সোশ্যাল মিডিয়াগুলোর ওপর কঠোর নজরদারি চান ৬১ শতাংশ মার্কিনি

সোশ্যাল মিডিয়াগুলোর ওপর কঠোর নজরদারি চান ৬১ শতাংশ মার্কিনি
সিজেডএন ডেস্ক

রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে এক কাতারে দাঁড়িয়েছেন আমেরিকানরা। ছোট শিশুদের ভার্চুয়াল জগতের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচাতে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ওপর এখন কঠোর সরকারি নজরদারি চান তারা। মেটা ও ইউটিউবের মতো প্রযুক্তি দানবগুলোর ওপর যখন আইনি চাপ ও মামলার পাহাড় জমছে, ঠিক তখনই জনমতের এ চিত্র সামনে এলো।
তরুণ ব্যবহারকারীদের অ্যাপে আসক্ত করার অভিযোগে মেটার বিরুদ্ধে এক বিচার শুরু হতে যাচ্ছে, যেখানে তাদের ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। ইতোমধ্যেই শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করার দায়ে নিউ মেক্সিকোর একটি আদালত মেটাকে ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়া ও অ্যাপের কার্যকারিতা বদলানোর নির্দেশ দিয়েছে।
রয়টার্স/ইপসোস-এর পরিচালনা করা এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৬১ শতাংশ আমেরিকান সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ওপর সরকারের আরও কড়া নজরদারি চান। এতে সায় দিয়েছেন ৭১ শতাংশ ডেমোক্র্যাট ও ৬২ শতাংশ রিপাবলিকান সমর্থক। বিশেষ করে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ ঠেকাতে বয়স যাচাইকরণ প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করার পক্ষে মত দিয়েছেন ৬৬ শতাংশ মানুষ। এমনকি এক ডজনেরও বেশি মার্কিন রাজ্য ইতোমধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষায় নিজস্ব আইন পাস করেছে।
সাধারণ আমেরিকানদের জীবনের সব ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ পছন্দ না করলেও এই একটি বিষয়ে ব্যতিক্রম ভাবছেন নাগরিকরা। টেনেসির ৬০ বছর বয়সী প্রকৌশলী জেমস বোসারডেট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক। তিনি জানান, শিশুদের রক্ষায় কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কাজটা কাউকে না কাউকে করতেই হবে। একই সুর ওয়াশিংটনের ডেমোক্র্যাট সমর্থক ক্রিস্টোফার চেনের কণ্ঠেও। তার মতে, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আমাদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ চালাচ্ছে এবং জনগণকে রক্ষায় সরকারের এগিয়ে আসা উচিত। কানসাসের ৭৩ বছর বয়সী পলা ডিক জানান, অভিভাবকের দেওয়া প্রযুক্তিগত ব্লক এড়িয়ে তার নাতি-নাতনিরা অনায়াসেই ইউটিউব ব্যবহার করে ফেলছে, যা সামলাতে শক্ত আইনের বিকল্প নেই।
জরিপে অংশ নেওয়া ৮৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন সোশ্যাল মিডিয়া শিশুদের আসক্ত করে তোলে এবং তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। তবে এখানে একটি চমৎকার বৈপরীত্যও দেখা গেছে। শিশুদের জন্য একে ক্ষতিকর মানলেও প্রায় ৭০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান নিজেরা এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে সময় কাটাতে বেশ পছন্দ করেন। চার হাজার ৫০৫ জন মার্কিন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর পরিচালিত এ অনলাইন জরিপটিতে ত্রুটির মাত্রা ছিল মাত্র দুই শতাংশ পয়েন্ট।
সূত্র: রয়টার্স

রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে এক কাতারে দাঁড়িয়েছেন আমেরিকানরা। ছোট শিশুদের ভার্চুয়াল জগতের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচাতে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ওপর এখন কঠোর সরকারি নজরদারি চান তারা। মেটা ও ইউটিউবের মতো প্রযুক্তি দানবগুলোর ওপর যখন আইনি চাপ ও মামলার পাহাড় জমছে, ঠিক তখনই জনমতের এ চিত্র সামনে এলো।
তরুণ ব্যবহারকারীদের অ্যাপে আসক্ত করার অভিযোগে মেটার বিরুদ্ধে এক বিচার শুরু হতে যাচ্ছে, যেখানে তাদের ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। ইতোমধ্যেই শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করার দায়ে নিউ মেক্সিকোর একটি আদালত মেটাকে ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়া ও অ্যাপের কার্যকারিতা বদলানোর নির্দেশ দিয়েছে।
রয়টার্স/ইপসোস-এর পরিচালনা করা এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৬১ শতাংশ আমেরিকান সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ওপর সরকারের আরও কড়া নজরদারি চান। এতে সায় দিয়েছেন ৭১ শতাংশ ডেমোক্র্যাট ও ৬২ শতাংশ রিপাবলিকান সমর্থক। বিশেষ করে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ ঠেকাতে বয়স যাচাইকরণ প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করার পক্ষে মত দিয়েছেন ৬৬ শতাংশ মানুষ। এমনকি এক ডজনেরও বেশি মার্কিন রাজ্য ইতোমধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষায় নিজস্ব আইন পাস করেছে।
সাধারণ আমেরিকানদের জীবনের সব ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ পছন্দ না করলেও এই একটি বিষয়ে ব্যতিক্রম ভাবছেন নাগরিকরা। টেনেসির ৬০ বছর বয়সী প্রকৌশলী জেমস বোসারডেট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক। তিনি জানান, শিশুদের রক্ষায় কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কাজটা কাউকে না কাউকে করতেই হবে। একই সুর ওয়াশিংটনের ডেমোক্র্যাট সমর্থক ক্রিস্টোফার চেনের কণ্ঠেও। তার মতে, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আমাদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ চালাচ্ছে এবং জনগণকে রক্ষায় সরকারের এগিয়ে আসা উচিত। কানসাসের ৭৩ বছর বয়সী পলা ডিক জানান, অভিভাবকের দেওয়া প্রযুক্তিগত ব্লক এড়িয়ে তার নাতি-নাতনিরা অনায়াসেই ইউটিউব ব্যবহার করে ফেলছে, যা সামলাতে শক্ত আইনের বিকল্প নেই।
জরিপে অংশ নেওয়া ৮৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন সোশ্যাল মিডিয়া শিশুদের আসক্ত করে তোলে এবং তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। তবে এখানে একটি চমৎকার বৈপরীত্যও দেখা গেছে। শিশুদের জন্য একে ক্ষতিকর মানলেও প্রায় ৭০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান নিজেরা এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে সময় কাটাতে বেশ পছন্দ করেন। চার হাজার ৫০৫ জন মার্কিন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর পরিচালিত এ অনলাইন জরিপটিতে ত্রুটির মাত্রা ছিল মাত্র দুই শতাংশ পয়েন্ট।
সূত্র: রয়টার্স

সোশ্যাল মিডিয়াগুলোর ওপর কঠোর নজরদারি চান ৬১ শতাংশ মার্কিনি
সিজেডএন ডেস্ক

রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে এক কাতারে দাঁড়িয়েছেন আমেরিকানরা। ছোট শিশুদের ভার্চুয়াল জগতের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচাতে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ওপর এখন কঠোর সরকারি নজরদারি চান তারা। মেটা ও ইউটিউবের মতো প্রযুক্তি দানবগুলোর ওপর যখন আইনি চাপ ও মামলার পাহাড় জমছে, ঠিক তখনই জনমতের এ চিত্র সামনে এলো।
তরুণ ব্যবহারকারীদের অ্যাপে আসক্ত করার অভিযোগে মেটার বিরুদ্ধে এক বিচার শুরু হতে যাচ্ছে, যেখানে তাদের ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। ইতোমধ্যেই শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করার দায়ে নিউ মেক্সিকোর একটি আদালত মেটাকে ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়া ও অ্যাপের কার্যকারিতা বদলানোর নির্দেশ দিয়েছে।
রয়টার্স/ইপসোস-এর পরিচালনা করা এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৬১ শতাংশ আমেরিকান সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ওপর সরকারের আরও কড়া নজরদারি চান। এতে সায় দিয়েছেন ৭১ শতাংশ ডেমোক্র্যাট ও ৬২ শতাংশ রিপাবলিকান সমর্থক। বিশেষ করে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ ঠেকাতে বয়স যাচাইকরণ প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করার পক্ষে মত দিয়েছেন ৬৬ শতাংশ মানুষ। এমনকি এক ডজনেরও বেশি মার্কিন রাজ্য ইতোমধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষায় নিজস্ব আইন পাস করেছে।
সাধারণ আমেরিকানদের জীবনের সব ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ পছন্দ না করলেও এই একটি বিষয়ে ব্যতিক্রম ভাবছেন নাগরিকরা। টেনেসির ৬০ বছর বয়সী প্রকৌশলী জেমস বোসারডেট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক। তিনি জানান, শিশুদের রক্ষায় কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কাজটা কাউকে না কাউকে করতেই হবে। একই সুর ওয়াশিংটনের ডেমোক্র্যাট সমর্থক ক্রিস্টোফার চেনের কণ্ঠেও। তার মতে, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আমাদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ চালাচ্ছে এবং জনগণকে রক্ষায় সরকারের এগিয়ে আসা উচিত। কানসাসের ৭৩ বছর বয়সী পলা ডিক জানান, অভিভাবকের দেওয়া প্রযুক্তিগত ব্লক এড়িয়ে তার নাতি-নাতনিরা অনায়াসেই ইউটিউব ব্যবহার করে ফেলছে, যা সামলাতে শক্ত আইনের বিকল্প নেই।
জরিপে অংশ নেওয়া ৮৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন সোশ্যাল মিডিয়া শিশুদের আসক্ত করে তোলে এবং তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। তবে এখানে একটি চমৎকার বৈপরীত্যও দেখা গেছে। শিশুদের জন্য একে ক্ষতিকর মানলেও প্রায় ৭০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান নিজেরা এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে সময় কাটাতে বেশ পছন্দ করেন। চার হাজার ৫০৫ জন মার্কিন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর পরিচালিত এ অনলাইন জরিপটিতে ত্রুটির মাত্রা ছিল মাত্র দুই শতাংশ পয়েন্ট।
সূত্র: রয়টার্স

এআই চ্যাটবটের সামাজিক প্ল্যাটফর্ম মোল্টবুক কিনলো মেটা
বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ৩ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম







