষাকষি চললেও এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছিলেন, বিদ্যমান যুদ্ধবিরতিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক তৈরির বিষয়ে জোর আলোচনা চলছে। এ সম্ভাব্য সংলাপের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পারমাণবিক কর্মসূচির নিরস্ত্রীকরণ এবং বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা।
সূত্র: ফিন্যান্সিয়াল টাইমস

দীর্ঘস্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যকার চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। এছাড়াও তেহরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ হ্রাস বা হস্তান্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত বিষয়গুলোও আলোচনায় স্থান পেয়েছে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দুই দেশের মধ্যে শুধু যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করা নয়, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি রূপরেখা তৈরির জোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এ সম্ভাব্য সমঝোতার অংশ হিসেবে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ধাপে ধাপে পুনরায় সচল করার একটি পরিকল্পনাও বিবেচনাধীন রয়েছে। পাশাপাশি ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ কমানো কিংবা তা অন্য কোনো তৃতীয় দেশে স্থানান্তরের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে।
অন্যদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, আলোচনার ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে বেশ কিছু অবরোধ শিথিল করা এবং নির্দিষ্ট কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনা করছে। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে বিভিন্ন নিরাপত্তা ইস্যু ও কঠিন শর্তাবলি নিয়ে দরকষাকষি চললেও এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছিলেন, বিদ্যমান যুদ্ধবিরতিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক তৈরির বিষয়ে জোর আলোচনা চলছে। এ সম্ভাব্য সংলাপের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পারমাণবিক কর্মসূচির নিরস্ত্রীকরণ এবং বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা।
সূত্র: ফিন্যান্সিয়াল টাইমস

বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘস্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যকার চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। এছাড়াও তেহরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ হ্রাস বা হস্তান্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত বিষয়গুলোও আলোচনায় স্থান পেয়েছে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দুই দেশের মধ্যে শুধু যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করা নয়, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি রূপরেখা তৈরির জোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এ সম্ভাব্য সমঝোতার অংশ হিসেবে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ধাপে ধাপে পুনরায় সচল করার একটি পরিকল্পনাও বিবেচনাধীন রয়েছে। পাশাপাশি ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ কমানো কিংবা তা অন্য কোনো তৃতীয় দেশে স্থানান্তরের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে।
অন্যদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, আলোচনার ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে বেশ কিছু অবরোধ শিথিল করা এবং নির্দিষ্ট কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনা করছে। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে বিভিন্ন নিরাপত্তা ইস্যু ও কঠিন শর্তাবলি নিয়ে দরকষাকষি চললেও এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছিলেন, বিদ্যমান যুদ্ধবিরতিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক তৈরির বিষয়ে জোর আলোচনা চলছে। এ সম্ভাব্য সংলাপের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পারমাণবিক কর্মসূচির নিরস্ত্রীকরণ এবং বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা।
সূত্র: ফিন্যান্সিয়াল টাইমস

সর্বোচ্চ নেতার অনুমতি ছাড়া কোনও চুক্তি নয়: পেজেশকিয়ান


