মার্কিন বাজারে পোশাক রপ্তানির সঙ্গে কমছে দামও
নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্কিন বাজারে পোশাক রপ্তানির সঙ্গে কমছে দামও
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১৫: ২৪

ছবি: সিটিজেন জার্নাল
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। দেশটির ‘রিসিপ্রোকাল’ শুল্কনীতির পাশাপাশি ভোক্তা চাহিদা কমে যাওয়া, উচ্চ সুদের হার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য ধীরগতি দেখা গেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি পোশাকের ইউনিট মূল্যও কমে গেছে, যা খাতসংশ্লিষ্টদের নতুন করে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পোশাক রপ্তানি বাজার। ফলে সেখানে রপ্তানি কমে যাওয়ার প্রভাব সরাসরি দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে পড়ছে। অনেক আন্তর্জাতিক ক্রেতা অর্ডার কমিয়েছেন। বড় অর্ডারের বদলে এখন ছোট ও স্বল্পমেয়াদি অর্ডারে ঝুঁকছেন তারা। এতে দামের ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের টেক্সটাইল ও পোশাক দপ্তর অটেক্সার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চে দেশটির মোট পোশাক আমদানি ছিল ৫৯৯ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৮০ শতাংশ কম। জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট আমদানি কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৭৩ কোটি ডলারে, যা আগের বছরের তুলনায় ১১ দশমিক ৬৩ শতাংশ কম।
এ সময় বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে মার্চ মাসে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৬৬ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৮ শতাংশ কম। বছরের প্রথম তিন মাসে রপ্তানি কমেছে ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ। মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২০৪ কোটি ডলারে।
একই সময়ে বাংলাদেশের পোশাকের ইউনিট মূল্যও কমেছে। মার্চে প্রতি পিস পোশাকের গড় মূল্য ছিল ২ দশমিক ৮৬ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ কম। জানুয়ারি-মার্চ সময়েও ইউনিট মূল্য কমেছে ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
রপ্তানি ভলিউমেও পতন দেখা গেছে। মার্চে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ কোটি ২৭ লাখ পিস পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ কম। বছরের প্রথম ৩ মাসে মোট ভলিউম কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা চাহিদা কমে যাওয়া, উচ্চ সুদের হার এবং আমদানি ব্যয়ের অনিশ্চয়তা বৈশ্বিক পোশাক বাণিজ্যে চাপ তৈরি করেছে। পাশাপাশি নতুন শুল্কনীতি ও সরবরাহ-ব্যবস্থার জটিলতাও আমদানি প্রবাহে প্রভাব ফেলছে।
বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে। মার্চে ভিয়েতনামের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং বছরের প্রথম ৩ মাসে বেড়েছে ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ। একই সময়ে কম্বোডিয়ার প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী। মার্চে দেশটির রপ্তানি বেড়েছে ১৬ দশমিক ২২ শতাংশ এবং প্রথম প্রান্তিকে বেড়েছে ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ।
অন্যদিকে চীনের রপ্তানি বড় ধরনের পতনের মুখে পড়েছে। মার্চে দেশটির রপ্তানি কমেছে ৩৭ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং প্রথম ৩ মাসে কমেছে ৫২ দশমিক ৯১ শতাংশ। ভারতের রপ্তানিও কমেছে ২৭ শতাংশের বেশি।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাংলাদেশ এখনো যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান পোশাক সরবরাহকারী দেশ। তবে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে উৎপাদন দক্ষতা, সরবরাহ সক্ষমতা ও বাণিজ্য কূটনীতি আরও জোরদার করতে হবে।
এদিকে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৩১ দশমিক ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূল্যায়নের সময় ২০২৫ সালের এপ্রিলের বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে।
২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে দেশের পোশাক রপ্তানি নেমে আসে ২৩৯ কোটি ডলারে। সেসময় যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ছিল মাত্র ৪৯ কোটি ডলার, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম নিম্নস্তর। ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদুল ফিতরের কারণে উৎপাদন ও শিপমেন্টে ধীরগতি ছিল। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ‘লিবারেশন ডে’ শুল্কনীতি ঘোষণার পর বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। অনেক ক্রেতা অর্ডার স্থগিত করেন। ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্তও রপ্তানি কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি করেছিল। ফলে ২০২৫ সালের এপ্রিলকে ব্যতিক্রমী সময় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। দেশটির ‘রিসিপ্রোকাল’ শুল্কনীতির পাশাপাশি ভোক্তা চাহিদা কমে যাওয়া, উচ্চ সুদের হার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য ধীরগতি দেখা গেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি পোশাকের ইউনিট মূল্যও কমে গেছে, যা খাতসংশ্লিষ্টদের নতুন করে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পোশাক রপ্তানি বাজার। ফলে সেখানে রপ্তানি কমে যাওয়ার প্রভাব সরাসরি দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে পড়ছে। অনেক আন্তর্জাতিক ক্রেতা অর্ডার কমিয়েছেন। বড় অর্ডারের বদলে এখন ছোট ও স্বল্পমেয়াদি অর্ডারে ঝুঁকছেন তারা। এতে দামের ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের টেক্সটাইল ও পোশাক দপ্তর অটেক্সার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চে দেশটির মোট পোশাক আমদানি ছিল ৫৯৯ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৮০ শতাংশ কম। জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট আমদানি কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৭৩ কোটি ডলারে, যা আগের বছরের তুলনায় ১১ দশমিক ৬৩ শতাংশ কম।
এ সময় বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে মার্চ মাসে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৬৬ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৮ শতাংশ কম। বছরের প্রথম তিন মাসে রপ্তানি কমেছে ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ। মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২০৪ কোটি ডলারে।
একই সময়ে বাংলাদেশের পোশাকের ইউনিট মূল্যও কমেছে। মার্চে প্রতি পিস পোশাকের গড় মূল্য ছিল ২ দশমিক ৮৬ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ কম। জানুয়ারি-মার্চ সময়েও ইউনিট মূল্য কমেছে ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
রপ্তানি ভলিউমেও পতন দেখা গেছে। মার্চে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ কোটি ২৭ লাখ পিস পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ কম। বছরের প্রথম ৩ মাসে মোট ভলিউম কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা চাহিদা কমে যাওয়া, উচ্চ সুদের হার এবং আমদানি ব্যয়ের অনিশ্চয়তা বৈশ্বিক পোশাক বাণিজ্যে চাপ তৈরি করেছে। পাশাপাশি নতুন শুল্কনীতি ও সরবরাহ-ব্যবস্থার জটিলতাও আমদানি প্রবাহে প্রভাব ফেলছে।
বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে। মার্চে ভিয়েতনামের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং বছরের প্রথম ৩ মাসে বেড়েছে ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ। একই সময়ে কম্বোডিয়ার প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী। মার্চে দেশটির রপ্তানি বেড়েছে ১৬ দশমিক ২২ শতাংশ এবং প্রথম প্রান্তিকে বেড়েছে ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ।
অন্যদিকে চীনের রপ্তানি বড় ধরনের পতনের মুখে পড়েছে। মার্চে দেশটির রপ্তানি কমেছে ৩৭ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং প্রথম ৩ মাসে কমেছে ৫২ দশমিক ৯১ শতাংশ। ভারতের রপ্তানিও কমেছে ২৭ শতাংশের বেশি।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাংলাদেশ এখনো যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান পোশাক সরবরাহকারী দেশ। তবে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে উৎপাদন দক্ষতা, সরবরাহ সক্ষমতা ও বাণিজ্য কূটনীতি আরও জোরদার করতে হবে।
এদিকে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৩১ দশমিক ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূল্যায়নের সময় ২০২৫ সালের এপ্রিলের বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে।
২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে দেশের পোশাক রপ্তানি নেমে আসে ২৩৯ কোটি ডলারে। সেসময় যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ছিল মাত্র ৪৯ কোটি ডলার, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম নিম্নস্তর। ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদুল ফিতরের কারণে উৎপাদন ও শিপমেন্টে ধীরগতি ছিল। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ‘লিবারেশন ডে’ শুল্কনীতি ঘোষণার পর বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। অনেক ক্রেতা অর্ডার স্থগিত করেন। ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্তও রপ্তানি কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি করেছিল। ফলে ২০২৫ সালের এপ্রিলকে ব্যতিক্রমী সময় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

মার্কিন বাজারে পোশাক রপ্তানির সঙ্গে কমছে দামও
