৭ দফা দাবিতে ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহকদের সংবাদ সম্মেলন

৭ দফা দাবিতে ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহকদের সংবাদ সম্মেলন
নিজস্ব প্রতিবেদক

অবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনাসহ ৭ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুর ১২টায় মতিঝিলের দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ার চত্বরে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এ সময় লিখিত বক্তব্যে গ্রাহকরা জানান, ইসলামী ব্যাংকের উপযোগী পর্ষদ গঠন না করে সমস্যা আরো ঘনিভূত করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আমাদের দাবী ছিল এস আলমের দোসর ইসলামী ব্যাংকের অবৈধ চেয়ারম্যান মো. খুরশিদ আলমের পদত্যাগ ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহাল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক তা না করে পরিচালনা বোর্ড ভেঙ্গে দিয়ে আবারও এক ব্যক্তির হাতে পুরো ক্ষমতা তুলে দিয়েছে। এটি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের জন্য কোনোভাবেই নিরাপদ নয়।
তবে কিছুটা স্বস্তির বিষয় যে লেনদেন সচল রাখার জন্য কিছু ফান্ড সরবরাহ করা হয়েছে এবং গ্রাহকদের দাবির মুখে চেয়ারম্যানের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, ৭ দফা দাবিতে গ্রাহকরা গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছে এবং অর্থ মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপিও প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ব্যাংকের প্রতি আস্থা তৈরির জন্য কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং একদিকে মহান জাতীয় সংসদে মন্ত্রীগণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন অপরদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অপ্রয়োজনীয় কথা বলে গ্রাহকদেরকে আরো বেশি অনিশ্চিয়তার মধ্য ফেলে দিচ্ছে।
অভিযোগ করে তারা বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক একদিকে যেমন আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করবে অপরদিকে ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম তদারকী করে সুশাসন নিশ্চিত করবে। কোনো ব্যাংকে অনিয়ম, দুর্নীতি বা ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিন্তু ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে এর ব্যত্যয় ঘটছে।
তারা বলেন, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে শেয়ারহোল্ডারদের বাধ্য করে শেয়ার নিয়েছে। এছাড়া ব্যাংকিং নীতিমালা লঙ্ঘন করে ব্যাংক থেকে বিভিন্ন উপায়ে লোনের নাম দিয়ে অর্থ লোপাট করেছে ও লোকবল নিয়োগ দিয়েছে। এগুলো দেখার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছিল।
গ্রাহকরা আরও বলেন, চব্বিশের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পরও ইসলামী ব্যাংকের পরর্ষদ নিয়ে একই আচরণ চালিয়ে যাচ্ছে। এটা গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করছে। এমন পরিস্থিতিতে তারা দেশের সর্ববৃহৎ শরীয়াহ-ভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংকটি রক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ৭টি দাবি জানিয়েছে।
দাবিগুলো হলো
- অবিলম্বে পরামর্শের ভিত্তিতে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন করতে হবে।
- বন্দুকের নলের মুখে যাদের কাছ থেকে ব্যাংকগুলোর শেয়ার নিয়েছিল তাদেরকে ফেরত দিতে হবে।
- ব্যাংক লুটেরাদের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করতে হবে।
- ইসলামী ব্যাংকগুলোতে আতঙ্ক সৃষ্টি বন্ধ করতে হবে, স্থিতিশীলতা আনয়নের জন্য বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারকে বিরত থাকতে হবে।
- লুটের অর্থ পুনরুদ্ধারে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরত এনে ব্যাংকের দায় পরিশোধ করার ব্যবস্থা করতে হবে।
- ব্যাংক লুটেরাদের ফেরার পথ বন্ধ করতে হবে এবং
- জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অসত্য ও এস আলমের হাতে ব্যাংক তুলে দেওয়ার বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে।

অবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনাসহ ৭ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুর ১২টায় মতিঝিলের দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ার চত্বরে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এ সময় লিখিত বক্তব্যে গ্রাহকরা জানান, ইসলামী ব্যাংকের উপযোগী পর্ষদ গঠন না করে সমস্যা আরো ঘনিভূত করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আমাদের দাবী ছিল এস আলমের দোসর ইসলামী ব্যাংকের অবৈধ চেয়ারম্যান মো. খুরশিদ আলমের পদত্যাগ ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহাল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক তা না করে পরিচালনা বোর্ড ভেঙ্গে দিয়ে আবারও এক ব্যক্তির হাতে পুরো ক্ষমতা তুলে দিয়েছে। এটি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের জন্য কোনোভাবেই নিরাপদ নয়।
তবে কিছুটা স্বস্তির বিষয় যে লেনদেন সচল রাখার জন্য কিছু ফান্ড সরবরাহ করা হয়েছে এবং গ্রাহকদের দাবির মুখে চেয়ারম্যানের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, ৭ দফা দাবিতে গ্রাহকরা গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছে এবং অর্থ মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপিও প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ব্যাংকের প্রতি আস্থা তৈরির জন্য কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং একদিকে মহান জাতীয় সংসদে মন্ত্রীগণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন অপরদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অপ্রয়োজনীয় কথা বলে গ্রাহকদেরকে আরো বেশি অনিশ্চিয়তার মধ্য ফেলে দিচ্ছে।
অভিযোগ করে তারা বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক একদিকে যেমন আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করবে অপরদিকে ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম তদারকী করে সুশাসন নিশ্চিত করবে। কোনো ব্যাংকে অনিয়ম, দুর্নীতি বা ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিন্তু ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে এর ব্যত্যয় ঘটছে।
তারা বলেন, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে শেয়ারহোল্ডারদের বাধ্য করে শেয়ার নিয়েছে। এছাড়া ব্যাংকিং নীতিমালা লঙ্ঘন করে ব্যাংক থেকে বিভিন্ন উপায়ে লোনের নাম দিয়ে অর্থ লোপাট করেছে ও লোকবল নিয়োগ দিয়েছে। এগুলো দেখার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছিল।
গ্রাহকরা আরও বলেন, চব্বিশের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পরও ইসলামী ব্যাংকের পরর্ষদ নিয়ে একই আচরণ চালিয়ে যাচ্ছে। এটা গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করছে। এমন পরিস্থিতিতে তারা দেশের সর্ববৃহৎ শরীয়াহ-ভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংকটি রক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ৭টি দাবি জানিয়েছে।
দাবিগুলো হলো
- অবিলম্বে পরামর্শের ভিত্তিতে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন করতে হবে।
- বন্দুকের নলের মুখে যাদের কাছ থেকে ব্যাংকগুলোর শেয়ার নিয়েছিল তাদেরকে ফেরত দিতে হবে।
- ব্যাংক লুটেরাদের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করতে হবে।
- ইসলামী ব্যাংকগুলোতে আতঙ্ক সৃষ্টি বন্ধ করতে হবে, স্থিতিশীলতা আনয়নের জন্য বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারকে বিরত থাকতে হবে।
- লুটের অর্থ পুনরুদ্ধারে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরত এনে ব্যাংকের দায় পরিশোধ করার ব্যবস্থা করতে হবে।
- ব্যাংক লুটেরাদের ফেরার পথ বন্ধ করতে হবে এবং
- জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অসত্য ও এস আলমের হাতে ব্যাংক তুলে দেওয়ার বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে।

৭ দফা দাবিতে ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহকদের সংবাদ সম্মেলন
নিজস্ব প্রতিবেদক

অবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনাসহ ৭ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুর ১২টায় মতিঝিলের দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ার চত্বরে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এ সময় লিখিত বক্তব্যে গ্রাহকরা জানান, ইসলামী ব্যাংকের উপযোগী পর্ষদ গঠন না করে সমস্যা আরো ঘনিভূত করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আমাদের দাবী ছিল এস আলমের দোসর ইসলামী ব্যাংকের অবৈধ চেয়ারম্যান মো. খুরশিদ আলমের পদত্যাগ ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহাল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক তা না করে পরিচালনা বোর্ড ভেঙ্গে দিয়ে আবারও এক ব্যক্তির হাতে পুরো ক্ষমতা তুলে দিয়েছে। এটি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের জন্য কোনোভাবেই নিরাপদ নয়।
তবে কিছুটা স্বস্তির বিষয় যে লেনদেন সচল রাখার জন্য কিছু ফান্ড সরবরাহ করা হয়েছে এবং গ্রাহকদের দাবির মুখে চেয়ারম্যানের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, ৭ দফা দাবিতে গ্রাহকরা গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছে এবং অর্থ মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপিও প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ব্যাংকের প্রতি আস্থা তৈরির জন্য কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং একদিকে মহান জাতীয় সংসদে মন্ত্রীগণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন অপরদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অপ্রয়োজনীয় কথা বলে গ্রাহকদেরকে আরো বেশি অনিশ্চিয়তার মধ্য ফেলে দিচ্ছে।
অভিযোগ করে তারা বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক একদিকে যেমন আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করবে অপরদিকে ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম তদারকী করে সুশাসন নিশ্চিত করবে। কোনো ব্যাংকে অনিয়ম, দুর্নীতি বা ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিন্তু ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে এর ব্যত্যয় ঘটছে।
তারা বলেন, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে শেয়ারহোল্ডারদের বাধ্য করে শেয়ার নিয়েছে। এছাড়া ব্যাংকিং নীতিমালা লঙ্ঘন করে ব্যাংক থেকে বিভিন্ন উপায়ে লোনের নাম দিয়ে অর্থ লোপাট করেছে ও লোকবল নিয়োগ দিয়েছে। এগুলো দেখার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছিল।
গ্রাহকরা আরও বলেন, চব্বিশের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পরও ইসলামী ব্যাংকের পরর্ষদ নিয়ে একই আচরণ চালিয়ে যাচ্ছে। এটা গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করছে। এমন পরিস্থিতিতে তারা দেশের সর্ববৃহৎ শরীয়াহ-ভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংকটি রক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ৭টি দাবি জানিয়েছে।
দাবিগুলো হলো
- অবিলম্বে পরামর্শের ভিত্তিতে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন করতে হবে।
- বন্দুকের নলের মুখে যাদের কাছ থেকে ব্যাংকগুলোর শেয়ার নিয়েছিল তাদেরকে ফেরত দিতে হবে।
- ব্যাংক লুটেরাদের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করতে হবে।
- ইসলামী ব্যাংকগুলোতে আতঙ্ক সৃষ্টি বন্ধ করতে হবে, স্থিতিশীলতা আনয়নের জন্য বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারকে বিরত থাকতে হবে।
- লুটের অর্থ পুনরুদ্ধারে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরত এনে ব্যাংকের দায় পরিশোধ করার ব্যবস্থা করতে হবে।
- ব্যাংক লুটেরাদের ফেরার পথ বন্ধ করতে হবে এবং
- জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অসত্য ও এস আলমের হাতে ব্যাংক তুলে দেওয়ার বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে।

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
ইসলামী ব্যাংককে ২৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক


