গাজা ফ্লোটিলার ২ কর্মীকে মুক্তি দেবে ইসরায়েল

গাজা ফ্লোটিলার ২ কর্মীকে মুক্তি দেবে ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

গাজা অভিমুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক হওয়া দুই অধিকার কর্মীকে মুক্তি দিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ। শনিবার (৯ মে) স্প্যানিশ-ফিলিস্তিনি সাইফ আবু কেশেক এবং ব্রাজিলের থিয়াগো আভিলাকে মুক্তি দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছে তাদের আইনি সহায়তাকারী মানবাধিকার সংস্থা ‘আদালাহ’।
মুক্তির পর নিয়ম অনুযায়ী তাদের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা সেখানেই হেফাজতে থাকবেন। অধিকার কর্মীদের আইনজীবী হাদিল আবু সালিহ জানিয়েছেন, কয়েক দিনের মধ্যেই তারা নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে যাত্রা করা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইসরায়েলি বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে। সে সময় জাহাজে থাকা ১৬৮ জন সদস্যকে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে ছেড়ে দেওয়া হলেও আবু কেশেক এবং আভিলাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ প্রক্রিয়াকে শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছেন মানবাধিকার আইনজীবীরা। তাদের দাবি, গাজার ওপর ইসরায়েলের দীর্ঘকালীন অবরোধকে চ্যালেঞ্জ করার অপরাধে প্রতিশোধ নিতেই কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই দুই কর্মীকে আটক রাখা হয়েছিল।
বন্দি অবস্থায় দুই অধিকার কর্মীর ওপর অমানবিক আচরণের অভিযোগ তুলেছে আদালাহ। সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখা হয়েছিল, যার প্রতিবাদে তারা আমরণ অনশন শুরু করেন। এমনকি আবু কেশেক মঙ্গলবার (৫ মে) থেকে পানি পান করাও বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ইসরায়েলি আদালত তাদের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী সংগঠনের’ সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুললেও আইনজীবীরা একে ‘ভিত্তিহীন এবং সাজানো নাটক’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। শেষ পর্যন্ত অধিকার সংস্থাগুলোর তীব্র চাপ এবং আইনি লড়াইয়ের মুখে কোনো আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন ছাড়াই তাদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। আদালাহ বর্তমানে তাদের মুক্তি এবং নিরাপদ প্রত্যাবাসনের বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজা অভিমুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক হওয়া দুই অধিকার কর্মীকে মুক্তি দিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ। শনিবার (৯ মে) স্প্যানিশ-ফিলিস্তিনি সাইফ আবু কেশেক এবং ব্রাজিলের থিয়াগো আভিলাকে মুক্তি দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছে তাদের আইনি সহায়তাকারী মানবাধিকার সংস্থা ‘আদালাহ’।
মুক্তির পর নিয়ম অনুযায়ী তাদের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা সেখানেই হেফাজতে থাকবেন। অধিকার কর্মীদের আইনজীবী হাদিল আবু সালিহ জানিয়েছেন, কয়েক দিনের মধ্যেই তারা নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে যাত্রা করা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইসরায়েলি বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে। সে সময় জাহাজে থাকা ১৬৮ জন সদস্যকে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে ছেড়ে দেওয়া হলেও আবু কেশেক এবং আভিলাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ প্রক্রিয়াকে শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছেন মানবাধিকার আইনজীবীরা। তাদের দাবি, গাজার ওপর ইসরায়েলের দীর্ঘকালীন অবরোধকে চ্যালেঞ্জ করার অপরাধে প্রতিশোধ নিতেই কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই দুই কর্মীকে আটক রাখা হয়েছিল।
বন্দি অবস্থায় দুই অধিকার কর্মীর ওপর অমানবিক আচরণের অভিযোগ তুলেছে আদালাহ। সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখা হয়েছিল, যার প্রতিবাদে তারা আমরণ অনশন শুরু করেন। এমনকি আবু কেশেক মঙ্গলবার (৫ মে) থেকে পানি পান করাও বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ইসরায়েলি আদালত তাদের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী সংগঠনের’ সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুললেও আইনজীবীরা একে ‘ভিত্তিহীন এবং সাজানো নাটক’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। শেষ পর্যন্ত অধিকার সংস্থাগুলোর তীব্র চাপ এবং আইনি লড়াইয়ের মুখে কোনো আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন ছাড়াই তাদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। আদালাহ বর্তমানে তাদের মুক্তি এবং নিরাপদ প্রত্যাবাসনের বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজা ফ্লোটিলার ২ কর্মীকে মুক্তি দেবে ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

গাজা অভিমুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক হওয়া দুই অধিকার কর্মীকে মুক্তি দিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ। শনিবার (৯ মে) স্প্যানিশ-ফিলিস্তিনি সাইফ আবু কেশেক এবং ব্রাজিলের থিয়াগো আভিলাকে মুক্তি দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছে তাদের আইনি সহায়তাকারী মানবাধিকার সংস্থা ‘আদালাহ’।
মুক্তির পর নিয়ম অনুযায়ী তাদের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা সেখানেই হেফাজতে থাকবেন। অধিকার কর্মীদের আইনজীবী হাদিল আবু সালিহ জানিয়েছেন, কয়েক দিনের মধ্যেই তারা নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে যাত্রা করা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইসরায়েলি বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে। সে সময় জাহাজে থাকা ১৬৮ জন সদস্যকে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে ছেড়ে দেওয়া হলেও আবু কেশেক এবং আভিলাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ প্রক্রিয়াকে শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছেন মানবাধিকার আইনজীবীরা। তাদের দাবি, গাজার ওপর ইসরায়েলের দীর্ঘকালীন অবরোধকে চ্যালেঞ্জ করার অপরাধে প্রতিশোধ নিতেই কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই দুই কর্মীকে আটক রাখা হয়েছিল।
বন্দি অবস্থায় দুই অধিকার কর্মীর ওপর অমানবিক আচরণের অভিযোগ তুলেছে আদালাহ। সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখা হয়েছিল, যার প্রতিবাদে তারা আমরণ অনশন শুরু করেন। এমনকি আবু কেশেক মঙ্গলবার (৫ মে) থেকে পানি পান করাও বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ইসরায়েলি আদালত তাদের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী সংগঠনের’ সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুললেও আইনজীবীরা একে ‘ভিত্তিহীন এবং সাজানো নাটক’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। শেষ পর্যন্ত অধিকার সংস্থাগুলোর তীব্র চাপ এবং আইনি লড়াইয়ের মুখে কোনো আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন ছাড়াই তাদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। আদালাহ বর্তমানে তাদের মুক্তি এবং নিরাপদ প্রত্যাবাসনের বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েলে ২ দিনের রিমান্ডে গাজা ফ্লোটিলার ২ সদস্য


