সবচেয়ে বেশি পকেটমারি হয় বিশ্বের যে ১০ শহরে

সবচেয়ে বেশি পকেটমারি হয় বিশ্বের যে ১০ শহরে
সিটিজেন ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় পর্যটন শহরগুলো ঘিরে ভ্রমণকারীদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তবে সৌন্দর্য আর বিনোদনের পাশাপাশি কিছু শহর এখন পর্যটকদের জন্য পকেটমারি, চুরি ও প্রতারণার ঝুঁকির কারণেও আলোচনায় উঠে আসছে। ভ্রমণ বিমা প্রতিষ্ঠান ‘কম্পেয়ার দ্য মার্কেট’ বিশ্বের ৭৫টির বেশি শহরের পর্যটকদের রিভিউ বিশ্লেষণ করে এমনই একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে সবচেয়ে বেশি পকেটমারি ও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া শহরগুলোর নাম উঠে এসেছে। তবে সে তালিকায় নেই বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার নাম।
তালিকার শীর্ষে রয়েছে ব্যাংকক। দীর্ঘদিন ধরেই ব্যাংককের রাজপ্রাসাদ, বৌদ্ধমন্দির, নদীভ্রমণ ও স্ট্রিট ফুডের জন্য পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় এই শহর। তবে সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পর্যটকদের জন্য সবচেয়ে বেশি পকেটমারি ও প্রতারণার ঝুঁকি এখন এই শহরেই। বিশেষ করে গ্র্যান্ড প্যালেস এলাকায় চুরি ও প্রতারণার অভিযোগ সবচেয়ে বেশি।
পর্যটকদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, ভিড়ের সুযোগ নিয়ে ব্যাগ কেটে মানিব্যাগ বা মোবাইল ফোন চুরি, ভুয়া টিকিট বিক্রি এবং অতিরিক্ত দাম আদায়ের ঘটনা সেখানে প্রায় নিয়মিত। একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে ওয়াট ফো এবং চাতুচক উইকেন্ড মার্কেট এলাকাতেও। বিশেষ করে চাতুচক মার্কেটে ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া কিংবা কেনাকাটায় প্রতারণার ঘটনা নিয়ে বহু পর্যটক সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
এই গবেষণায় পর্যটকদের রিভিউ থেকে পকেটমারি, প্রতারণা ও চুরির অভিজ্ঞতার উল্লেখ সংগ্রহ করে প্রতিটি শহরের জন্য একটি ঝুঁকি স্কোর নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো শহরের স্কোর যত বেশি, সেটিকে তত বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। শুধু অপরাধের হার নয়, পর্যটকদের উদ্বেগ ও সতর্কবার্তাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই বিশ্লেষণে।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে প্যারিস। প্রেম ও শিল্পের শহর হিসেবে পরিচিত এই নগরীতে পকেটমারের ঘটনা প্রতারণার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেশি। বিশেষ করে ব্যস্ত পর্যটন এলাকা ও গণপরিবহনে মানিব্যাগ ও ফোন চুরির ঘটনা বেশি ঘটে।
তৃতীয় স্থানে থাকা চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে।
পর্যটকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভিড়ের মধ্যে মুহূর্তের মধ্যেই ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা সেখানে সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
চতুর্থ স্থানে থাকা সাংহাইয়ের পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। সেখানে পকেটমারির চেয়ে প্রতারণার অভিযোগ বেশি। ভুয়া ট্যুর গাইড, নকল পণ্য বিক্রি, অতিরিক্ত বিল কিংবা বিভিন্ন কৌশলে পর্যটকদের ফাঁদে ফেলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দেখা যায়।
পুরো তালিকা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ঝুঁকিপূর্ণ শহরের দিক থেকে ইউরোপ ও এশিয়ার অবস্থান সবচেয়ে বেশি। তালিকায় এশিয়ার ২৪টি এবং ইউরোপের ২৭টি শহরের নাম এসেছে। অন্যদিকে আমেরিকার শহর তুলনামূলক কম এবং সেগুলোর অবস্থানও তালিকার নিচের দিকে। এছাড়া সিডনি এবং মেলবোর্নও এই তালিকায় রয়েছে।
২০২৫ সালে পকেটমারি ও প্রতারণার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ১০ শহর হলো—
১. ব্যাংকক: ৮৩.৪৫
২. প্যারিস: ৬৮.৮১
৩. প্রাগ: ৫২.১৬
৪. সাংহাই: ৫১.৮৩
৫. আগ্রা: ৪৭.৪৮
৬. রোম: ৪৫.৫৩
৭. পাতায়া: ৪৪.৪৩
৮. ফুকেট: ৪০.৫২
৯. শেনজেন: ৩৯.৫১
১০. মুম্বাই: ৩৬.৮৬
বিশ্লেষকদের মতে, ভ্রমণ আনন্দ ও নতুন অভিজ্ঞতার দারুণ একটি মাধ্যম হলেও জনপ্রিয় পর্যটন শহরগুলোতে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি। আকর্ষণীয় গন্তব্যগুলোতে ভিড়, অপরিচিত পরিবেশ এবং পর্যটকদের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা সক্রিয় থাকে। তাই বিদেশ ভ্রমণে মানিব্যাগ, মোবাইল ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিরাপদে রাখা এবং অপরিচিতদের প্রলোভন বা অফার সম্পর্কে সতর্ক থাকাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় পর্যটন শহরগুলো ঘিরে ভ্রমণকারীদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তবে সৌন্দর্য আর বিনোদনের পাশাপাশি কিছু শহর এখন পর্যটকদের জন্য পকেটমারি, চুরি ও প্রতারণার ঝুঁকির কারণেও আলোচনায় উঠে আসছে। ভ্রমণ বিমা প্রতিষ্ঠান ‘কম্পেয়ার দ্য মার্কেট’ বিশ্বের ৭৫টির বেশি শহরের পর্যটকদের রিভিউ বিশ্লেষণ করে এমনই একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে সবচেয়ে বেশি পকেটমারি ও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া শহরগুলোর নাম উঠে এসেছে। তবে সে তালিকায় নেই বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার নাম।
তালিকার শীর্ষে রয়েছে ব্যাংকক। দীর্ঘদিন ধরেই ব্যাংককের রাজপ্রাসাদ, বৌদ্ধমন্দির, নদীভ্রমণ ও স্ট্রিট ফুডের জন্য পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় এই শহর। তবে সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পর্যটকদের জন্য সবচেয়ে বেশি পকেটমারি ও প্রতারণার ঝুঁকি এখন এই শহরেই। বিশেষ করে গ্র্যান্ড প্যালেস এলাকায় চুরি ও প্রতারণার অভিযোগ সবচেয়ে বেশি।
পর্যটকদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, ভিড়ের সুযোগ নিয়ে ব্যাগ কেটে মানিব্যাগ বা মোবাইল ফোন চুরি, ভুয়া টিকিট বিক্রি এবং অতিরিক্ত দাম আদায়ের ঘটনা সেখানে প্রায় নিয়মিত। একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে ওয়াট ফো এবং চাতুচক উইকেন্ড মার্কেট এলাকাতেও। বিশেষ করে চাতুচক মার্কেটে ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া কিংবা কেনাকাটায় প্রতারণার ঘটনা নিয়ে বহু পর্যটক সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
এই গবেষণায় পর্যটকদের রিভিউ থেকে পকেটমারি, প্রতারণা ও চুরির অভিজ্ঞতার উল্লেখ সংগ্রহ করে প্রতিটি শহরের জন্য একটি ঝুঁকি স্কোর নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো শহরের স্কোর যত বেশি, সেটিকে তত বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। শুধু অপরাধের হার নয়, পর্যটকদের উদ্বেগ ও সতর্কবার্তাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই বিশ্লেষণে।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে প্যারিস। প্রেম ও শিল্পের শহর হিসেবে পরিচিত এই নগরীতে পকেটমারের ঘটনা প্রতারণার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেশি। বিশেষ করে ব্যস্ত পর্যটন এলাকা ও গণপরিবহনে মানিব্যাগ ও ফোন চুরির ঘটনা বেশি ঘটে।
