চীনে রাষ্ট্রীয় ভোজে ট্রাম্পের সম্মানে ছিল গরুর পাঁজরের স্টেক

চীনে রাষ্ট্রীয় ভোজে ট্রাম্পের সম্মানে ছিল গরুর পাঁজরের স্টেক
সিটিজেন ডেস্ক

চীন সফরকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সৌজন্যে এক জমকালো রাষ্ট্রীয় ভোজের আয়োজন হয়। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আয়োজিত এই ভোজসভার খাদ্যতালিকা যেন কূটনীতিরই এক দারুণ দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। সেখানে চীনা ঐতিহ্যের পাশাপাশি গুরুত্ব পায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত পছন্দও।
চীনের রাষ্ট্রীয় ভোজের মূল আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত হুয়াইয়াং রন্ধনশৈলী। সাংহাইয়ের আশপাশের অঞ্চল থেকে এই রান্নার উৎপত্তি। হালকা ও স্নিগ্ধ স্বাদের জন্য এই খাবার বিশ্বজুড়েও সমাদৃত। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য মেনুতে আনা হয় বিশেষ পরিবর্তন। তার ‘ওয়েল-ডান’ বা সুসিদ্ধ স্টেক খাওয়ার পছন্দের প্রতি সম্মান জানিয়ে গরুর পাঁজরের মাংসের বিশেষ একটি পদ রাখা হয়। পাশাপাশি পরিবেশন করা হয় চীনের বিশ্বখ্যাত সিগনেচার ডিশ ‘বেইজিং হাঁসের রোস্ট’ বা ‘বেইজিং ডাক’।

মার্কিন অতিথিদের জন্য খাবারের তালিকায় ডেজার্ট বা মিষ্টির আইটেমগুলো রাখা হয় বেশ গুরুত্ব দিয়ে। পরিবেশন করা হয় তিরামিসু, ফল ও আইসক্রিম। এর সঙ্গে ছিল ‘ট্রাম্পেট-শেল’ বা শঙ্খ আকৃতির বিশেষ এক পেস্ট্রি।
কয়েক দশক ধরে চীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে খাবারকে কূটনীতির শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করছে। বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিদের আপ্যায়নেও তারা এই রীতি অনুসরণ করে। চীনের আধুনিক ইতিহাসে দুর্ভিক্ষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দীর্ঘ সময় খাবার নিয়ে টানাটানি ছিল। সেই অভাবের দিনগুলো খাবারকে চীনা সংস্কৃতিতে আভিজাত্যের প্রতীকে রূপান্তর করেছে।
চীন অনেক সময় বিদেশি অতিথিদের সম্মানে খাবারের নাম রেখেছে। ১৯৭১ সালে হেনরি কিসিঞ্জারের গোপন সফরের সময় তার জন্য বিশেষ এক মুরগির পদ তৈরি করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় ভোজের এসব মেনু পরে স্থানীয় রেস্তোরাঁগুলোও হুবহু অনুকরণ করে।
সাংহাইয়ের অভিজাত রেস্তোরাঁ ‘গুই হুয়া লো’র নির্বাহী শেফ শি ছিয়াং হুয়াইয়াং বলেন জানান, এই রান্নার প্রধান শক্তি হলো এর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা। এর স্বাদ ও ঘ্রাণ বিদেশি অতিথিসহ প্রায় সব মানুষের কাছেই বেশ প্রিয়। এই খাবার তাই যে কারও রুচির সঙ্গে সহজেই মানিয়ে যায়।
১৯৪৯ সালে চীন প্রতিষ্ঠার সময় ‘ফাউন্ডিং ব্যাংকুয়েট’ বা প্রতিষ্ঠাকালীন ভোজে এই খাবার পরিবেশন করা হয়েছিল। ১৯৯৯ সালে চীনের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ভোজসভায়ও ছিল এই রান্নার পদ। এ ছাড়া ২০০২ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সম্মানে যে ভোজসভার আয়োজন করেছিলেন, সেখানেও হুয়াইয়াং খাবার রাখা হয়েছিল।
হুয়াইয়াং রান্নার জনপ্রিয় পদের মধ্যে আছে সিংহের মাথার মতো আকৃতির নরম মাংসের মিটবল, ইয়াংঝু ফ্রায়েড রাইস এবং মিষ্টি-টক সসে ভাজা ‘স্কুইরেল ফিশ’। এছাড়া ‘ওয়েনসি তোফু’ নামের একটি পদও বেশ পরিচিত। এতে তোফুর একটি খণ্ডকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে কয়েক হাজার সরু সুতার মতো করে কাটা হয়।
ইয়াংসি নদী অববাহিকায় উৎপন্ন বিভিন্ন উপকরণ এই রান্নার মূল বৈশিষ্ট্য। শেফরা মিঠাপানির মাছ, ইল মাছ ও বাঁশের কোঁড়ল রান্নায় ব্যবহার করেন। খুব কম মসলা দিয়ে খাবারের স্বাভাবিক স্বাদ ও ঘ্রাণ বজায় রাখাই এ রান্নার প্রধান বৈশিষ্ট্য।

চীন সফরকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সৌজন্যে এক জমকালো রাষ্ট্রীয় ভোজের আয়োজন হয়। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আয়োজিত এই ভোজসভার খাদ্যতালিকা যেন কূটনীতিরই এক দারুণ দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। সেখানে চীনা ঐতিহ্যের পাশাপাশি গুরুত্ব পায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত পছন্দও।
চীনের রাষ্ট্রীয় ভোজের মূল আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত হুয়াইয়াং রন্ধনশৈলী। সাংহাইয়ের আশপাশের অঞ্চল থেকে এই রান্নার উৎপত্তি। হালকা ও স্নিগ্ধ স্বাদের জন্য এই খাবার বিশ্বজুড়েও সমাদৃত। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য মেনুতে আনা হয় বিশেষ পরিবর্তন। তার ‘ওয়েল-ডান’ বা সুসিদ্ধ স্টেক খাওয়ার পছন্দের প্রতি সম্মান জানিয়ে গরুর পাঁজরের মাংসের বিশেষ একটি পদ রাখা হয়। পাশাপাশি পরিবেশন করা হয় চীনের বিশ্বখ্যাত সিগনেচার ডিশ ‘বেইজিং হাঁসের রোস্ট’ বা ‘বেইজিং ডাক’।

মার্কিন অতিথিদের জন্য খাবারের তালিকায় ডেজার্ট বা মিষ্টির আইটেমগুলো রাখা হয় বেশ গুরুত্ব দিয়ে। পরিবেশন করা হয় তিরামিসু, ফল ও আইসক্রিম। এর সঙ্গে ছিল ‘ট্রাম্পেট-শেল’ বা শঙ্খ আকৃতির বিশেষ এক পেস্ট্রি।
কয়েক দশক ধরে চীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে খাবারকে কূটনীতির শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করছে। বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিদের আপ্যায়নেও তারা এই রীতি অনুসরণ করে। চীনের আধুনিক ইতিহাসে দুর্ভিক্ষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দীর্ঘ সময় খাবার নিয়ে টানাটানি ছিল। সেই অভাবের দিনগুলো খাবারকে চীনা সংস্কৃতিতে আভিজাত্যের প্রতীকে রূপান্তর করেছে।
চীন অনেক সময় বিদেশি অতিথিদের সম্মানে খাবারের নাম রেখেছে। ১৯৭১ সালে হেনরি কিসিঞ্জারের গোপন সফরের সময় তার জন্য বিশেষ এক মুরগির পদ তৈরি করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় ভোজের এসব মেনু পরে স্থানীয় রেস্তোরাঁগুলোও হুবহু অনুকরণ করে।
সাংহাইয়ের অভিজাত রেস্তোরাঁ ‘গুই হুয়া লো’র নির্বাহী শেফ শি ছিয়াং হুয়াইয়াং বলেন জানান, এই রান্নার প্রধান শক্তি হলো এর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা। এর স্বাদ ও ঘ্রাণ বিদেশি অতিথিসহ প্রায় সব মানুষের কাছেই বেশ প্রিয়। এই খাবার তাই যে কারও রুচির সঙ্গে সহজেই মানিয়ে যায়।
১৯৪৯ সালে চীন প্রতিষ্ঠার সময় ‘ফাউন্ডিং ব্যাংকুয়েট’ বা প্রতিষ্ঠাকালীন ভোজে এই খাবার পরিবেশন করা হয়েছিল। ১৯৯৯ সালে চীনের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ভোজসভায়ও ছিল এই রান্নার পদ। এ ছাড়া ২০০২ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সম্মানে যে ভোজসভার আয়োজন করেছিলেন, সেখানেও হুয়াইয়াং খাবার রাখা হয়েছিল।
হুয়াইয়াং রান্নার জনপ্রিয় পদের মধ্যে আছে সিংহের মাথার মতো আকৃতির নরম মাংসের মিটবল, ইয়াংঝু ফ্রায়েড রাইস এবং মিষ্টি-টক সসে ভাজা ‘স্কুইরেল ফিশ’। এছাড়া ‘ওয়েনসি তোফু’ নামের একটি পদও বেশ পরিচিত। এতে তোফুর একটি খণ্ডকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে কয়েক হাজার সরু সুতার মতো করে কাটা হয়।
ইয়াংসি নদী অববাহিকায় উৎপন্ন বিভিন্ন উপকরণ এই রান্নার মূল বৈশিষ্ট্য। শেফরা মিঠাপানির মাছ, ইল মাছ ও বাঁশের কোঁড়ল রান্নায় ব্যবহার করেন। খুব কম মসলা দিয়ে খাবারের স্বাভাবিক স্বাদ ও ঘ্রাণ বজায় রাখাই এ রান্নার প্রধান বৈশিষ্ট্য।

চীনে রাষ্ট্রীয় ভোজে ট্রাম্পের সম্মানে ছিল গরুর পাঁজরের স্টেক
সিটিজেন ডেস্ক

চীন সফরকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সৌজন্যে এক জমকালো রাষ্ট্রীয় ভোজের আয়োজন হয়। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আয়োজিত এই ভোজসভার খাদ্যতালিকা যেন কূটনীতিরই এক দারুণ দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। সেখানে চীনা ঐতিহ্যের পাশাপাশি গুরুত্ব পায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত পছন্দও।
চীনের রাষ্ট্রীয় ভোজের মূল আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত হুয়াইয়াং রন্ধনশৈলী। সাংহাইয়ের আশপাশের অঞ্চল থেকে এই রান্নার উৎপত্তি। হালকা ও স্নিগ্ধ স্বাদের জন্য এই খাবার বিশ্বজুড়েও সমাদৃত। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য মেনুতে আনা হয় বিশেষ পরিবর্তন। তার ‘ওয়েল-ডান’ বা সুসিদ্ধ স্টেক খাওয়ার পছন্দের প্রতি সম্মান জানিয়ে গরুর পাঁজরের মাংসের বিশেষ একটি পদ রাখা হয়। পাশাপাশি পরিবেশন করা হয় চীনের বিশ্বখ্যাত সিগনেচার ডিশ ‘বেইজিং হাঁসের রোস্ট’ বা ‘বেইজিং ডাক’।

মার্কিন অতিথিদের জন্য খাবারের তালিকায় ডেজার্ট বা মিষ্টির আইটেমগুলো রাখা হয় বেশ গুরুত্ব দিয়ে। পরিবেশন করা হয় তিরামিসু, ফল ও আইসক্রিম। এর সঙ্গে ছিল ‘ট্রাম্পেট-শেল’ বা শঙ্খ আকৃতির বিশেষ এক পেস্ট্রি।
কয়েক দশক ধরে চীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে খাবারকে কূটনীতির শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করছে। বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিদের আপ্যায়নেও তারা এই রীতি অনুসরণ করে। চীনের আধুনিক ইতিহাসে দুর্ভিক্ষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দীর্ঘ সময় খাবার নিয়ে টানাটানি ছিল। সেই অভাবের দিনগুলো খাবারকে চীনা সংস্কৃতিতে আভিজাত্যের প্রতীকে রূপান্তর করেছে।
চীন অনেক সময় বিদেশি অতিথিদের সম্মানে খাবারের নাম রেখেছে। ১৯৭১ সালে হেনরি কিসিঞ্জারের গোপন সফরের সময় তার জন্য বিশেষ এক মুরগির পদ তৈরি করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় ভোজের এসব মেনু পরে স্থানীয় রেস্তোরাঁগুলোও হুবহু অনুকরণ করে।
সাংহাইয়ের অভিজাত রেস্তোরাঁ ‘গুই হুয়া লো’র নির্বাহী শেফ শি ছিয়াং হুয়াইয়াং বলেন জানান, এই রান্নার প্রধান শক্তি হলো এর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা। এর স্বাদ ও ঘ্রাণ বিদেশি অতিথিসহ প্রায় সব মানুষের কাছেই বেশ প্রিয়। এই খাবার তাই যে কারও রুচির সঙ্গে সহজেই মানিয়ে যায়।
১৯৪৯ সালে চীন প্রতিষ্ঠার সময় ‘ফাউন্ডিং ব্যাংকুয়েট’ বা প্রতিষ্ঠাকালীন ভোজে এই খাবার পরিবেশন করা হয়েছিল। ১৯৯৯ সালে চীনের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ভোজসভায়ও ছিল এই রান্নার পদ। এ ছাড়া ২০০২ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সম্মানে যে ভোজসভার আয়োজন করেছিলেন, সেখানেও হুয়াইয়াং খাবার রাখা হয়েছিল।
হুয়াইয়াং রান্নার জনপ্রিয় পদের মধ্যে আছে সিংহের মাথার মতো আকৃতির নরম মাংসের মিটবল, ইয়াংঝু ফ্রায়েড রাইস এবং মিষ্টি-টক সসে ভাজা ‘স্কুইরেল ফিশ’। এছাড়া ‘ওয়েনসি তোফু’ নামের একটি পদও বেশ পরিচিত। এতে তোফুর একটি খণ্ডকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে কয়েক হাজার সরু সুতার মতো করে কাটা হয়।
ইয়াংসি নদী অববাহিকায় উৎপন্ন বিভিন্ন উপকরণ এই রান্নার মূল বৈশিষ্ট্য। শেফরা মিঠাপানির মাছ, ইল মাছ ও বাঁশের কোঁড়ল রান্নায় ব্যবহার করেন। খুব কম মসলা দিয়ে খাবারের স্বাভাবিক স্বাদ ও ঘ্রাণ বজায় রাখাই এ রান্নার প্রধান বৈশিষ্ট্য।

বৈঠকে কী চুক্তি করলেন ট্রাম্প-শি


