রাজধানীতে ৬৯০ এসি বাসের অনুমোদন পেলো ৮ কোম্পানি
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীতে ৬৯০ এসি বাসের অনুমোদন পেলো ৮ কোম্পানি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৬: ৫৩

রাজধানীর গুলশান এলাকায় চলাচল করা এসি বাস।
রাজধানীর বিভিন্ন রুটে ৮টি পরিবহন কোম্পানিকে মোট ৬৯০টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাস চালানোর অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রো যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটি। যাত্রীদের জন্য আধুনিক, নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করতেই এসব বাসের রুট পারমিট দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিটি।
ঢাকায় গণপরিবহনের রুট পারমিট প্রদান, নতুন রুট নির্ধারণ এবং পরিবহন কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করা হয় ঢাকা মেট্রো যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটির মাধ্যমে। পদাধিকারবলে এ কমিটির প্রধান ঢাকা মহানগর পুলিশপ্রধান (ডিএমপি কমিশনার)।
সর্বশেষ সভায় অনুমোদন পাওয়া বাসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি, ২০০টি এসি বাস চালাবে শাপলা পরিবহন। এসব বাস চন্দ্রা থেকে ধোলাইখাল রুটে চলবে। চিত্রা পরিবহন লিমিটেড সাভারের নন্দনপার্ক থেকে মদনপুর রুটে ১২০টি বাস চালানোর অনুমতি পেয়েছে। টাইম বার্ড এক্সপ্রেসের ১০০টি বাস চলবে সাভার থেকে কালিগঞ্জ বাজার রুটে।
স্প্রিন্ট শাটল প্রাইভেট লিমিটেড দুটি রুটে মোট ১০০টি বাস নামানোর অনুমোদন লাভ করেছে। এগুলো হলো– বাড়ইপাড়া থেকে চিটাগং রোড এবং বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল থেকে উত্তরার পঞ্চবটী রুট। ইকবাল এন্টারপ্রাইজ ৫০টি বাস পঞ্চবটী থেকে কেরানীগঞ্জ রুটে চালাতে পারবে।
নিউ ঢাকা পরিবহন সাইনবোর্ড থেকে গাজীপুর শিববাড়ি রুটে ৫০টি, ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসেস সিএমএইচ (ঢাকা সেনানিবাস) থেকে জলসিঁড়ি অফিস পর্যন্ত দুটি ভিন্ন ভায়া রুটে ৪০টি ও ঢাকা ট্রান্সপোর্ট লাইন কমলাপুর থেকে নারায়ণগঞ্জের বন্দর রুটে ৩০টি এসি বাসের পারমিট পেয়েছে।
নতুন অনুমোদন পাওয়া বাসগুলোতে বাধ্যতামূলকভাবে অটো-ডোর ও ই-টিকেটিং ব্যবস্থা রাখতে হবে। পাশাপাশি প্রচলিত চুক্তিভিত্তিক (কন্ট্রাক্ট) ব্যবস্থা বাদ দিয়ে কাউন্টারভিত্তিক সেবা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই কোম্পানির সব বাসের রং এক রাখতে হবে এবং বাসে রুট নম্বর ও কোম্পানির নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম বলেন, মহানগরীতে এসি বাস চালু হলে নন-এসি বাসের চাপ কমবে। তবে ভিন্ন ভিন্ন রুটে আলাদা ভাড়ার পরিবর্তে একটি সুনির্দিষ্ট ভাড়া কাঠামো তৈরি করতে হবে।
ঢাকায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) অনুমোদিত বাস রুট রয়েছে ৩৮৮টি। যদিও ২৫০টিরও বেশি রুট বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।
ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) তথ্য বলছে, মহানগরীর ১২৮টি রুটে ৭ হাজার ৯১টি বাস নিবন্ধিত থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার বাস রাস্তায় চলে। এর মধ্যে নিজস্ব রুটে চলছে ৩ হাজার ৪২৭টি বাস। অন্য রুটে চলছে ২ হাজার ১৮টি। ১ হাজার ৬৪৬টি বাসের কোনো রুট পারমিটই নেই।

