ব্যাংকের পুরনো পরিচালকদের ফেরার সুযোগে বিএবি’র শঙ্কা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ব্যাংকের পুরনো পরিচালকদের ফেরার সুযোগে বিএবি’র শঙ্কা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ০১: ৩৩

ছবি: সংগৃহীত
একীভূত করা পাঁচ ব্যাংকের আগের শেয়ারধারীদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ করে আইনে যে সংশোধন আনা হয়েছে, তাতে ব্যাংক খাত নিয়ে নতুন শঙ্কা দেখছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)।
সোমবার (১১ মে) মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএবির নেতারা তাদের উদ্বেগের কথা জানান।
বৈঠক শেষে বিএবির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আশঙ্কা করছি উল্টা-পাল্টা হওয়ার, কাজেই এই ব্যাপারটা সরকারের দেখা উচিত। তিনি বলেন, তাদের ফিরিয়ে আনলে পুনরায় সমস্যার সৃষ্টি করবে। ব্যাংক খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
বিএবির এমন শঙ্কায় গভর্নরের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘গভর্নর আমাদের কথা মনোযোগ গিয়ে শুনেছেন। গভর্নর বলেছেন, ব্যবস্থা নিচ্ছেন।’ এসময় বিএবির ভাইস-চেয়ারম্যান শরীফ জহির বলেন, ‘যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে উনার (গভর্নর) ধারণা এটা সম্পন্ন করার মতো সক্ষমতা থাকবে না।’
ব্যাংক রেজল্যুশনের সময়ে পুরনোদের ফেরার সুযোগ ছিল না। আইনে পরিণত হওয়ার সময়ে ১৮(ক) ধারা যুক্ত হয়েছে। সে প্রসঙ্গ টেনে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘এখানে অনেক স্টেকহোল্ডার আছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হয়।’
বন্ধ শিল্প চালু করতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করতে যাচ্ছে, এত বড় অঙ্কের টাকা ব্যাংক খাত থেকে দেওয়া সম্ভব কি না জানতে চাইলে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘একেকটা কারখানা একেক কারণে বন্ধ হয়েছে। কারও ক্রেতা নাই, কারও গ্যাস নাই। এখন শুধু টাকার কারণে বন্ধ হয়ে আছে, তাদের টাকা দিলে খুলতে পারে। চলতি মূলধন সংকটে থাকা শিল্প ঋণ সহযোগিতা পাবে বলে গভর্নর জানিয়েছেন।’
সোমবার (১১ মে) মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএবির নেতারা তাদের উদ্বেগের কথা জানান।
বৈঠক শেষে বিএবির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আশঙ্কা করছি উল্টা-পাল্টা হওয়ার, কাজেই এই ব্যাপারটা সরকারের দেখা উচিত। তিনি বলেন, তাদের ফিরিয়ে আনলে পুনরায় সমস্যার সৃষ্টি করবে। ব্যাংক খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
বিএবির এমন শঙ্কায় গভর্নরের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘গভর্নর আমাদের কথা মনোযোগ গিয়ে শুনেছেন। গভর্নর বলেছেন, ব্যবস্থা নিচ্ছেন।’ এসময় বিএবির ভাইস-চেয়ারম্যান শরীফ জহির বলেন, ‘যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে উনার (গভর্নর) ধারণা এটা সম্পন্ন করার মতো সক্ষমতা থাকবে না।’
ব্যাংক রেজল্যুশনের সময়ে পুরনোদের ফেরার সুযোগ ছিল না। আইনে পরিণত হওয়ার সময়ে ১৮(ক) ধারা যুক্ত হয়েছে। সে প্রসঙ্গ টেনে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘এখানে অনেক স্টেকহোল্ডার আছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হয়।’
বন্ধ শিল্প চালু করতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করতে যাচ্ছে, এত বড় অঙ্কের টাকা ব্যাংক খাত থেকে দেওয়া সম্ভব কি না জানতে চাইলে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘একেকটা কারখানা একেক কারণে বন্ধ হয়েছে। কারও ক্রেতা নাই, কারও গ্যাস নাই। এখন শুধু টাকার কারণে বন্ধ হয়ে আছে, তাদের টাকা দিলে খুলতে পারে। চলতি মূলধন সংকটে থাকা শিল্প ঋণ সহযোগিতা পাবে বলে গভর্নর জানিয়েছেন।’

একীভূত করা পাঁচ ব্যাংকের আগের শেয়ারধারীদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ করে আইনে যে সংশোধন আনা হয়েছে, তাতে ব্যাংক খাত নিয়ে নতুন শঙ্কা দেখছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)।
সোমবার (১১ মে) মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএবির নেতারা তাদের উদ্বেগের কথা জানান।
বৈঠক শেষে বিএবির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আশঙ্কা করছি উল্টা-পাল্টা হওয়ার, কাজেই এই ব্যাপারটা সরকারের দেখা উচিত। তিনি বলেন, তাদের ফিরিয়ে আনলে পুনরায় সমস্যার সৃষ্টি করবে। ব্যাংক খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
বিএবির এমন শঙ্কায় গভর্নরের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘গভর্নর আমাদের কথা মনোযোগ গিয়ে শুনেছেন। গভর্নর বলেছেন, ব্যবস্থা নিচ্ছেন।’ এসময় বিএবির ভাইস-চেয়ারম্যান শরীফ জহির বলেন, ‘যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে উনার (গভর্নর) ধারণা এটা সম্পন্ন করার মতো সক্ষমতা থাকবে না।’
ব্যাংক রেজল্যুশনের সময়ে পুরনোদের ফেরার সুযোগ ছিল না। আইনে পরিণত হওয়ার সময়ে ১৮(ক) ধারা যুক্ত হয়েছে। সে প্রসঙ্গ টেনে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘এখানে অনেক স্টেকহোল্ডার আছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হয়।’
বন্ধ শিল্প চালু করতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করতে যাচ্ছে, এত বড় অঙ্কের টাকা ব্যাংক খাত থেকে দেওয়া সম্ভব কি না জানতে চাইলে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘একেকটা কারখানা একেক কারণে বন্ধ হয়েছে। কারও ক্রেতা নাই, কারও গ্যাস নাই। এখন শুধু টাকার কারণে বন্ধ হয়ে আছে, তাদের টাকা দিলে খুলতে পারে। চলতি মূলধন সংকটে থাকা শিল্প ঋণ সহযোগিতা পাবে বলে গভর্নর জানিয়েছেন।’
সোমবার (১১ মে) মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএবির নেতারা তাদের উদ্বেগের কথা জানান।
বৈঠক শেষে বিএবির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আশঙ্কা করছি উল্টা-পাল্টা হওয়ার, কাজেই এই ব্যাপারটা সরকারের দেখা উচিত। তিনি বলেন, তাদের ফিরিয়ে আনলে পুনরায় সমস্যার সৃষ্টি করবে। ব্যাংক খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
বিএবির এমন শঙ্কায় গভর্নরের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘গভর্নর আমাদের কথা মনোযোগ গিয়ে শুনেছেন। গভর্নর বলেছেন, ব্যবস্থা নিচ্ছেন।’ এসময় বিএবির ভাইস-চেয়ারম্যান শরীফ জহির বলেন, ‘যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে উনার (গভর্নর) ধারণা এটা সম্পন্ন করার মতো সক্ষমতা থাকবে না।’
ব্যাংক রেজল্যুশনের সময়ে পুরনোদের ফেরার সুযোগ ছিল না। আইনে পরিণত হওয়ার সময়ে ১৮(ক) ধারা যুক্ত হয়েছে। সে প্রসঙ্গ টেনে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘এখানে অনেক স্টেকহোল্ডার আছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হয়।’
বন্ধ শিল্প চালু করতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করতে যাচ্ছে, এত বড় অঙ্কের টাকা ব্যাংক খাত থেকে দেওয়া সম্ভব কি না জানতে চাইলে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘একেকটা কারখানা একেক কারণে বন্ধ হয়েছে। কারও ক্রেতা নাই, কারও গ্যাস নাই। এখন শুধু টাকার কারণে বন্ধ হয়ে আছে, তাদের টাকা দিলে খুলতে পারে। চলতি মূলধন সংকটে থাকা শিল্প ঋণ সহযোগিতা পাবে বলে গভর্নর জানিয়েছেন।’

ব্যাংকের পুরনো পরিচালকদের ফেরার সুযোগে বিএবি’র শঙ্কা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ০১: ৩৩

ছবি: সংগৃহীত
একীভূত করা পাঁচ ব্যাংকের আগের শেয়ারধারীদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ করে আইনে যে সংশোধন আনা হয়েছে, তাতে ব্যাংক খাত নিয়ে নতুন শঙ্কা দেখছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)।
সোমবার (১১ মে) মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএবির নেতারা তাদের উদ্বেগের কথা জানান।
বৈঠক শেষে বিএবির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আশঙ্কা করছি উল্টা-পাল্টা হওয়ার, কাজেই এই ব্যাপারটা সরকারের দেখা উচিত। তিনি বলেন, তাদের ফিরিয়ে আনলে পুনরায় সমস্যার সৃষ্টি করবে। ব্যাংক খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
বিএবির এমন শঙ্কায় গভর্নরের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘গভর্নর আমাদের কথা মনোযোগ গিয়ে শুনেছেন। গভর্নর বলেছেন, ব্যবস্থা নিচ্ছেন।’ এসময় বিএবির ভাইস-চেয়ারম্যান শরীফ জহির বলেন, ‘যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে উনার (গভর্নর) ধারণা এটা সম্পন্ন করার মতো সক্ষমতা থাকবে না।’
ব্যাংক রেজল্যুশনের সময়ে পুরনোদের ফেরার সুযোগ ছিল না। আইনে পরিণত হওয়ার সময়ে ১৮(ক) ধারা যুক্ত হয়েছে। সে প্রসঙ্গ টেনে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘এখানে অনেক স্টেকহোল্ডার আছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হয়।’
বন্ধ শিল্প চালু করতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করতে যাচ্ছে, এত বড় অঙ্কের টাকা ব্যাংক খাত থেকে দেওয়া সম্ভব কি না জানতে চাইলে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘একেকটা কারখানা একেক কারণে বন্ধ হয়েছে। কারও ক্রেতা নাই, কারও গ্যাস নাই। এখন শুধু টাকার কারণে বন্ধ হয়ে আছে, তাদের টাকা দিলে খুলতে পারে। চলতি মূলধন সংকটে থাকা শিল্প ঋণ সহযোগিতা পাবে বলে গভর্নর জানিয়েছেন।’
সোমবার (১১ মে) মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএবির নেতারা তাদের উদ্বেগের কথা জানান।
বৈঠক শেষে বিএবির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আশঙ্কা করছি উল্টা-পাল্টা হওয়ার, কাজেই এই ব্যাপারটা সরকারের দেখা উচিত। তিনি বলেন, তাদের ফিরিয়ে আনলে পুনরায় সমস্যার সৃষ্টি করবে। ব্যাংক খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
বিএবির এমন শঙ্কায় গভর্নরের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘গভর্নর আমাদের কথা মনোযোগ গিয়ে শুনেছেন। গভর্নর বলেছেন, ব্যবস্থা নিচ্ছেন।’ এসময় বিএবির ভাইস-চেয়ারম্যান শরীফ জহির বলেন, ‘যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে উনার (গভর্নর) ধারণা এটা সম্পন্ন করার মতো সক্ষমতা থাকবে না।’
ব্যাংক রেজল্যুশনের সময়ে পুরনোদের ফেরার সুযোগ ছিল না। আইনে পরিণত হওয়ার সময়ে ১৮(ক) ধারা যুক্ত হয়েছে। সে প্রসঙ্গ টেনে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘এখানে অনেক স্টেকহোল্ডার আছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হয়।’
বন্ধ শিল্প চালু করতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করতে যাচ্ছে, এত বড় অঙ্কের টাকা ব্যাংক খাত থেকে দেওয়া সম্ভব কি না জানতে চাইলে আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘একেকটা কারখানা একেক কারণে বন্ধ হয়েছে। কারও ক্রেতা নাই, কারও গ্যাস নাই। এখন শুধু টাকার কারণে বন্ধ হয়ে আছে, তাদের টাকা দিলে খুলতে পারে। চলতি মূলধন সংকটে থাকা শিল্প ঋণ সহযোগিতা পাবে বলে গভর্নর জানিয়েছেন।’
/এমআর/




