সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি নয় ইরান

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি নয় ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য একটি খসড়া চুক্তিতে পৌঁছানোর ইঙ্গিত দিলেও নিজেদের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম অন্য কোনো দেশে হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইরান। তেহরানের একটি উচ্চপদস্থ সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানায়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা চললেও সেখানে ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের কোনো শর্ত অন্তর্ভুক্ত নেই। মূলত পারমাণবিক ইস্যুটিকে একটি চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনার জন্য তুলে রাখা হয়েছে, যা বর্তমান খসড়ার অংশ নয়।
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের দুজন কর্মকর্তা দাবি করেছিলেন, ইরান তাদের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে সম্মত হয়েছে। তবে মার্কিন প্রশাসনের এ দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে তেহরান জানিয়েছে, এমন কোনো প্রতিশ্রুতি তারা দেয়নি।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে দেওয়া অন্য এক সাক্ষাৎকারে ওয়াশিংটনের আরেক শীর্ষ কর্মকর্তা এ চুক্তির ভিন্ন কিছু শর্তের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, চুক্তিটি চূড়ান্ত হলে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ সম্পূর্ণ অবাধে ও বিনা টোলে চলাচলের অনুমতি দেবে। একই সঙ্গে প্রণালিটির যেসব স্থানে মাইন স্থাপন করা হয়েছিল, সেগুলোও অপসারণ করার প্রতিশ্রুতি দেবে তেহরান। এছাড়া, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না বলেও এই চুক্তিতে উল্লেখ থাকবে।
মার্কিন কর্মকর্তা আরও দাবি করেন, চুক্তিটি সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধাবসান ঘটবে। তবে শান্তি চুক্তি বজায় থাকার পরও যদি হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো হামলা বা উস্কানি আসে, তবে ইসরায়েলকে তার পাল্টা জবাব ও হামলার পূর্ণ অনুমতি দেওয়া হবে।
সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য একটি খসড়া চুক্তিতে পৌঁছানোর ইঙ্গিত দিলেও নিজেদের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম অন্য কোনো দেশে হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইরান। তেহরানের একটি উচ্চপদস্থ সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানায়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা চললেও সেখানে ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের কোনো শর্ত অন্তর্ভুক্ত নেই। মূলত পারমাণবিক ইস্যুটিকে একটি চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনার জন্য তুলে রাখা হয়েছে, যা বর্তমান খসড়ার অংশ নয়।
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের দুজন কর্মকর্তা দাবি করেছিলেন, ইরান তাদের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে সম্মত হয়েছে। তবে মার্কিন প্রশাসনের এ দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে তেহরান জানিয়েছে, এমন কোনো প্রতিশ্রুতি তারা দেয়নি।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে দেওয়া অন্য এক সাক্ষাৎকারে ওয়াশিংটনের আরেক শীর্ষ কর্মকর্তা এ চুক্তির ভিন্ন কিছু শর্তের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, চুক্তিটি চূড়ান্ত হলে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ সম্পূর্ণ অবাধে ও বিনা টোলে চলাচলের অনুমতি দেবে। একই সঙ্গে প্রণালিটির যেসব স্থানে মাইন স্থাপন করা হয়েছিল, সেগুলোও অপসারণ করার প্রতিশ্রুতি দেবে তেহরান। এছাড়া, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না বলেও এই চুক্তিতে উল্লেখ থাকবে।
মার্কিন কর্মকর্তা আরও দাবি করেন, চুক্তিটি সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধাবসান ঘটবে। তবে শান্তি চুক্তি বজায় থাকার পরও যদি হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো হামলা বা উস্কানি আসে, তবে ইসরায়েলকে তার পাল্টা জবাব ও হামলার পূর্ণ অনুমতি দেওয়া হবে।
সূত্র: রয়টার্স

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি নয় ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য একটি খসড়া চুক্তিতে পৌঁছানোর ইঙ্গিত দিলেও নিজেদের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম অন্য কোনো দেশে হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইরান। তেহরানের একটি উচ্চপদস্থ সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানায়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা চললেও সেখানে ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের কোনো শর্ত অন্তর্ভুক্ত নেই। মূলত পারমাণবিক ইস্যুটিকে একটি চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনার জন্য তুলে রাখা হয়েছে, যা বর্তমান খসড়ার অংশ নয়।
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের দুজন কর্মকর্তা দাবি করেছিলেন, ইরান তাদের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে সম্মত হয়েছে। তবে মার্কিন প্রশাসনের এ দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে তেহরান জানিয়েছে, এমন কোনো প্রতিশ্রুতি তারা দেয়নি।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে দেওয়া অন্য এক সাক্ষাৎকারে ওয়াশিংটনের আরেক শীর্ষ কর্মকর্তা এ চুক্তির ভিন্ন কিছু শর্তের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, চুক্তিটি চূড়ান্ত হলে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ সম্পূর্ণ অবাধে ও বিনা টোলে চলাচলের অনুমতি দেবে। একই সঙ্গে প্রণালিটির যেসব স্থানে মাইন স্থাপন করা হয়েছিল, সেগুলোও অপসারণ করার প্রতিশ্রুতি দেবে তেহরান। এছাড়া, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না বলেও এই চুক্তিতে উল্লেখ থাকবে।
মার্কিন কর্মকর্তা আরও দাবি করেন, চুক্তিটি সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধাবসান ঘটবে। তবে শান্তি চুক্তি বজায় থাকার পরও যদি হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো হামলা বা উস্কানি আসে, তবে ইসরায়েলকে তার পাল্টা জবাব ও হামলার পূর্ণ অনুমতি দেওয়া হবে।
সূত্র: রয়টার্স

ইরান বিশ্ব সন্ত্রাসবাদের বড় পৃষ্ঠপোষক: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী


