শান্তিচুক্তির আগে ইরানের সম্পদ অবমুক্ত করা হবে না: ট্রাম্প

শান্তিচুক্তির আগে ইরানের সম্পদ অবমুক্ত করা হবে না: ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

তেহরানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হওয়ার আগে ইরানের অবরুদ্ধ সম্পদ অবমুক্ত কিংবা কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, কেবল চুক্তি পুরোপুরি সম্পন্ন হওয়ার পরই এ ইতিবাচক পদক্ষেপগুলো বিবেচনা করা হবে এবং তার আগে ইরানকে অবশ্যই ‘সঠিক আচরণ’ করতে হবে।
একই সঙ্গে তেহরানের সঙ্গে কোনো স্বল্পমেয়াদী চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে কোনো জোর দাবি করছেন না বলে জানান ট্রাম্প। শুক্রবার (৫ জুন) রেকর্ড করা এ সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, ওয়াশিংটন বর্তমানে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তির খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে, অন্যথায় ইরানকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে জোরালো হামলা শুরু করে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে একটি সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার চেষ্টা চালাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন হামলায় আহত হয়ে জনসমক্ষে না থাকা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির সঙ্গেও কথা বলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। খামেনির বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কিছু না বললেও ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন তিনি বিষয়টি বেশ ভালোভাবেই অবগত আছেন।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করেছেন, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলা সত্ত্বেও ইরানের সঙ্গে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি এখনো কার্যকর রয়েছে এবং এ সামরিক পদক্ষেপগুলো শুধুই আত্মরক্ষার স্বার্থেই নেওয়া হয়েছিল।
সূত্র: রয়টার্স

তেহরানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হওয়ার আগে ইরানের অবরুদ্ধ সম্পদ অবমুক্ত কিংবা কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, কেবল চুক্তি পুরোপুরি সম্পন্ন হওয়ার পরই এ ইতিবাচক পদক্ষেপগুলো বিবেচনা করা হবে এবং তার আগে ইরানকে অবশ্যই ‘সঠিক আচরণ’ করতে হবে।
একই সঙ্গে তেহরানের সঙ্গে কোনো স্বল্পমেয়াদী চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে কোনো জোর দাবি করছেন না বলে জানান ট্রাম্প। শুক্রবার (৫ জুন) রেকর্ড করা এ সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, ওয়াশিংটন বর্তমানে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তির খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে, অন্যথায় ইরানকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে জোরালো হামলা শুরু করে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে একটি সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার চেষ্টা চালাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন হামলায় আহত হয়ে জনসমক্ষে না থাকা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির সঙ্গেও কথা বলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। খামেনির বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কিছু না বললেও ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন তিনি বিষয়টি বেশ ভালোভাবেই অবগত আছেন।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করেছেন, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলা সত্ত্বেও ইরানের সঙ্গে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি এখনো কার্যকর রয়েছে এবং এ সামরিক পদক্ষেপগুলো শুধুই আত্মরক্ষার স্বার্থেই নেওয়া হয়েছিল।
সূত্র: রয়টার্স

শান্তিচুক্তির আগে ইরানের সম্পদ অবমুক্ত করা হবে না: ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

তেহরানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হওয়ার আগে ইরানের অবরুদ্ধ সম্পদ অবমুক্ত কিংবা কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, কেবল চুক্তি পুরোপুরি সম্পন্ন হওয়ার পরই এ ইতিবাচক পদক্ষেপগুলো বিবেচনা করা হবে এবং তার আগে ইরানকে অবশ্যই ‘সঠিক আচরণ’ করতে হবে।
একই সঙ্গে তেহরানের সঙ্গে কোনো স্বল্পমেয়াদী চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে কোনো জোর দাবি করছেন না বলে জানান ট্রাম্প। শুক্রবার (৫ জুন) রেকর্ড করা এ সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, ওয়াশিংটন বর্তমানে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তির খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে, অন্যথায় ইরানকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে জোরালো হামলা শুরু করে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে একটি সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার চেষ্টা চালাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন হামলায় আহত হয়ে জনসমক্ষে না থাকা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির সঙ্গেও কথা বলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। খামেনির বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কিছু না বললেও ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন তিনি বিষয়টি বেশ ভালোভাবেই অবগত আছেন।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করেছেন, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলা সত্ত্বেও ইরানের সঙ্গে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি এখনো কার্যকর রয়েছে এবং এ সামরিক পদক্ষেপগুলো শুধুই আত্মরক্ষার স্বার্থেই নেওয়া হয়েছিল।
সূত্র: রয়টার্স

হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আরও সুনির্দিষ্ট হামলা দেখতে চায় ট্রাম্প