রাজধানীর বিভিন্ন রুটে ৮টি পরিবহন কোম্পানিকে মোট ৬৯০টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাস চালানোর অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রো যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটি। যাত্রীদের জন্য আধুনিক, নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করতেই এসব বাসের রুট পারমিট দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিটি।
ঢাকায় গণপরিবহনের রুট পারমিট প্রদান, নতুন রুট নির্ধারণ এবং পরিবহন কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করা হয় ঢাকা মেট্রো যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটির মাধ্যমে। পদাধিকারবলে এ কমিটির প্রধান ঢাকা মহানগর পুলিশপ্রধান (ডিএমপি কমিশনার)।
সর্বশেষ সভায় অনুমোদন পাওয়া বাসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি, ২০০টি এসি বাস চালাবে শাপলা পরিবহন। এসব বাস চন্দ্রা থেকে ধোলাইখাল রুটে চলবে। চিত্রা পরিবহন লিমিটেড সাভারের নন্দনপার্ক থেকে মদনপুর রুটে ১২০টি বাস চালানোর অনুমতি পেয়েছে। টাইম বার্ড এক্সপ্রেসের ১০০টি বাস চলবে সাভার থেকে কালিগঞ্জ বাজার রুটে।
স্প্রিন্ট শাটল প্রাইভেট লিমিটেড দুটি রুটে মোট ১০০টি বাস নামানোর অনুমোদন লাভ করেছে। এগুলো হলো– বাড়ইপাড়া থেকে চিটাগং রোড এবং বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল থেকে উত্তরার পঞ্চবটী রুট। ইকবাল এন্টারপ্রাইজ ৫০টি বাস পঞ্চবটী থেকে কেরানীগঞ্জ রুটে চালাতে পারবে।
নিউ ঢাকা পরিবহন সাইনবোর্ড থেকে গাজীপুর শিববাড়ি রুটে ৫০টি, ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসেস সিএমএইচ (ঢাকা সেনানিবাস) থেকে জলসিঁড়ি অফিস পর্যন্ত দুটি ভিন্ন ভায়া রুটে ৪০টি ও ঢাকা ট্রান্সপোর্ট লাইন কমলাপুর থেকে নারায়ণগঞ্জের বন্দর রুটে ৩০টি এসি বাসের পারমিট পেয়েছে।
নতুন অনুমোদন পাওয়া বাসগুলোতে বাধ্যতামূলকভাবে অটো-ডোর ও ই-টিকেটিং ব্যবস্থা রাখতে হবে। পাশাপাশি প্রচলিত চুক্তিভিত্তিক (কন্ট্রাক্ট) ব্যবস্থা বাদ দিয়ে কাউন্টারভিত্তিক সেবা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই কোম্পানির সব বাসের রং এক রাখতে হবে এবং বাসে রুট নম্বর ও কোম্পানির নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম বলেন, মহানগরীতে এসি বাস চালু হলে নন-এসি বাসের চাপ কমবে। তবে ভিন্ন ভিন্ন রুটে আলাদা ভাড়ার পরিবর্তে একটি সুনির্দিষ্ট ভাড়া কাঠামো তৈরি করতে হবে।
ঢাকায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) অনুমোদিত বাস রুট রয়েছে ৩৮৮টি। যদিও ২৫০টিরও বেশি রুট বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।
ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) তথ্য বলছে, মহানগরীর ১২৮টি রুটে ৭ হাজার ৯১টি বাস নিবন্ধিত থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার বাস রাস্তায় চলে। এর মধ্যে নিজস্ব রুটে চলছে ৩ হাজার ৪২৭টি বাস। অন্য রুটে চলছে ২ হাজার ১৮টি। ১ হাজার ৬৪৬টি বাসের কোনো রুট পারমিটই নেই।