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১৫: ২৪

ছবি: সিটিজেন জার্নাল
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। দেশটির ‘রিসিপ্রোকাল’ শুল্কনীতির পাশাপাশি ভোক্তা চাহিদা কমে যাওয়া, উচ্চ সুদের হার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য ধীরগতি দেখা গেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি পোশাকের ইউনিট মূল্যও কমে গেছে, যা খাতসংশ্লিষ্টদের নতুন করে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পোশাক রপ্তানি বাজার। ফলে সেখানে রপ্তানি কমে যাওয়ার প্রভাব সরাসরি দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে পড়ছে। অনেক আন্তর্জাতিক ক্রেতা অর্ডার কমিয়েছেন। বড় অর্ডারের বদলে এখন ছোট ও স্বল্পমেয়াদি অর্ডারে ঝুঁকছেন তারা। এতে দামের ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের টেক্সটাইল ও পোশাক দপ্তর অটেক্সার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চে দেশটির মোট পোশাক আমদানি ছিল ৫৯৯ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৮০ শতাংশ কম। জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট আমদানি কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৭৩ কোটি ডলারে, যা আগের বছরের তুলনায় ১১ দশমিক ৬৩ শতাংশ কম।
এ সময় বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে মার্চ মাসে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৬৬ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৮ শতাংশ কম। বছরের প্রথম তিন মাসে রপ্তানি কমেছে ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ। মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২০৪ কোটি ডলারে।
একই সময়ে বাংলাদেশের পোশাকের ইউনিট মূল্যও কমেছে। মার্চে প্রতি পিস পোশাকের গড় মূল্য ছিল ২ দশমিক ৮৬ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ কম। জানুয়ারি-মার্চ সময়েও ইউনিট মূল্য কমেছে ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
রপ্তানি ভলিউমেও পতন দেখা গেছে। মার্চে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ কোটি ২৭ লাখ পিস পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ কম। বছরের প্রথম ৩ মাসে মোট ভলিউম কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা চাহিদা কমে যাওয়া, উচ্চ সুদের হার এবং আমদানি ব্যয়ের অনিশ্চয়তা বৈশ্বিক পোশাক বাণিজ্যে চাপ তৈরি করেছে। পাশাপাশি নতুন শুল্কনীতি ও সরবরাহ-ব্যবস্থার জটিলতাও আমদানি প্রবাহে প্রভাব ফেলছে।
বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে। মার্চে ভিয়েতনামের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং বছরের প্রথম ৩ মাসে বেড়েছে ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ। একই সময়ে কম্বোডিয়ার প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী। মার্চে দেশটির রপ্তানি বেড়েছে ১৬ দশমিক ২২ শতাংশ এবং প্রথম প্রান্তিকে বেড়েছে ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ।
অন্যদিকে চীনের রপ্তানি বড় ধরনের পতনের মুখে পড়েছে। মার্চে দেশটির রপ্তানি কমেছে ৩৭ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং প্রথম ৩ মাসে কমেছে ৫২ দশমিক ৯১ শতাংশ। ভারতের রপ্তানিও কমেছে ২৭ শতাংশের বেশি।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাংলাদেশ এখনো যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান পোশাক সরবরাহকারী দেশ। তবে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে উৎপাদন দক্ষতা, সরবরাহ সক্ষমতা ও বাণিজ্য কূটনীতি আরও জোরদার করতে হবে।
এদিকে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৩১ দশমিক ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূল্যায়নের সময় ২০২৫ সালের এপ্রিলের বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে।
২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে দেশের পোশাক রপ্তানি নেমে আসে ২৩৯ কোটি ডলারে। সেসময় যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ছিল মাত্র ৪৯ কোটি ডলার, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম নিম্নস্তর। ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদুল ফিতরের কারণে উৎপাদন ও শিপমেন্টে ধীরগতি ছিল। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ‘লিবারেশন ডে’ শুল্কনীতি ঘোষণার পর বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। অনেক ক্রেতা অর্ডার স্থগিত করেন। ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্তও রপ্তানি কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি করেছিল। ফলে ২০২৫ সালের এপ্রিলকে ব্যতিক্রমী সময় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
/এফসি/

জনতার এক শাখাতেই শীর্ষ ২০ খেলাপি পোশাক খাতের