তৃতীয় স্থানে থাকা চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে।
পর্যটকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভিড়ের মধ্যে মুহূর্তের মধ্যেই ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা সেখানে সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
চতুর্থ স্থানে থাকা সাংহাইয়ের পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। সেখানে পকেটমারির চেয়ে প্রতারণার অভিযোগ বেশি। ভুয়া ট্যুর গাইড, নকল পণ্য বিক্রি, অতিরিক্ত বিল কিংবা বিভিন্ন কৌশলে পর্যটকদের ফাঁদে ফেলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দেখা যায়।
পুরো তালিকা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ঝুঁকিপূর্ণ শহরের দিক থেকে ইউরোপ ও এশিয়ার অবস্থান সবচেয়ে বেশি। তালিকায় এশিয়ার ২৪টি এবং ইউরোপের ২৭টি শহরের নাম এসেছে। অন্যদিকে আমেরিকার শহর তুলনামূলক কম এবং সেগুলোর অবস্থানও তালিকার নিচের দিকে। এছাড়া সিডনি এবং মেলবোর্নও এই তালিকায় রয়েছে।
২০২৫ সালে পকেটমারি ও প্রতারণার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ১০ শহর হলো—
১. ব্যাংকক: ৮৩.৪৫
২. প্যারিস: ৬৮.৮১
৩. প্রাগ: ৫২.১৬
৪. সাংহাই: ৫১.৮৩
৫. আগ্রা: ৪৭.৪৮
৬. রোম: ৪৫.৫৩
৭. পাতায়া: ৪৪.৪৩
৮. ফুকেট: ৪০.৫২
৯. শেনজেন: ৩৯.৫১
১০. মুম্বাই: ৩৬.৮৬
বিশ্লেষকদের মতে, ভ্রমণ আনন্দ ও নতুন অভিজ্ঞতার দারুণ একটি মাধ্যম হলেও জনপ্রিয় পর্যটন শহরগুলোতে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি। আকর্ষণীয় গন্তব্যগুলোতে ভিড়, অপরিচিত পরিবেশ এবং পর্যটকদের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা সক্রিয় থাকে। তাই বিদেশ ভ্রমণে মানিব্যাগ, মোবাইল ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিরাপদে রাখা এবং অপরিচিতদের প্রলোভন বা অফার সম্পর্কে সতর্ক থাকাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

সবচেয়ে বেশি পকেটমারি হয় বিশ্বের যে ১০ শহরে
সিটিজেন ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় পর্যটন শহরগুলো ঘিরে ভ্রমণকারীদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তবে সৌন্দর্য আর বিনোদনের পাশাপাশি কিছু শহর এখন পর্যটকদের জন্য পকেটমারি, চুরি ও প্রতারণার ঝুঁকির কারণেও আলোচনায় উঠে আসছে। ভ্রমণ বিমা প্রতিষ্ঠান ‘কম্পেয়ার দ্য মার্কেট’ বিশ্বের ৭৫টির বেশি শহরের পর্যটকদের রিভিউ বিশ্লেষণ করে এমনই একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে সবচেয়ে বেশি পকেটমারি ও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া শহরগুলোর নাম উঠে এসেছে। তবে সে তালিকায় নেই বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার নাম।
তালিকার শীর্ষে রয়েছে ব্যাংকক। দীর্ঘদিন ধরেই ব্যাংককের রাজপ্রাসাদ, বৌদ্ধমন্দির, নদীভ্রমণ ও স্ট্রিট ফুডের জন্য পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় এই শহর। তবে সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পর্যটকদের জন্য সবচেয়ে বেশি পকেটমারি ও প্রতারণার ঝুঁকি এখন এই শহরেই। বিশেষ করে গ্র্যান্ড প্যালেস এলাকায় চুরি ও প্রতারণার অভিযোগ সবচেয়ে বেশি।
