কার্যাদেশ আটকে রেখেছে প্রকৌশলী

কার্যাদেশ আটকে রেখেছে প্রকৌশলী
সেলিনা আক্তার

বঙ্গভবন থেকে সার্কিট হাউজ, আদালত থেকে হাসপাতাল– সব স্থানে অফিসের আসবাবপত্র ও ইন্টিরিয়রের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহে একচেটিয়া কাজ পেয়ে আসছে হাতিল ফার্নিচার। গত এক যুগ ধরে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বাস্তবায়ধীন এ সংক্রান্ত কাজের নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি দেশের জেলা হাসপাতালগুলোকে ১০০ বেড থেকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ ও সংস্কার প্রকল্পের ১২টি দরপত্রে অংশগ্রহণ করে ৮টি কাজ পেয়েছেন তারা। তবে একটি কাজের কার্যাদেশ বা নোয়া পেয়ে এবং বাকি ৭টি না পেয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর ওপর খেপেছেন হাতিল কর্তৃপক্ষ। অথচ তাদের এই একচেটিয়া ব্যবসার হাতিয়ার হলেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।
জানা গেছে, ২০২৩ সালে দেশের জেলা হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও সংস্কার প্রকল্পের দরপত্র আহ্বান করে গণপূর্তের ই/এম কাঠের কারখানা বিভাগ। একই বছর ৮ জুন পর্যন্ত প্রকাশিত মোট ১২টি দরপত্রের ৮টিতেই সর্বনিম্ন দরদাতা হয় হাতিল ফার্নিচার। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি ১টি কাজের কার্যাদেশ দিলেও বাকি ৭টি কাজের আদেশ এখনো ঝুলে আছে।
অভিযোগ উঠেছে, গণপূর্তের (ই/এম) নির্বাহী প্রকৌশলী জোবায়ের বিন হায়দারকে আর্থিক সুবিধা না দেওয়া কারণে তিনি হাতিলের কার্যাদেশ আটকে রেখেছেন। এই বিষয়ে সুরাহা পেতে হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেডের কোম্পানি সেক্রেটারি মো. রেজাউল করিম গত ৮ জুন গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রকৌশলী (ই/এম) জোন আশ্রাফুল হকের কাছে আবেদন করেন। সেখানে তিনি জেলা হাসপাতালগুলোকে ১০০ বেড থেকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ ও সংস্কার প্রকল্পের পরিচালক থেকে শুরু করে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়ার মানে এই না যে, হাতিল ৮টি কাজই পেয়ে গেছে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার একটি প্রক্রিয়া রয়েছে, যা এখনো চলমান। আর আমি একা তো পুরো বিভাগের দায়িত্ব বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক নই। কিছু কাজের ফাইল যাচাই-বাছাই শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই তারা কাজ পাবে।
জোবায়ের বিন হায়দার নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তর
অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রায় এক যুগ ধরে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বড় বড় প্রকল্পে একচেটিয়া কাজ বাগিয়ে নিচ্ছে হাতিল। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রেরই একটি একক কার্যাদেশে প্রতিষ্ঠানটি ৫৬ কোটি টাকার কাজ পায়। এ ছাড়া টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজ, রংপুর সার্কিট হাউজ, দেশব্যাপী মডেল মসজিদ প্রকল্প, সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল; পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল; শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং নতুন রাজস্ব ভবনের আসবাবপত্র সরবরাহের কাজও পেয়েছে হাতিল। বর্তমানে গণপূর্তের চলমান প্রকল্প যেমন– দায়রা জজ আদালত, সিএমএম আদালত, জামালপুর সার্কিট হাউজ এবং পাবলিক লাইব্রেরির কাজও এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে হাতিল।
এসব অভিযোগের বিষয়ে রবিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় মুঠোফোনে কথা হয় গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জোবায়ের বিন হায়দারের সঙ্গে। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, ‘সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়ার মানে এই না যে, হাতিল ৮টি কাজই পেয়ে গেছে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার একটি প্রক্রিয়া রয়েছে, যা এখনো চলমান। আর আমি একা তো পুরো বিভাগের দায়িত্ব বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক নই। কিছু কাজের ফাইল যাচাই-বাছাই শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই তারা কাজ পাবে।’
এদিকে, দরপত্রের ফাইল আটকে থাকা এবং একচেটিয়া কাজ পাওয়ার বিষয়ে হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক খোরশেদ আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বঙ্গভবন থেকে সার্কিট হাউজ, আদালত থেকে হাসপাতাল– সব স্থানে অফিসের আসবাবপত্র ও ইন্টিরিয়রের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহে একচেটিয়া কাজ পেয়ে আসছে হাতিল ফার্নিচার। গত এক যুগ ধরে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বাস্তবায়ধীন এ সংক্রান্ত কাজের নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি দেশের জেলা হাসপাতালগুলোকে ১০০ বেড থেকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ ও সংস্কার প্রকল্পের ১২টি দরপত্রে অংশগ্রহণ করে ৮টি কাজ পেয়েছেন তারা। তবে একটি কাজের কার্যাদেশ বা নোয়া পেয়ে এবং বাকি ৭টি না পেয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর ওপর খেপেছেন হাতিল কর্তৃপক্ষ। অথচ তাদের এই একচেটিয়া ব্যবসার হাতিয়ার হলেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।
জানা গেছে, ২০২৩ সালে দেশের জেলা হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও সংস্কার প্রকল্পের দরপত্র আহ্বান করে গণপূর্তের ই/এম কাঠের কারখানা বিভাগ। একই বছর ৮ জুন পর্যন্ত প্রকাশিত মোট ১২টি দরপত্রের ৮টিতেই সর্বনিম্ন দরদাতা হয় হাতিল ফার্নিচার। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি ১টি কাজের কার্যাদেশ দিলেও বাকি ৭টি কাজের আদেশ এখনো ঝুলে আছে।
অভিযোগ উঠেছে, গণপূর্তের (ই/এম) নির্বাহী প্রকৌশলী জোবায়ের বিন হায়দারকে আর্থিক সুবিধা না দেওয়া কারণে তিনি হাতিলের কার্যাদেশ আটকে রেখেছেন। এই বিষয়ে সুরাহা পেতে হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেডের কোম্পানি সেক্রেটারি মো. রেজাউল করিম গত ৮ জুন গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রকৌশলী (ই/এম) জোন আশ্রাফুল হকের কাছে আবেদন করেন। সেখানে তিনি জেলা হাসপাতালগুলোকে ১০০ বেড থেকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ ও সংস্কার প্রকল্পের পরিচালক থেকে শুরু করে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়ার মানে এই না যে, হাতিল ৮টি কাজই পেয়ে গেছে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার একটি প্রক্রিয়া রয়েছে, যা এখনো চলমান। আর আমি একা তো পুরো বিভাগের দায়িত্ব বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক নই। কিছু কাজের ফাইল যাচাই-বাছাই শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই তারা কাজ পাবে।
জোবায়ের বিন হায়দার নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তর
অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রায় এক যুগ ধরে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বড় বড় প্রকল্পে একচেটিয়া কাজ বাগিয়ে নিচ্ছে হাতিল। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রেরই একটি একক কার্যাদেশে প্রতিষ্ঠানটি ৫৬ কোটি টাকার কাজ পায়। এ ছাড়া টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজ, রংপুর সার্কিট হাউজ, দেশব্যাপী মডেল মসজিদ প্রকল্প, সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল; পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল; শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং নতুন রাজস্ব ভবনের আসবাবপত্র সরবরাহের কাজও পেয়েছে হাতিল। বর্তমানে গণপূর্তের চলমান প্রকল্প যেমন– দায়রা জজ আদালত, সিএমএম আদালত, জামালপুর সার্কিট হাউজ এবং পাবলিক লাইব্রেরির কাজও এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে হাতিল।
এসব অভিযোগের বিষয়ে রবিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় মুঠোফোনে কথা হয় গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জোবায়ের বিন হায়দারের সঙ্গে। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, ‘সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়ার মানে এই না যে, হাতিল ৮টি কাজই পেয়ে গেছে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার একটি প্রক্রিয়া রয়েছে, যা এখনো চলমান। আর আমি একা তো পুরো বিভাগের দায়িত্ব বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক নই। কিছু কাজের ফাইল যাচাই-বাছাই শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই তারা কাজ পাবে।’
এদিকে, দরপত্রের ফাইল আটকে থাকা এবং একচেটিয়া কাজ পাওয়ার বিষয়ে হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক খোরশেদ আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কার্যাদেশ আটকে রেখেছে প্রকৌশলী
সেলিনা আক্তার

বঙ্গভবন থেকে সার্কিট হাউজ, আদালত থেকে হাসপাতাল– সব স্থানে অফিসের আসবাবপত্র ও ইন্টিরিয়রের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহে একচেটিয়া কাজ পেয়ে আসছে হাতিল ফার্নিচার। গত এক যুগ ধরে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বাস্তবায়ধীন এ সংক্রান্ত কাজের নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি দেশের জেলা হাসপাতালগুলোকে ১০০ বেড থেকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ ও সংস্কার প্রকল্পের ১২টি দরপত্রে অংশগ্রহণ করে ৮টি কাজ পেয়েছেন তারা। তবে একটি কাজের কার্যাদেশ বা নোয়া পেয়ে এবং বাকি ৭টি না পেয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর ওপর খেপেছেন হাতিল কর্তৃপক্ষ। অথচ তাদের এই একচেটিয়া ব্যবসার হাতিয়ার হলেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।
জানা গেছে, ২০২৩ সালে দেশের জেলা হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও সংস্কার প্রকল্পের দরপত্র আহ্বান করে গণপূর্তের ই/এম কাঠের কারখানা বিভাগ। একই বছর ৮ জুন পর্যন্ত প্রকাশিত মোট ১২টি দরপত্রের ৮টিতেই সর্বনিম্ন দরদাতা হয় হাতিল ফার্নিচার। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি ১টি কাজের কার্যাদেশ দিলেও বাকি ৭টি কাজের আদেশ এখনো ঝুলে আছে।
অভিযোগ উঠেছে, গণপূর্তের (ই/এম) নির্বাহী প্রকৌশলী জোবায়ের বিন হায়দারকে আর্থিক সুবিধা না দেওয়া কারণে তিনি হাতিলের কার্যাদেশ আটকে রেখেছেন। এই বিষয়ে সুরাহা পেতে হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেডের কোম্পানি সেক্রেটারি মো. রেজাউল করিম গত ৮ জুন গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রকৌশলী (ই/এম) জোন আশ্রাফুল হকের কাছে আবেদন করেন। সেখানে তিনি জেলা হাসপাতালগুলোকে ১০০ বেড থেকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ ও সংস্কার প্রকল্পের পরিচালক থেকে শুরু করে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়ার মানে এই না যে, হাতিল ৮টি কাজই পেয়ে গেছে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার একটি প্রক্রিয়া রয়েছে, যা এখনো চলমান। আর আমি একা তো পুরো বিভাগের দায়িত্ব বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক নই। কিছু কাজের ফাইল যাচাই-বাছাই শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই তারা কাজ পাবে।
জোবায়ের বিন হায়দার নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তর
অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রায় এক যুগ ধরে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বড় বড় প্রকল্পে একচেটিয়া কাজ বাগিয়ে নিচ্ছে হাতিল। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রেরই একটি একক কার্যাদেশে প্রতিষ্ঠানটি ৫৬ কোটি টাকার কাজ পায়। এ ছাড়া টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজ, রংপুর সার্কিট হাউজ, দেশব্যাপী মডেল মসজিদ প্রকল্প, সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল; পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল; শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং নতুন রাজস্ব ভবনের আসবাবপত্র সরবরাহের কাজও পেয়েছে হাতিল। বর্তমানে গণপূর্তের চলমান প্রকল্প যেমন– দায়রা জজ আদালত, সিএমএম আদালত, জামালপুর সার্কিট হাউজ এবং পাবলিক লাইব্রেরির কাজও এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে হাতিল।
এসব অভিযোগের বিষয়ে রবিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় মুঠোফোনে কথা হয় গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জোবায়ের বিন হায়দারের সঙ্গে। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, ‘সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়ার মানে এই না যে, হাতিল ৮টি কাজই পেয়ে গেছে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার একটি প্রক্রিয়া রয়েছে, যা এখনো চলমান। আর আমি একা তো পুরো বিভাগের দায়িত্ব বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক নই। কিছু কাজের ফাইল যাচাই-বাছাই শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই তারা কাজ পাবে।’
এদিকে, দরপত্রের ফাইল আটকে থাকা এবং একচেটিয়া কাজ পাওয়ার বিষয়ে হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক খোরশেদ আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।




