ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ২০ বছর স্থগিতে রাজি ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ২০ বছর স্থগিতে রাজি ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ২২: ৩০

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নিজের দীর্ঘদিনের কট্টর অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীন সফর শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, তেহরান যদি প্রকৃত প্রতিশ্রুতি দেয়, তবে তিনি দেশটির পরমাণু কর্মসূচি ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখার বিষয়টি মেনে নিতে প্রস্তুত আছেন।
ট্রাম্পের এ মন্তব্যকে তার আগের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং পরমাণু অস্ত্র চিরতরে বন্ধ করার কঠোর নীতি থেকে সরে আসার বড় ধরনের মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির সানসেট ক্লজ বা নির্দিষ্ট সময় পর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার বিষয়টিকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তি থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। তখন তার দাবি ছিল, তিনি উত্তরসূরিদের জন্য কোনো অমীমাংসিত সমস্যা রেখে যেতে চান না। তবে এখন ২০ বছরের স্থগিতাদেশের কথা বলে তিনি অনেকটা সেই আগের কাঠামোর দিকেই ঝুঁকছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ট্রাম্প বলেন, ২০ বছরই যথেষ্ট তবে ইরানের পক্ষ থেকে প্রকৃত গ্যারান্টি দিতে হবে।
এদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পরমাণু অস্ত্র অর্জন রোধ এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন ট্রাম্প। তেহরান অবশ্য বরাবরই পরমাণু অস্ত্র তৈরির বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে, যদিও আন্তর্জাতিক পরিদর্শক দলকে বাধা প্রদান এবং উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অব্যাহত রাখায় পশ্চিমাদের উদ্বেগ কাটেনি। উল্লেখ্য, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও স্থায়ী শান্তি চুক্তির আলোচনা বর্তমানে স্থবির হয়ে আছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলমান সংলাপে ইসরায়েল সরাসরি যুক্ত নেই। একই সঙ্গে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান থেকে তেল কেনা চীনা কোম্পানিগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে তিনি দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বা ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের মতো যুদ্ধের মূল লক্ষ্যগুলো এখনো অর্জিত হয়নি বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নিজের দীর্ঘদিনের কট্টর অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীন সফর শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, তেহরান যদি প্রকৃত প্রতিশ্রুতি দেয়, তবে তিনি দেশটির পরমাণু কর্মসূচি ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখার বিষয়টি মেনে নিতে প্রস্তুত আছেন।
ট্রাম্পের এ মন্তব্যকে তার আগের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং পরমাণু অস্ত্র চিরতরে বন্ধ করার কঠোর নীতি থেকে সরে আসার বড় ধরনের মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির সানসেট ক্লজ বা নির্দিষ্ট সময় পর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার বিষয়টিকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তি থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। তখন তার দাবি ছিল, তিনি উত্তরসূরিদের জন্য কোনো অমীমাংসিত সমস্যা রেখে যেতে চান না। তবে এখন ২০ বছরের স্থগিতাদেশের কথা বলে তিনি অনেকটা সেই আগের কাঠামোর দিকেই ঝুঁকছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ট্রাম্প বলেন, ২০ বছরই যথেষ্ট তবে ইরানের পক্ষ থেকে প্রকৃত গ্যারান্টি দিতে হবে।
এদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পরমাণু অস্ত্র অর্জন রোধ এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন ট্রাম্প। তেহরান অবশ্য বরাবরই পরমাণু অস্ত্র তৈরির বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে, যদিও আন্তর্জাতিক পরিদর্শক দলকে বাধা প্রদান এবং উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অব্যাহত রাখায় পশ্চিমাদের উদ্বেগ কাটেনি। উল্লেখ্য, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও স্থায়ী শান্তি চুক্তির আলোচনা বর্তমানে স্থবির হয়ে আছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলমান সংলাপে ইসরায়েল সরাসরি যুক্ত নেই। একই সঙ্গে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান থেকে তেল কেনা চীনা কোম্পানিগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে তিনি দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বা ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের মতো যুদ্ধের মূল লক্ষ্যগুলো এখনো অর্জিত হয়নি বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ২০ বছর স্থগিতে রাজি ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ২২: ৩০

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নিজের দীর্ঘদিনের কট্টর অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীন সফর শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, তেহরান যদি প্রকৃত প্রতিশ্রুতি দেয়, তবে তিনি দেশটির পরমাণু কর্মসূচি ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখার বিষয়টি মেনে নিতে প্রস্তুত আছেন।
ট্রাম্পের এ মন্তব্যকে তার আগের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং পরমাণু অস্ত্র চিরতরে বন্ধ করার কঠোর নীতি থেকে সরে আসার বড় ধরনের মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির সানসেট ক্লজ বা নির্দিষ্ট সময় পর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার বিষয়টিকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তি থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। তখন তার দাবি ছিল, তিনি উত্তরসূরিদের জন্য কোনো অমীমাংসিত সমস্যা রেখে যেতে চান না। তবে এখন ২০ বছরের স্থগিতাদেশের কথা বলে তিনি অনেকটা সেই আগের কাঠামোর দিকেই ঝুঁকছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ট্রাম্প বলেন, ২০ বছরই যথেষ্ট তবে ইরানের পক্ষ থেকে প্রকৃত গ্যারান্টি দিতে হবে।
এদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পরমাণু অস্ত্র অর্জন রোধ এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন ট্রাম্প। তেহরান অবশ্য বরাবরই পরমাণু অস্ত্র তৈরির বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে, যদিও আন্তর্জাতিক পরিদর্শক দলকে বাধা প্রদান এবং উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অব্যাহত রাখায় পশ্চিমাদের উদ্বেগ কাটেনি। উল্লেখ্য, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও স্থায়ী শান্তি চুক্তির আলোচনা বর্তমানে স্থবির হয়ে আছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলমান সংলাপে ইসরায়েল সরাসরি যুক্ত নেই। একই সঙ্গে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান থেকে তেল কেনা চীনা কোম্পানিগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে তিনি দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বা ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের মতো যুদ্ধের মূল লক্ষ্যগুলো এখনো অর্জিত হয়নি বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
/এমএকে/

ইরানে সমন্বিত হামলায় আরব দেশগুলোকে উসকানি দেয় আমিরাত