রাজধানীতে ৬৯০ এসি বাসের অনুমোদন পেলো ৮ কোম্পানি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৬: ৫৩

রাজধানীর গুলশান এলাকায় চলাচল করা এসি বাস।
রাজধানীর বিভিন্ন রুটে ৮টি পরিবহন কোম্পানিকে মোট ৬৯০টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাস চালানোর অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রো যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটি। যাত্রীদের জন্য আধুনিক, নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করতেই এসব বাসের রুট পারমিট দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিটি।
ঢাকায় গণপরিবহনের রুট পারমিট প্রদান, নতুন রুট নির্ধারণ এবং পরিবহন কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করা হয় ঢাকা মেট্রো যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটির মাধ্যমে। পদাধিকারবলে এ কমিটির প্রধান ঢাকা মহানগর পুলিশপ্রধান (ডিএমপি কমিশনার)।
সর্বশেষ সভায় অনুমোদন পাওয়া বাসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি, ২০০টি এসি বাস চালাবে শাপলা পরিবহন। এসব বাস চন্দ্রা থেকে ধোলাইখাল রুটে চলবে। চিত্রা পরিবহন লিমিটেড সাভারের নন্দনপার্ক থেকে মদনপুর রুটে ১২০টি বাস চালানোর অনুমতি পেয়েছে। টাইম বার্ড এক্সপ্রেসের ১০০টি বাস চলবে সাভার থেকে কালিগঞ্জ বাজার রুটে।
স্প্রিন্ট শাটল প্রাইভেট লিমিটেড দুটি রুটে মোট ১০০টি বাস নামানোর অনুমোদন লাভ করেছে। এগুলো হলো– বাড়ইপাড়া থেকে চিটাগং রোড এবং বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল থেকে উত্তরার পঞ্চবটী রুট। ইকবাল এন্টারপ্রাইজ ৫০টি বাস পঞ্চবটী থেকে কেরানীগঞ্জ রুটে চালাতে পারবে।
নিউ ঢাকা পরিবহন সাইনবোর্ড থেকে গাজীপুর শিববাড়ি রুটে ৫০টি, ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসেস সিএমএইচ (ঢাকা সেনানিবাস) থেকে জলসিঁড়ি অফিস পর্যন্ত দুটি ভিন্ন ভায়া রুটে ৪০টি ও ঢাকা ট্রান্সপোর্ট লাইন কমলাপুর থেকে নারায়ণগঞ্জের বন্দর রুটে ৩০টি এসি বাসের পারমিট পেয়েছে।
নতুন অনুমোদন পাওয়া বাসগুলোতে বাধ্যতামূলকভাবে অটো-ডোর ও ই-টিকেটিং ব্যবস্থা রাখতে হবে। পাশাপাশি প্রচলিত চুক্তিভিত্তিক (কন্ট্রাক্ট) ব্যবস্থা বাদ দিয়ে কাউন্টারভিত্তিক সেবা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই কোম্পানির সব বাসের রং এক রাখতে হবে এবং বাসে রুট নম্বর ও কোম্পানির নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম বলেন, মহানগরীতে এসি বাস চালু হলে নন-এসি বাসের চাপ কমবে। তবে ভিন্ন ভিন্ন রুটে আলাদা ভাড়ার পরিবর্তে একটি সুনির্দিষ্ট ভাড়া কাঠামো তৈরি করতে হবে।
ঢাকায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) অনুমোদিত বাস রুট রয়েছে ৩৮৮টি। যদিও ২৫০টিরও বেশি রুট বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।
ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) তথ্য বলছে, মহানগরীর ১২৮টি রুটে ৭ হাজার ৯১টি বাস নিবন্ধিত থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার বাস রাস্তায় চলে। এর মধ্যে নিজস্ব রুটে চলছে ৩ হাজার ৪২৭টি বাস। অন্য রুটে চলছে ২ হাজার ১৮টি। ১ হাজার ৬৪৬টি বাসের কোনো রুট পারমিটই নেই।
/এফসি/

রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভা


