কুয়েতে হামলায় ভারতীয় নিহত

কুয়েতে হামলায় ভারতীয় নিহত
সিটিজেন ডেস্ক

কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ এবং পানি লবণমুক্ত করার কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে একজন ভারতীয় কর্মী নিহত হয়েছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কুয়েত রাষ্ট্রের ওপর ইরানের চলমান আগ্রাসনের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে।
এতে কেন্দ্রটির একটি সার্ভিস বিল্ডিং বা সেবা ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি একজন নিরীহ ভারতীয় কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন।
হামলার পরপরই কুয়েতের কারিগরি ও জরুরি প্রতিক্রিয়া দলগুলো দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং কেন্দ্রটির কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে কাজ শুরু করে। কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটির কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয় সেদিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তবে এই হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম শুধুমাত্র কুয়েতি মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাতে ক্ষয়ক্ষতির খবর প্রচার করেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই কুয়েত বারবার হামলার শিকার হচ্ছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাতের রেশ কুয়েতের আকাশসীমায় নিয়মিত দেখা যাচ্ছে। গত রোববার সন্ধ্যায় কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের আকাশসীমায় ১৪টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১২টি ড্রোন শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে।
এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ড্রোন একটি সামরিক ক্যাম্প লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল, যেখানে অন্তত ১০ জন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
যুদ্ধের এই প্রসারের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা প্রবাসী শ্রমিকরা এখন চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছেন। কুয়েতের মতো শান্ত ও নিরাপদ দেশগুলোতেও ইরান ও পশ্চিমা শক্তির সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের পরিধি এভাবে বাড়তে থাকলে এই অঞ্চলের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো আরও বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়তে পারে।
বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে কুয়েত তার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করছে।
সূত্র: আল জাজিরা

কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ এবং পানি লবণমুক্ত করার কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে একজন ভারতীয় কর্মী নিহত হয়েছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কুয়েত রাষ্ট্রের ওপর ইরানের চলমান আগ্রাসনের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে।
এতে কেন্দ্রটির একটি সার্ভিস বিল্ডিং বা সেবা ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি একজন নিরীহ ভারতীয় কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন।
হামলার পরপরই কুয়েতের কারিগরি ও জরুরি প্রতিক্রিয়া দলগুলো দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং কেন্দ্রটির কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে কাজ শুরু করে। কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটির কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয় সেদিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তবে এই হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম শুধুমাত্র কুয়েতি মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাতে ক্ষয়ক্ষতির খবর প্রচার করেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই কুয়েত বারবার হামলার শিকার হচ্ছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাতের রেশ কুয়েতের আকাশসীমায় নিয়মিত দেখা যাচ্ছে। গত রোববার সন্ধ্যায় কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের আকাশসীমায় ১৪টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১২টি ড্রোন শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে।
এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ড্রোন একটি সামরিক ক্যাম্প লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল, যেখানে অন্তত ১০ জন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
যুদ্ধের এই প্রসারের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা প্রবাসী শ্রমিকরা এখন চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছেন। কুয়েতের মতো শান্ত ও নিরাপদ দেশগুলোতেও ইরান ও পশ্চিমা শক্তির সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের পরিধি এভাবে বাড়তে থাকলে এই অঞ্চলের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো আরও বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়তে পারে।
বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে কুয়েত তার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করছে।
সূত্র: আল জাজিরা

কুয়েতে হামলায় ভারতীয় নিহত
সিটিজেন ডেস্ক

কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ এবং পানি লবণমুক্ত করার কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে একজন ভারতীয় কর্মী নিহত হয়েছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কুয়েত রাষ্ট্রের ওপর ইরানের চলমান আগ্রাসনের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে।
এতে কেন্দ্রটির একটি সার্ভিস বিল্ডিং বা সেবা ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি একজন নিরীহ ভারতীয় কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন।
হামলার পরপরই কুয়েতের কারিগরি ও জরুরি প্রতিক্রিয়া দলগুলো দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং কেন্দ্রটির কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে কাজ শুরু করে। কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটির কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয় সেদিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তবে এই হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম শুধুমাত্র কুয়েতি মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাতে ক্ষয়ক্ষতির খবর প্রচার করেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই কুয়েত বারবার হামলার শিকার হচ্ছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাতের রেশ কুয়েতের আকাশসীমায় নিয়মিত দেখা যাচ্ছে। গত রোববার সন্ধ্যায় কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের আকাশসীমায় ১৪টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১২টি ড্রোন শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে।
এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ড্রোন একটি সামরিক ক্যাম্প লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল, যেখানে অন্তত ১০ জন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
যুদ্ধের এই প্রসারের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা প্রবাসী শ্রমিকরা এখন চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছেন। কুয়েতের মতো শান্ত ও নিরাপদ দেশগুলোতেও ইরান ও পশ্চিমা শক্তির সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের পরিধি এভাবে বাড়তে থাকলে এই অঞ্চলের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো আরও বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়তে পারে।
বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে কুয়েত তার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করছে।
সূত্র: আল জাজিরা




