‘যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি ইসরায়েলের জন্য বাধ্যতামূলক নয়’

‘যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি ইসরায়েলের জন্য বাধ্যতামূলক নয়’
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা চুক্তি ইসরায়েলের জন্য বাধ্যতামূলক নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভির।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ট্রাম্পের চুক্তি আমাদের জন্য কোনো বাধ্যবাধকতা নয়। ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের অধীন নয়। আমরা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই চুক্তির অংশীদার নই, যা আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না। আমাদের যোদ্ধারা যে অঞ্চল দখল করেছে, সেখান থেকে সরে আসা উচিত নয়।’
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা সংঘাত ও উত্তেজনার পর অবশেষে যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় পৌঁছানো চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম চুক্তিতে থাকা ১৪ বিষয় প্রকাশ করেছে। যদিও বিষয়গুলো সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সোমবার (১৫ জুন) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চুক্তিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দেন। এর পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সেইসঙ্গে হরমুজ প্রণালি খোলা ও ইরানের বন্দরগুলো থেকে অবরোধ তুলে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন।
নিজের সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে চুক্তি এখন সম্পন্ন।’
তিনি হরমুজ প্রণালিকে সম্পূর্ণভাবে টোলমুক্তভাবে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা দিয়েছেন। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর আরোপিত অবরোধও তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ‘বিশ্বের জাহাজগুলো, তোমাদের ইঞ্জিন চালু করো। তেলের প্রবাহ চলুক।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইরানের কাছে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং হরমুজ প্রণালি ‘খুব শীঘ্রই ব্যবসার জন্য খুলে দেওয়া হবে’।
অন্য একটি পোস্টে তিনি বলেন, তেহরানের সঙ্গে এই চুক্তিটি হবে ‘ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে একটি প্রাচীর’।
সুত্র: টাইমস অব ইসরায়েল, আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা চুক্তি ইসরায়েলের জন্য বাধ্যতামূলক নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভির।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ট্রাম্পের চুক্তি আমাদের জন্য কোনো বাধ্যবাধকতা নয়। ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের অধীন নয়। আমরা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই চুক্তির অংশীদার নই, যা আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না। আমাদের যোদ্ধারা যে অঞ্চল দখল করেছে, সেখান থেকে সরে আসা উচিত নয়।’
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা সংঘাত ও উত্তেজনার পর অবশেষে যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় পৌঁছানো চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম চুক্তিতে থাকা ১৪ বিষয় প্রকাশ করেছে। যদিও বিষয়গুলো সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সোমবার (১৫ জুন) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চুক্তিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দেন। এর পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সেইসঙ্গে হরমুজ প্রণালি খোলা ও ইরানের বন্দরগুলো থেকে অবরোধ তুলে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন।
নিজের সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে চুক্তি এখন সম্পন্ন।’
তিনি হরমুজ প্রণালিকে সম্পূর্ণভাবে টোলমুক্তভাবে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা দিয়েছেন। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর আরোপিত অবরোধও তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ‘বিশ্বের জাহাজগুলো, তোমাদের ইঞ্জিন চালু করো। তেলের প্রবাহ চলুক।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইরানের কাছে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং হরমুজ প্রণালি ‘খুব শীঘ্রই ব্যবসার জন্য খুলে দেওয়া হবে’।
অন্য একটি পোস্টে তিনি বলেন, তেহরানের সঙ্গে এই চুক্তিটি হবে ‘ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে একটি প্রাচীর’।
সুত্র: টাইমস অব ইসরায়েল, আল জাজিরা

‘যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি ইসরায়েলের জন্য বাধ্যতামূলক নয়’
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা চুক্তি ইসরায়েলের জন্য বাধ্যতামূলক নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভির।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ট্রাম্পের চুক্তি আমাদের জন্য কোনো বাধ্যবাধকতা নয়। ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের অধীন নয়। আমরা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই চুক্তির অংশীদার নই, যা আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না। আমাদের যোদ্ধারা যে অঞ্চল দখল করেছে, সেখান থেকে সরে আসা উচিত নয়।’
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা সংঘাত ও উত্তেজনার পর অবশেষে যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় পৌঁছানো চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম চুক্তিতে থাকা ১৪ বিষয় প্রকাশ করেছে। যদিও বিষয়গুলো সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সোমবার (১৫ জুন) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চুক্তিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দেন। এর পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সেইসঙ্গে হরমুজ প্রণালি খোলা ও ইরানের বন্দরগুলো থেকে অবরোধ তুলে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন।
নিজের সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে চুক্তি এখন সম্পন্ন।’
তিনি হরমুজ প্রণালিকে সম্পূর্ণভাবে টোলমুক্তভাবে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা দিয়েছেন। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর আরোপিত অবরোধও তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ‘বিশ্বের জাহাজগুলো, তোমাদের ইঞ্জিন চালু করো। তেলের প্রবাহ চলুক।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইরানের কাছে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং হরমুজ প্রণালি ‘খুব শীঘ্রই ব্যবসার জন্য খুলে দেওয়া হবে’।
অন্য একটি পোস্টে তিনি বলেন, তেহরানের সঙ্গে এই চুক্তিটি হবে ‘ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে একটি প্রাচীর’।
সুত্র: টাইমস অব ইসরায়েল, আল জাজিরা

কোনো শক্তির কাছে মাথা নত করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান
নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর নির্ভর করছে চুক্তির সফলতা