পর্যটকদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, ভিড়ের সুযোগ নিয়ে ব্যাগ কেটে মানিব্যাগ বা মোবাইল ফোন চুরি, ভুয়া টিকিট বিক্রি এবং অতিরিক্ত দাম আদায়ের ঘটনা সেখানে প্রায় নিয়মিত। একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে ওয়াট ফো এবং চাতুচক উইকেন্ড মার্কেট এলাকাতেও। বিশেষ করে চাতুচক মার্কেটে ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া কিংবা কেনাকাটায় প্রতারণার ঘটনা নিয়ে বহু পর্যটক সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
এই গবেষণায় পর্যটকদের রিভিউ থেকে পকেটমারি, প্রতারণা ও চুরির অভিজ্ঞতার উল্লেখ সংগ্রহ করে প্রতিটি শহরের জন্য একটি ঝুঁকি স্কোর নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো শহরের স্কোর যত বেশি, সেটিকে তত বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। শুধু অপরাধের হার নয়, পর্যটকদের উদ্বেগ ও সতর্কবার্তাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই বিশ্লেষণে।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে প্যারিস। প্রেম ও শিল্পের শহর হিসেবে পরিচিত এই নগরীতে পকেটমারের ঘটনা প্রতারণার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেশি। বিশেষ করে ব্যস্ত পর্যটন এলাকা ও গণপরিবহনে মানিব্যাগ ও ফোন চুরির ঘটনা বেশি ঘটে।
তৃতীয় স্থানে থাকা চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে।
পর্যটকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভিড়ের মধ্যে মুহূর্তের মধ্যেই ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা সেখানে সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
চতুর্থ স্থানে থাকা সাংহাইয়ের পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। সেখানে পকেটমারির চেয়ে প্রতারণার অভিযোগ বেশি। ভুয়া ট্যুর গাইড, নকল পণ্য বিক্রি, অতিরিক্ত বিল কিংবা বিভিন্ন কৌশলে পর্যটকদের ফাঁদে ফেলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দেখা যায়।
পুরো তালিকা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ঝুঁকিপূর্ণ শহরের দিক থেকে ইউরোপ ও এশিয়ার অবস্থান সবচেয়ে বেশি। তালিকায় এশিয়ার ২৪টি এবং ইউরোপের ২৭টি শহরের নাম এসেছে। অন্যদিকে আমেরিকার শহর তুলনামূলক কম এবং সেগুলোর অবস্থানও তালিকার নিচের দিকে। এছাড়া সিডনি এবং মেলবোর্নও এই তালিকায় রয়েছে।
২০২৫ সালে পকেটমারি ও প্রতারণার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ১০ শহর হলো—
১. ব্যাংকক: ৮৩.৪৫
২. প্যারিস: ৬৮.৮১
৩. প্রাগ: ৫২.১৬
৪. সাংহাই: ৫১.৮৩
৫. আগ্রা: ৪৭.৪৮
৬. রোম: ৪৫.৫৩
৭. পাতায়া: ৪৪.৪৩
৮. ফুকেট: ৪০.৫২
৯. শেনজেন: ৩৯.৫১
১০. মুম্বাই: ৩৬.৮৬
বিশ্লেষকদের মতে, ভ্রমণ আনন্দ ও নতুন অভিজ্ঞতার দারুণ একটি মাধ্যম হলেও জনপ্রিয় পর্যটন শহরগুলোতে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি। আকর্ষণীয় গন্তব্যগুলোতে ভিড়, অপরিচিত পরিবেশ এবং পর্যটকদের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা সক্রিয় থাকে। তাই বিদেশ ভ্রমণে মানিব্যাগ, মোবাইল ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিরাপদে রাখা এবং অপরিচিতদের প্রলোভন বা অফার সম্পর্কে সতর্ক থাকাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

মানুষ কেন অন্ধকারকে ভয় পায়


