ইরান যুদ্ধে হেরে গেছেন ট্রাম্প: মার্কিন সিনেটর

ইরান যুদ্ধে হেরে গেছেন ট্রাম্প: মার্কিন সিনেটর
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের শেষ চান মার্কিন ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ক্রিস মারফি। তার মতে, এই লড়াইয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কার্যত হেরে গেছেন। সংঘাত যত গড়াচ্ছে, ওয়াশিংটন তত দুর্বল হয়ে পড়ছে আর শক্তি বাড়ছে তেহরানের।
সম্প্রতি এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিনেটর মারফি জানান, যুদ্ধ থামিয়ে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনে একটি ‘খারাপ চুক্তি’ মেনে নিতেও তিনি প্রস্তুত। তিনি সতর্ক করে বলেন, সংঘাত থামানোর আলোচনা স্থবির থাকায় এ গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি খোলার মাশুল ক্রমেই বাড়ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে আমেরিকার সাধারণ মানুষের ওপর।
মারফির মতে, লড়াই যত দীর্ঘ হবে, যুক্তরাষ্ট্রে জিনিসপত্রের দাম তত বাড়বে এবং মানুষের কষ্ট চরমে পৌঁছাবে। এ কারণে চলমান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নতুন কোনো অর্থ বরাদ্দের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তিনি। তবে সংঘাত শেষ হলে মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও যুদ্ধাস্ত্র পুনর্সরবরাহে নিজের সমর্থনের কথা জানান এ আইনপ্রণেতা।
এদিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি চালুর বিষয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছে তেহরান। রবিবার (৯ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের কোনো সরাসরি আলোচনা হয়নি। নৌ অবরোধ প্রত্যাহারসহ ইরানের দাবিগুলো আমেরিকা না মানা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলা হবে না। ফলে দুই দেশের বিপরীতমুখী অবস্থান ও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি মার্কিন রাজনীতিতে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের শেষ চান মার্কিন ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ক্রিস মারফি। তার মতে, এই লড়াইয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কার্যত হেরে গেছেন। সংঘাত যত গড়াচ্ছে, ওয়াশিংটন তত দুর্বল হয়ে পড়ছে আর শক্তি বাড়ছে তেহরানের।
সম্প্রতি এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিনেটর মারফি জানান, যুদ্ধ থামিয়ে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনে একটি ‘খারাপ চুক্তি’ মেনে নিতেও তিনি প্রস্তুত। তিনি সতর্ক করে বলেন, সংঘাত থামানোর আলোচনা স্থবির থাকায় এ গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি খোলার মাশুল ক্রমেই বাড়ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে আমেরিকার সাধারণ মানুষের ওপর।
মারফির মতে, লড়াই যত দীর্ঘ হবে, যুক্তরাষ্ট্রে জিনিসপত্রের দাম তত বাড়বে এবং মানুষের কষ্ট চরমে পৌঁছাবে। এ কারণে চলমান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নতুন কোনো অর্থ বরাদ্দের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তিনি। তবে সংঘাত শেষ হলে মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও যুদ্ধাস্ত্র পুনর্সরবরাহে নিজের সমর্থনের কথা জানান এ আইনপ্রণেতা।
এদিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি চালুর বিষয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছে তেহরান। রবিবার (৯ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের কোনো সরাসরি আলোচনা হয়নি। নৌ অবরোধ প্রত্যাহারসহ ইরানের দাবিগুলো আমেরিকা না মানা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলা হবে না। ফলে দুই দেশের বিপরীতমুখী অবস্থান ও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি মার্কিন রাজনীতিতে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান যুদ্ধে হেরে গেছেন ট্রাম্প: মার্কিন সিনেটর
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের শেষ চান মার্কিন ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ক্রিস মারফি। তার মতে, এই লড়াইয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কার্যত হেরে গেছেন। সংঘাত যত গড়াচ্ছে, ওয়াশিংটন তত দুর্বল হয়ে পড়ছে আর শক্তি বাড়ছে তেহরানের।
সম্প্রতি এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিনেটর মারফি জানান, যুদ্ধ থামিয়ে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনে একটি ‘খারাপ চুক্তি’ মেনে নিতেও তিনি প্রস্তুত। তিনি সতর্ক করে বলেন, সংঘাত থামানোর আলোচনা স্থবির থাকায় এ গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি খোলার মাশুল ক্রমেই বাড়ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে আমেরিকার সাধারণ মানুষের ওপর।
মারফির মতে, লড়াই যত দীর্ঘ হবে, যুক্তরাষ্ট্রে জিনিসপত্রের দাম তত বাড়বে এবং মানুষের কষ্ট চরমে পৌঁছাবে। এ কারণে চলমান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নতুন কোনো অর্থ বরাদ্দের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তিনি। তবে সংঘাত শেষ হলে মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও যুদ্ধাস্ত্র পুনর্সরবরাহে নিজের সমর্থনের কথা জানান এ আইনপ্রণেতা।
এদিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি চালুর বিষয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছে তেহরান। রবিবার (৯ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের কোনো সরাসরি আলোচনা হয়নি। নৌ অবরোধ প্রত্যাহারসহ ইরানের দাবিগুলো আমেরিকা না মানা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলা হবে না। ফলে দুই দেশের বিপরীতমুখী অবস্থান ও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি মার্কিন রাজনীতিতে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ট্রাম্প কূটনীতির নামে বারবার নাটক করছেন: গালিবাফ







