শিরোনাম

৫০-৬০ রানের ঘাটতি দেখছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
৫০-৬০ রানের ঘাটতি দেখছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন
বাংলাদেশের সহকারী কোচ মোহাম্মাদ সালাউদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

মিরপুর টেস্টে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে এলেন সহকারী কোচ মোহাম্মাদ সালাউদ্দিন। সংবাদ সম্মেলনে প্রথম প্রশ্নের উত্তরে যা বললেন, তাতে ফুটে উঠলো দিনের চিত্র। ব্যাটিংয়ের ঘাটতি, বোলিংয়ের দুর্বলতা আর ঘুরে দাঁড়ানোর আশা শোনা গেল তার কণ্ঠে।

মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনটি ছিল বাংলাদেশের। ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দিন শেষ করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনে স্বাগতিকরা অলআউট হয়েছে ৪১৩ রানে। পাকিস্তান দিন শেষ করে ১ উইকেটে ১৭৯ রানে। আরও ২৩৪ রানে পিছিয়ে পাকিস্তান। হাতে আছে ৯ উইকেট। ফলে বলাই যায় দ্বিতীয় দিনটি পাকিস্তানের।

টেস্ট শুরুর আগে অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্তর চাওয়া ছিল প্রথম ইনিংসে ৪০০ রান। সেটি পূর্ণ হয়েছে। তবে আজ শনিবার (৯) সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের সহকারী কোচ বলছেন, আরও ৫০ রান করলে ভালো হতো। ঘাসের ছোঁয়া থাকা উইকেটে বাংলাদেশের পেস আক্রমণের ওপর ভরসা ছিল। কিন্তু তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন ও নাহিদ রানা হতাশ করেছেন।

সহকারী কোচ দিন শেষে মেনে নিলেন দুই বিভাগের ঘাটতি। ‘সকাল বেলা পাকিস্তান ভালো বোলিং করছে। আমাদের গড়াটা খুব কষ্ট ছিল। দিন শেষে আমরা তো ৪০০ রান ছাড়িয়েছি! যদিও আমার মনে হয়, আরও ৫০-৬০ রান করলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো। বোলিংটা আমি মনে করি যে আমরা একটু এলোমেলো করেছি।’

যে উইকেটে বাংলাদেশের পেসত্রয়ী রান বিলিয়েছেন, সেখানেই দিনের প্রথম ভাগে দারুণ বোলিং করেছেন মোহাম্মাদ আব্বাস। আজ চার উইকেটসহ ইনিংসে নিয়েছেন ৫ উইকেট।

আব্বাসের গতি বাংলাদেশের পেসারদের তুলনায় অনেক কম। ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার তিনি ছাড়াতে পারেন না বললেই চলে। কিন্তু কোন জায়গায় আব্বাস এগিয়ে জানালেন সালাউদ্দিন। ‘ও (আব্বাস) আসলে জায়গা ছাড়ে না। ধারাবাহিকভাবে একই জায়গায় বল করতে পারে। এটা তার একটা শক্তির জায়গা।’

পাকিস্তানের অভিষিক্ত ওপেনার আজান আওয়াইস দিন শেষে অপরাজিত ৮৫ রানে। আরেক অভিষিক্ত আব্দু্ল্লাহ ফাজাল দিন শেষ করেন ৩৭ রানে। এমন অনভিজ্ঞ দুই তরুণের সামনে কেন খাবি খেল বাংলাদেশের পেস বোলিং?

সালাউদ্দিন বলেন, ‘হতে পারে আসলে পুরোটাই মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার। কারণ যখন দেখবেন উইকেটে ঘাস আছে, তখন বোলারদের রোমাঞ্চিত হওয়ার চান্স থাকে। আমার মনে হয় ওখানেই আমরা ভুলটা করেছি।’

দিনটি হতাশার গেছে মানলেও আশা ছাড়ছেন না কোচ। ‘যেহেতু এটা টেস্ট ক্রিকেট, ঘুরে দাঁড়ানোর অনেক সুযোগ আছে। আমি মনে করি, আমরা কালকে (রবিবার) আবার ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারব।’

/টিই/