শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো জাপান
সিটিজেন ডেস্ক

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো জাপান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ২১: ১৭

ছবি: সংগৃহীত
শুক্রবার (১৫ মে) জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় মিয়াগি প্রিফেকচার উপকূলে ৬.৩ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি এবং কোনো সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।
দেশটির আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ৮টা ২২ মিনিটে ভূ-কম্পনটি অনুভূত হয়। এর আগে এপ্রিল মাসেও একই অঞ্চলের কাছাকাছি এলাকায় ৭.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে তখন সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর জেএমএ বিশেষ সতর্কতা তুলে নিলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগ সতর্ক করেছে, ওই অঞ্চলে এখনো বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়ে গেছে।
জাপানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এনএইচকে নিশ্চিত করেছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল থেকে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মিয়াগি ও ফুকুশিমা অঞ্চলের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে কোনো অস্বাভাবিকতা বা যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েনি। তবে বাড়তি সতর্কতার অংশ হিসেবে এবং লাইন পরীক্ষার জন্য দেশটির দ্রুতগতির শিনকানসেন বুলেট ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অব ফায়ার অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ, যেখানে চারটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগ রয়েছে। ২০১১ সালের প্রলয়ঙ্কারী ৯ মাত্রার ভূমিকম্প ও পরবর্তী সুনামিতে প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ মানুষের প্রাণহানি এবং ফুকুশিমা পারমাণবিক কেন্দ্রের ভয়াবহ বিপর্যয়ের স্মৃতি জাপানিদের জনজীবনে এখনো গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
সূত্র: রয়টার্স

শুক্রবার (১৫ মে) জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় মিয়াগি প্রিফেকচার উপকূলে ৬.৩ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি এবং কোনো সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।
দেশটির আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ৮টা ২২ মিনিটে ভূ-কম্পনটি অনুভূত হয়। এর আগে এপ্রিল মাসেও একই অঞ্চলের কাছাকাছি এলাকায় ৭.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে তখন সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর জেএমএ বিশেষ সতর্কতা তুলে নিলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগ সতর্ক করেছে, ওই অঞ্চলে এখনো বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়ে গেছে।
জাপানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এনএইচকে নিশ্চিত করেছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল থেকে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মিয়াগি ও ফুকুশিমা অঞ্চলের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে কোনো অস্বাভাবিকতা বা যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েনি। তবে বাড়তি সতর্কতার অংশ হিসেবে এবং লাইন পরীক্ষার জন্য দেশটির দ্রুতগতির শিনকানসেন বুলেট ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অব ফায়ার অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ, যেখানে চারটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগ রয়েছে। ২০১১ সালের প্রলয়ঙ্কারী ৯ মাত্রার ভূমিকম্প ও পরবর্তী সুনামিতে প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ মানুষের প্রাণহানি এবং ফুকুশিমা পারমাণবিক কেন্দ্রের ভয়াবহ বিপর্যয়ের স্মৃতি জাপানিদের জনজীবনে এখনো গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
সূত্র: রয়টার্স

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো জাপান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ২১: ১৭

ছবি: সংগৃহীত
শুক্রবার (১৫ মে) জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় মিয়াগি প্রিফেকচার উপকূলে ৬.৩ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি এবং কোনো সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।
দেশটির আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ৮টা ২২ মিনিটে ভূ-কম্পনটি অনুভূত হয়। এর আগে এপ্রিল মাসেও একই অঞ্চলের কাছাকাছি এলাকায় ৭.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে তখন সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর জেএমএ বিশেষ সতর্কতা তুলে নিলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগ সতর্ক করেছে, ওই অঞ্চলে এখনো বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়ে গেছে।
জাপানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এনএইচকে নিশ্চিত করেছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল থেকে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মিয়াগি ও ফুকুশিমা অঞ্চলের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে কোনো অস্বাভাবিকতা বা যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েনি। তবে বাড়তি সতর্কতার অংশ হিসেবে এবং লাইন পরীক্ষার জন্য দেশটির দ্রুতগতির শিনকানসেন বুলেট ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অব ফায়ার অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ, যেখানে চারটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগ রয়েছে। ২০১১ সালের প্রলয়ঙ্কারী ৯ মাত্রার ভূমিকম্প ও পরবর্তী সুনামিতে প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ মানুষের প্রাণহানি এবং ফুকুশিমা পারমাণবিক কেন্দ্রের ভয়াবহ বিপর্যয়ের স্মৃতি জাপানিদের জনজীবনে এখনো গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
সূত্র: রয়টার্স
/এমএকে/

ফিলিপাইনের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করবে জাপান


