ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে চীনের ভূমিকা কী
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে চীনের ভূমিকা কী
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ১৯: ১৮

গ্রাফিক্সে তেহরানকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে চীন যে সামরিক গোয়েন্দা সুবিধাগুলো অর্জন করে তা দেখানো হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধে চীন এখন পর্যন্ত সরাসরি সামরিকভাবে জড়ায়নি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিং পুরো পরিস্থিতিকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিজেদের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় পরোক্ষভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের আন্তর্জাতিক রাজনীতির সহকারী অধ্যাপক মুহানাদ সেলুম আল জাজিরাকে বলেন, এই সংঘাত চীনের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয়। কারণ মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা শুধু আঞ্চলিক রাজনীতিকেই নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে—যার সঙ্গে চীনের অর্থনীতি সরাসরি যুক্ত।
সেলুমের মতে, যুদ্ধের সম্ভাব্য পরিণতি এতটাই ‘ব্যয়বহুল’ যে বেইজিং সরাসরি সামরিকভাবে ইরানকে সমর্থন করার পথে হাঁটেনি। তবে একই সঙ্গে তারা ইরানকে পুরোপুরি একা ছেড়ে দিতেও চায়নি।
তিনি বলেন, ‘চীন এমন একটি পরিস্থিতিও তৈরি হতে দিতে চায় না, যেখানে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় শুধু যুক্তরাষ্ট্রই সক্রিয় শক্তি হিসেবে দেখা যায়।’
তার মতে, বেইজিং মূলত কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নিয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাবের প্রসঙ্গ তুলে সেলুম বলেন, চীন ইতোমধ্যেই তাদের ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করেছে। এর মাধ্যমে তারা হরমুজ প্রণালি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে ইরানকে সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক চাপে পড়ে যেতে দেয়নি।
তবে সামরিক সহায়তার প্রশ্নে চীনের অবস্থান এখনো অনেক সতর্ক। সেলুম মনে করেন, অন্তত প্রকাশ্যে বেইজিং ইরানকে সামরিক সক্ষমতা দিয়ে সহায়তা করবে—এমন সম্ভাবনা কম।
তার ভাষায়, ‘এই মুহূর্তে সামরিকভাবে চীন ইরানকে সমর্থন করবে বলে মনে হয় না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা কিছু চীনা কোম্পানি হয়তো ইরানকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে থাকতে পারে।’
বিশ্লেষকদের মতে, চীন বর্তমানে এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নিতে চাইছে, যেখানে একদিকে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়াবে না, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের জ্বালানি ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থও অক্ষুণ্ণ রাখবে।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যেকোনো অস্থিতিশীলতা চীনের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। কারণ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি আমদানিকারক দেশ হিসেবে চীনের অর্থনীতি এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। ফলে ইরান যুদ্ধের প্রশ্নে বেইজিংয়ের প্রতিটি পদক্ষেপ এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধে চীন এখন পর্যন্ত সরাসরি সামরিকভাবে জড়ায়নি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিং পুরো পরিস্থিতিকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিজেদের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় পরোক্ষভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের আন্তর্জাতিক রাজনীতির সহকারী অধ্যাপক মুহানাদ সেলুম আল জাজিরাকে বলেন, এই সংঘাত চীনের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয়। কারণ মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা শুধু আঞ্চলিক রাজনীতিকেই নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে—যার সঙ্গে চীনের অর্থনীতি সরাসরি যুক্ত।
সেলুমের মতে, যুদ্ধের সম্ভাব্য পরিণতি এতটাই ‘ব্যয়বহুল’ যে বেইজিং সরাসরি সামরিকভাবে ইরানকে সমর্থন করার পথে হাঁটেনি। তবে একই সঙ্গে তারা ইরানকে পুরোপুরি একা ছেড়ে দিতেও চায়নি।
তিনি বলেন, ‘চীন এমন একটি পরিস্থিতিও তৈরি হতে দিতে চায় না, যেখানে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় শুধু যুক্তরাষ্ট্রই সক্রিয় শক্তি হিসেবে দেখা যায়।’
তার মতে, বেইজিং মূলত কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নিয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাবের প্রসঙ্গ তুলে সেলুম বলেন, চীন ইতোমধ্যেই তাদের ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করেছে। এর মাধ্যমে তারা হরমুজ প্রণালি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে ইরানকে সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক চাপে পড়ে যেতে দেয়নি।
তবে সামরিক সহায়তার প্রশ্নে চীনের অবস্থান এখনো অনেক সতর্ক। সেলুম মনে করেন, অন্তত প্রকাশ্যে বেইজিং ইরানকে সামরিক সক্ষমতা দিয়ে সহায়তা করবে—এমন সম্ভাবনা কম।
তার ভাষায়, ‘এই মুহূর্তে সামরিকভাবে চীন ইরানকে সমর্থন করবে বলে মনে হয় না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা কিছু চীনা কোম্পানি হয়তো ইরানকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে থাকতে পারে।’
বিশ্লেষকদের মতে, চীন বর্তমানে এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নিতে চাইছে, যেখানে একদিকে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়াবে না, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের জ্বালানি ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থও অক্ষুণ্ণ রাখবে।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যেকোনো অস্থিতিশীলতা চীনের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। কারণ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি আমদানিকারক দেশ হিসেবে চীনের অর্থনীতি এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। ফলে ইরান যুদ্ধের প্রশ্নে বেইজিংয়ের প্রতিটি পদক্ষেপ এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে চীনের ভূমিকা কী
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ১৯: ১৮

গ্রাফিক্সে তেহরানকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে চীন যে সামরিক গোয়েন্দা সুবিধাগুলো অর্জন করে তা দেখানো হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধে চীন এখন পর্যন্ত সরাসরি সামরিকভাবে জড়ায়নি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিং পুরো পরিস্থিতিকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিজেদের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় পরোক্ষভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের আন্তর্জাতিক রাজনীতির সহকারী অধ্যাপক মুহানাদ সেলুম আল জাজিরাকে বলেন, এই সংঘাত চীনের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয়। কারণ মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা শুধু আঞ্চলিক রাজনীতিকেই নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে—যার সঙ্গে চীনের অর্থনীতি সরাসরি যুক্ত।
সেলুমের মতে, যুদ্ধের সম্ভাব্য পরিণতি এতটাই ‘ব্যয়বহুল’ যে বেইজিং সরাসরি সামরিকভাবে ইরানকে সমর্থন করার পথে হাঁটেনি। তবে একই সঙ্গে তারা ইরানকে পুরোপুরি একা ছেড়ে দিতেও চায়নি।
তিনি বলেন, ‘চীন এমন একটি পরিস্থিতিও তৈরি হতে দিতে চায় না, যেখানে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় শুধু যুক্তরাষ্ট্রই সক্রিয় শক্তি হিসেবে দেখা যায়।’
তার মতে, বেইজিং মূলত কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নিয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাবের প্রসঙ্গ তুলে সেলুম বলেন, চীন ইতোমধ্যেই তাদের ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করেছে। এর মাধ্যমে তারা হরমুজ প্রণালি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে ইরানকে সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক চাপে পড়ে যেতে দেয়নি।
তবে সামরিক সহায়তার প্রশ্নে চীনের অবস্থান এখনো অনেক সতর্ক। সেলুম মনে করেন, অন্তত প্রকাশ্যে বেইজিং ইরানকে সামরিক সক্ষমতা দিয়ে সহায়তা করবে—এমন সম্ভাবনা কম।
তার ভাষায়, ‘এই মুহূর্তে সামরিকভাবে চীন ইরানকে সমর্থন করবে বলে মনে হয় না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা কিছু চীনা কোম্পানি হয়তো ইরানকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে থাকতে পারে।’
বিশ্লেষকদের মতে, চীন বর্তমানে এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নিতে চাইছে, যেখানে একদিকে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়াবে না, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের জ্বালানি ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থও অক্ষুণ্ণ রাখবে।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যেকোনো অস্থিতিশীলতা চীনের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। কারণ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি আমদানিকারক দেশ হিসেবে চীনের অর্থনীতি এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। ফলে ইরান যুদ্ধের প্রশ্নে বেইজিংয়ের প্রতিটি পদক্ষেপ এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




