চুক্তিটি ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে একটি প্রাচীর: ট্রাম্প

চুক্তিটি ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে একটি প্রাচীর: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত ও উত্তেজনা অবসানে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। সোমবার (১৫ জুন) সামাজিকমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে খুব দ্রুত হরমুজ প্রণালি খুলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের কাছে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং হরমুজ প্রণালি ‘খুব শীঘ্রই ব্যবসার জন্য খুলে দেওয়া হবে’।
অন্য একটি পোস্টে তিনি বলেন, তেহরানের সঙ্গে এই চুক্তিটি হবে ‘ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে একটি প্রাচীর’।
তিনি ওবামা প্রশাসনের সঙ্গে ইরানের ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির সমালোচনা করে বলেন, জেসিপিওএ ছিল ‘অর্থসহ ইরানের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের একটি পথ’।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম চুক্তিতে থাকা ১৪ বিষয় প্রকাশ করেছে। যদিও বিষয়গুলো সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তবে ইরানের আধা সরকারি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ সমঝোতা স্মারকে থাকা ১৪টি বিষয় প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হলো:
- লেবাননসহ সব ফ্রন্টে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি।
- ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি।
- ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর দেওয়া মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার।
- ইরানের আশপাশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী প্রত্যাহার।
- ইরানের ব্যবস্থাপনায় ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া।
- যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানের জন্য কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পুনর্গঠন পরিকল্পনা প্রদান করছে।
- ইরানের তেল ও জ্বালানি পণ্যের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞার অবসান।
- পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না বলে ইরানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত।
- ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করবে না যুক্তরাষ্ট্র এবং নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দেবে না বলে প্রতিশ্রুতি।
তবে মেহের নিউজের প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, জব্দ করা ইরানের তহবিলের অর্ধেক না ছাড়া, ইরানের তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত সমঝোতার আলোচনা শুরু হবে না।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে চূড়ান্ত চুক্তি হবে, সেটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে অনুমোদিত হবে।
সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি

দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত ও উত্তেজনা অবসানে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। সোমবার (১৫ জুন) সামাজিকমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে খুব দ্রুত হরমুজ প্রণালি খুলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের কাছে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং হরমুজ প্রণালি ‘খুব শীঘ্রই ব্যবসার জন্য খুলে দেওয়া হবে’।
অন্য একটি পোস্টে তিনি বলেন, তেহরানের সঙ্গে এই চুক্তিটি হবে ‘ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে একটি প্রাচীর’।
তিনি ওবামা প্রশাসনের সঙ্গে ইরানের ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির সমালোচনা করে বলেন, জেসিপিওএ ছিল ‘অর্থসহ ইরানের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের একটি পথ’।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম চুক্তিতে থাকা ১৪ বিষয় প্রকাশ করেছে। যদিও বিষয়গুলো সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তবে ইরানের আধা সরকারি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ সমঝোতা স্মারকে থাকা ১৪টি বিষয় প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হলো:
- লেবাননসহ সব ফ্রন্টে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি।
- ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি।
- ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর দেওয়া মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার।
- ইরানের আশপাশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী প্রত্যাহার।
- ইরানের ব্যবস্থাপনায় ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া।
- যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানের জন্য কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পুনর্গঠন পরিকল্পনা প্রদান করছে।
- ইরানের তেল ও জ্বালানি পণ্যের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞার অবসান।
- পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না বলে ইরানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত।
- ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করবে না যুক্তরাষ্ট্র এবং নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দেবে না বলে প্রতিশ্রুতি।
তবে মেহের নিউজের প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, জব্দ করা ইরানের তহবিলের অর্ধেক না ছাড়া, ইরানের তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত সমঝোতার আলোচনা শুরু হবে না।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে চূড়ান্ত চুক্তি হবে, সেটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে অনুমোদিত হবে।
সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি

চুক্তিটি ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে একটি প্রাচীর: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত ও উত্তেজনা অবসানে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। সোমবার (১৫ জুন) সামাজিকমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে খুব দ্রুত হরমুজ প্রণালি খুলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের কাছে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং হরমুজ প্রণালি ‘খুব শীঘ্রই ব্যবসার জন্য খুলে দেওয়া হবে’।
অন্য একটি পোস্টে তিনি বলেন, তেহরানের সঙ্গে এই চুক্তিটি হবে ‘ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে একটি প্রাচীর’।
তিনি ওবামা প্রশাসনের সঙ্গে ইরানের ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির সমালোচনা করে বলেন, জেসিপিওএ ছিল ‘অর্থসহ ইরানের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের একটি পথ’।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম চুক্তিতে থাকা ১৪ বিষয় প্রকাশ করেছে। যদিও বিষয়গুলো সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তবে ইরানের আধা সরকারি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ সমঝোতা স্মারকে থাকা ১৪টি বিষয় প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হলো:
- লেবাননসহ সব ফ্রন্টে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি।
- ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি।
- ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর দেওয়া মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার।
- ইরানের আশপাশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী প্রত্যাহার।
- ইরানের ব্যবস্থাপনায় ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া।
- যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানের জন্য কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পুনর্গঠন পরিকল্পনা প্রদান করছে।
- ইরানের তেল ও জ্বালানি পণ্যের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞার অবসান।
- পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না বলে ইরানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত।
- ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করবে না যুক্তরাষ্ট্র এবং নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দেবে না বলে প্রতিশ্রুতি।
তবে মেহের নিউজের প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, জব্দ করা ইরানের তহবিলের অর্ধেক না ছাড়া, ইরানের তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত সমঝোতার আলোচনা শুরু হবে না।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে চূড়ান্ত চুক্তি হবে, সেটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে অনুমোদিত হবে।
সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি

ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত ইউরোপের ৪ দেশ
ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে দিয়েছে ইরান: ইসরায়েলের সবেক রাষ্ট্রদূত
বৈরুতে ইসরায়েলি হামলার দায় যুক্তরাষ্ট্রের: ইরান


