আকাশপথ ব্যবহারে সৌদি-কাতারের না, স্থগিত ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’

আকাশপথ ব্যবহারে সৌদি-কাতারের না, স্থগিত ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’
সিটিজেন ডেস্ক

আঞ্চলিক মিত্রদের অসহযোগিতার মুখে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাহারার পরিকল্পনা ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ থেকে পিছু হটতে বাধ্য হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সৌদি আরব ও কুয়েত তাদের আকাশসীমা ও সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় সাময়িকভাবে এ নৌ-অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি ব্যবহার কিংবা সৌদি আরবের আকাশসীমা দিয়ে মার্কিন যুদ্ধবিমান ওড়ার অনুমতি দিতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে রিয়াদ।
সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, রবিবার (৩ মে) ট্রাম্প যখন আকস্মিকভাবে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরুর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন, তখন সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো কার্যত অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ট্রাম্প সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে টেলিফোনে দীর্ঘ আলাপ করলেও কোনো কার্যকর সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। সৌদি আরবের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ জটিলতা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে জানান, সবকিছু খুব দ্রুত ঘটে যাওয়ায় সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে সৌদি আরব পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে।
এদিকে হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, আঞ্চলিক মিত্রদের আগেভাগেই এ বিশেষ অভিযান সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যের একজন কূটনীতিক এ দাবি নাকচ করে দিয়ে জানান, ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর কেবল ওমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ওয়াশিংটন। ওই কূটনীতিকের ভাষ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র আগে ঘোষণা দেয় এবং পরে সমন্বয়ের চেষ্টা করে। তবে এনবিসি নিউজের প্রতিবেদন বলছে ভিন্ন কথা। রবিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আকস্মিক ওই ঘোষণা সৌদি নেতৃত্বকে তীব্রভাবে হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে, যার প্রতিক্রিয়ায় দেশটি অবিলম্বে এই পরিকল্পনায় সমর্থন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়। মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, সৌদির পদাঙ্ক অনুসরণ করে কুয়েতও তাদের দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের পথ বন্ধ করে দিয়েছে।
ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত করার মাত্র এক দিন পরই ইরান পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তাদের নিজস্ব প্রস্তুতির কথা জানান দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ইরানের বন্দর ও সামুদ্রিক সংস্থা এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে কারিগরি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে তেহরান এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। ইরান আরও জানিয়েছে, তাদের জলসীমার কাছে অবস্থানরত যেকোনো বাণিজ্যিক জাহাজ প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি, খাদ্য ও উন্নত চিকিৎসা সহায়তা গ্রহণ করতে পারবে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আঞ্চলিক মিত্রদের অসহযোগিতার মুখে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাহারার পরিকল্পনা ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ থেকে পিছু হটতে বাধ্য হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সৌদি আরব ও কুয়েত তাদের আকাশসীমা ও সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় সাময়িকভাবে এ নৌ-অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি ব্যবহার কিংবা সৌদি আরবের আকাশসীমা দিয়ে মার্কিন যুদ্ধবিমান ওড়ার অনুমতি দিতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে রিয়াদ।
সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, রবিবার (৩ মে) ট্রাম্প যখন আকস্মিকভাবে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরুর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন, তখন সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো কার্যত অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ট্রাম্প সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে টেলিফোনে দীর্ঘ আলাপ করলেও কোনো কার্যকর সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। সৌদি আরবের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ জটিলতা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে জানান, সবকিছু খুব দ্রুত ঘটে যাওয়ায় সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে সৌদি আরব পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে।
এদিকে হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, আঞ্চলিক মিত্রদের আগেভাগেই এ বিশেষ অভিযান সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যের একজন কূটনীতিক এ দাবি নাকচ করে দিয়ে জানান, ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর কেবল ওমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ওয়াশিংটন। ওই কূটনীতিকের ভাষ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র আগে ঘোষণা দেয় এবং পরে সমন্বয়ের চেষ্টা করে। তবে এনবিসি নিউজের প্রতিবেদন বলছে ভিন্ন কথা। রবিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আকস্মিক ওই ঘোষণা সৌদি নেতৃত্বকে তীব্রভাবে হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে, যার প্রতিক্রিয়ায় দেশটি অবিলম্বে এই পরিকল্পনায় সমর্থন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়। মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, সৌদির পদাঙ্ক অনুসরণ করে কুয়েতও তাদের দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের পথ বন্ধ করে দিয়েছে।
ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত করার মাত্র এক দিন পরই ইরান পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তাদের নিজস্ব প্রস্তুতির কথা জানান দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ইরানের বন্দর ও সামুদ্রিক সংস্থা এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে কারিগরি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে তেহরান এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। ইরান আরও জানিয়েছে, তাদের জলসীমার কাছে অবস্থানরত যেকোনো বাণিজ্যিক জাহাজ প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি, খাদ্য ও উন্নত চিকিৎসা সহায়তা গ্রহণ করতে পারবে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আকাশপথ ব্যবহারে সৌদি-কাতারের না, স্থগিত ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’
সিটিজেন ডেস্ক

আঞ্চলিক মিত্রদের অসহযোগিতার মুখে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাহারার পরিকল্পনা ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ থেকে পিছু হটতে বাধ্য হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সৌদি আরব ও কুয়েত তাদের আকাশসীমা ও সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় সাময়িকভাবে এ নৌ-অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি ব্যবহার কিংবা সৌদি আরবের আকাশসীমা দিয়ে মার্কিন যুদ্ধবিমান ওড়ার অনুমতি দিতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে রিয়াদ।
সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, রবিবার (৩ মে) ট্রাম্প যখন আকস্মিকভাবে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরুর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন, তখন সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো কার্যত অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ট্রাম্প সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে টেলিফোনে দীর্ঘ আলাপ করলেও কোনো কার্যকর সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। সৌদি আরবের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ জটিলতা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে জানান, সবকিছু খুব দ্রুত ঘটে যাওয়ায় সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে সৌদি আরব পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে।
এদিকে হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, আঞ্চলিক মিত্রদের আগেভাগেই এ বিশেষ অভিযান সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যের একজন কূটনীতিক এ দাবি নাকচ করে দিয়ে জানান, ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর কেবল ওমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ওয়াশিংটন। ওই কূটনীতিকের ভাষ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র আগে ঘোষণা দেয় এবং পরে সমন্বয়ের চেষ্টা করে। তবে এনবিসি নিউজের প্রতিবেদন বলছে ভিন্ন কথা। রবিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আকস্মিক ওই ঘোষণা সৌদি নেতৃত্বকে তীব্রভাবে হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে, যার প্রতিক্রিয়ায় দেশটি অবিলম্বে এই পরিকল্পনায় সমর্থন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়। মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, সৌদির পদাঙ্ক অনুসরণ করে কুয়েতও তাদের দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের পথ বন্ধ করে দিয়েছে।
ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত করার মাত্র এক দিন পরই ইরান পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তাদের নিজস্ব প্রস্তুতির কথা জানান দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ইরানের বন্দর ও সামুদ্রিক সংস্থা এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে কারিগরি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে তেহরান এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। ইরান আরও জানিয়েছে, তাদের জলসীমার কাছে অবস্থানরত যেকোনো বাণিজ্যিক জাহাজ প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি, খাদ্য ও উন্নত চিকিৎসা সহায়তা গ্রহণ করতে পারবে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

নিরাপত্তা নিশ্চিতে হরমুজের দিকে অগ্রসর হচ্ছে ফরাসি রণতরি
হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সহায়তার ঘোষণা ইরানের


