হঠাৎ বিমানে তীব্র ঝাঁকি, জানা গেল গাঁজা খেয়েছিলেন পাইলট

হঠাৎ বিমানে তীব্র ঝাঁকি, জানা গেল গাঁজা খেয়েছিলেন পাইলট
সিজেডএন ডেস্ক

ফুকেট থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে মাঝআকাশে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায় এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ। তীব্র টার্বুলেন্সের ঘটনায় অন্তত ২৪ আরোহী আহত হন। পরে তদন্তের অংশ হিসেবে পাইলটের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হলে তার শরীরে মাদকজাতীয় পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া যায়। দ্বিতীয় দফার পরীক্ষাতেও ফল পজিটিভ এসেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৪ আগস্ট ১৩৭ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু নিয়ে ফুকেট থেকে দিল্লির উদ্দেশে উড্ডয়ন করে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটটি। যাত্রাপথে বিমানটি তীব্র টার্বুলেন্সের মধ্যে পড়ে এবং আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এতে ২০ জন যাত্রী ও চারজন ক্রু আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনের মেরুদণ্ডের নিচের অংশ ও ঘাড়ে গুরুতর আঘাত লাগে।
দিল্লিতে অবতরণের পর পাইলটের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় তার শরীরে সাইকোঅ্যাকটিভ বা মনোট্রপিক পদার্থের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। পরে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করা হলে মঙ্গলবারও ফল পজিটিভ আসে। দ্বিতীয় পরীক্ষার প্রতিবেদনে ওই পাইলট গাঁজা সেবন করেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে কয়েকটি সূত্রের বরাতে আরও বলা হয়, বিমানটি যখন হঠাৎ নিচে নেমে যায়, তখন ক্যাপ্টেন ককপিটে নিজের আসনে ছিলেন না। সে সময় ফার্স্ট অফিসার উড়োজাহাজটি নিয়ন্ত্রণ করছিলেন।
আচমকা উচ্চতা কমে যাওয়ার ফলে ককপিটসহ বিমানের ভেতরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এবং যাত্রীরা ওপরের দিকে ছিটকে পড়েন। সিটবেল্ট না পরা যাত্রীদের মধ্যেই মূলত গুরুতর আঘাতের ঘটনা বেশি ঘটে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) ঘটনাটির আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে।
তদন্তে পাইলটের মাদক গ্রহণের বিষয়টি কীভাবে ফ্লাইট পরিচালনার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল এবং দুর্ঘটনাসদৃশ পরিস্থিতির জন্য এর কোনো প্রভাব ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ফুকেট থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে মাঝআকাশে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায় এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ। তীব্র টার্বুলেন্সের ঘটনায় অন্তত ২৪ আরোহী আহত হন। পরে তদন্তের অংশ হিসেবে পাইলটের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হলে তার শরীরে মাদকজাতীয় পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া যায়। দ্বিতীয় দফার পরীক্ষাতেও ফল পজিটিভ এসেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৪ আগস্ট ১৩৭ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু নিয়ে ফুকেট থেকে দিল্লির উদ্দেশে উড্ডয়ন করে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটটি। যাত্রাপথে বিমানটি তীব্র টার্বুলেন্সের মধ্যে পড়ে এবং আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এতে ২০ জন যাত্রী ও চারজন ক্রু আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনের মেরুদণ্ডের নিচের অংশ ও ঘাড়ে গুরুতর আঘাত লাগে।
দিল্লিতে অবতরণের পর পাইলটের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় তার শরীরে সাইকোঅ্যাকটিভ বা মনোট্রপিক পদার্থের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। পরে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করা হলে মঙ্গলবারও ফল পজিটিভ আসে। দ্বিতীয় পরীক্ষার প্রতিবেদনে ওই পাইলট গাঁজা সেবন করেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে কয়েকটি সূত্রের বরাতে আরও বলা হয়, বিমানটি যখন হঠাৎ নিচে নেমে যায়, তখন ক্যাপ্টেন ককপিটে নিজের আসনে ছিলেন না। সে সময় ফার্স্ট অফিসার উড়োজাহাজটি নিয়ন্ত্রণ করছিলেন।
আচমকা উচ্চতা কমে যাওয়ার ফলে ককপিটসহ বিমানের ভেতরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এবং যাত্রীরা ওপরের দিকে ছিটকে পড়েন। সিটবেল্ট না পরা যাত্রীদের মধ্যেই মূলত গুরুতর আঘাতের ঘটনা বেশি ঘটে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) ঘটনাটির আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে।
তদন্তে পাইলটের মাদক গ্রহণের বিষয়টি কীভাবে ফ্লাইট পরিচালনার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল এবং দুর্ঘটনাসদৃশ পরিস্থিতির জন্য এর কোনো প্রভাব ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হঠাৎ বিমানে তীব্র ঝাঁকি, জানা গেল গাঁজা খেয়েছিলেন পাইলট
সিজেডএন ডেস্ক

ফুকেট থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে মাঝআকাশে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায় এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ। তীব্র টার্বুলেন্সের ঘটনায় অন্তত ২৪ আরোহী আহত হন। পরে তদন্তের অংশ হিসেবে পাইলটের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হলে তার শরীরে মাদকজাতীয় পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া যায়। দ্বিতীয় দফার পরীক্ষাতেও ফল পজিটিভ এসেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৪ আগস্ট ১৩৭ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু নিয়ে ফুকেট থেকে দিল্লির উদ্দেশে উড্ডয়ন করে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটটি। যাত্রাপথে বিমানটি তীব্র টার্বুলেন্সের মধ্যে পড়ে এবং আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এতে ২০ জন যাত্রী ও চারজন ক্রু আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনের মেরুদণ্ডের নিচের অংশ ও ঘাড়ে গুরুতর আঘাত লাগে।
দিল্লিতে অবতরণের পর পাইলটের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় তার শরীরে সাইকোঅ্যাকটিভ বা মনোট্রপিক পদার্থের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। পরে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করা হলে মঙ্গলবারও ফল পজিটিভ আসে। দ্বিতীয় পরীক্ষার প্রতিবেদনে ওই পাইলট গাঁজা সেবন করেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে কয়েকটি সূত্রের বরাতে আরও বলা হয়, বিমানটি যখন হঠাৎ নিচে নেমে যায়, তখন ক্যাপ্টেন ককপিটে নিজের আসনে ছিলেন না। সে সময় ফার্স্ট অফিসার উড়োজাহাজটি নিয়ন্ত্রণ করছিলেন।
আচমকা উচ্চতা কমে যাওয়ার ফলে ককপিটসহ বিমানের ভেতরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এবং যাত্রীরা ওপরের দিকে ছিটকে পড়েন। সিটবেল্ট না পরা যাত্রীদের মধ্যেই মূলত গুরুতর আঘাতের ঘটনা বেশি ঘটে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) ঘটনাটির আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে।
তদন্তে পাইলটের মাদক গ্রহণের বিষয়টি কীভাবে ফ্লাইট পরিচালনার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল এবং দুর্ঘটনাসদৃশ পরিস্থিতির জন্য এর কোনো প্রভাব ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।








