সরকারি বাসা দখলে নিতে যুগ্ম সচিবের কাণ্ড

সরকারি বাসা দখলে নিতে যুগ্ম সচিবের কাণ্ড
বিশেষ প্রতিনিধি

রাজধানীর ইস্কাটনে আবাসন পরিদপ্তরের একটি বাসা বরাদ্দ নিয়ে এক উপসচিবের সঙ্গে আরেক যুগ্ম সচিবের বিরোধ চরমে পৌঁছেছে। প্রশাসন ক্যাডারের এ দুই কর্মকর্তার মাঝে পড়ে মার খেয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মচারী।
অভিযোগ রয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব একেএম শওকত আলম মজুমদার তার নামে সরকারি বাসা বরাদ্দ থাকার পরেও তথ্য গোপন করে তার স্ত্রীর (যিনি নিজেও একজন যুগ্ম সচিব) বাসা বরাদ্দ নেন। কিন্তু উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ তাঁর আগে বাসা বরাদ্দ পেয়ে ভাড়া ও অন্যান্য ফি পরিশোধ করে আসছিলেন। এর মেধ্যে এক বাসার দুই দাবিদার হয়ে হাজির হন যুগ্ম সচিব একেএম শওকত আলম মজুমদার।
বিষয়টি নজরে আসায় আবাসন পরিদপ্তর তার বরাদ্দ বাতিল করেছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শওকত আলম মজুমদার গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মচারীদের মারধর করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী আগে যে কর্মকর্তা বাসাটি বরাদ্দ পেয়েছিলেন, তিনি সেটি মেরামতের জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভাগীয় প্রকৌশলীর কাছে আবেদন করেন। গণপূর্ত অধিদপ্তর কাজ শুরু করলে, বরাদ্দ বাতিল হওয়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শারাবান তাহুরার স্বামী শওকত আলম মজুমদার সেখানে গিয়ে ওই বাসা সংস্কারের কাজে যুক্ত কর্মচারীদের মারধর করেন। এ ছাড়া তিনি আগে বাসাটি বরাদ্দ পাওয়া উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ ও তাঁর স্ত্রীকেও গালাগাল করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বাসা সংস্কারে কাজে নিয়োজিত মেরামত গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মচারী বলেন, ‘আমরা কাজ করছিলাম। এ সময়ে একেএম শওকত আলম মজুমদার এসে বলেন, ‘‘তোমরা কারা?’’ তখন আমরা বলি, আমরা এখানে কাজ করছি। এই কথা বলার পর শওকত আলম বলেন, ‘‘আমার তালা ভাঙছে কে?’’ এই কথা বলেই তিনি আমার ভাইকে ঝাড়ু দিয়ে পেটান। এরপর তিনি আমাকেও ঝাড়ু দিয়ে পেটান।’

এর আগেও একদিন শওকত আলম মজুমদার তার স্ত্রী শারাবান তাহুরাকে নিয়ে সেখান যান। এই সময় তিনি নিজেকে সরকারপন্থী আমলা দাবি করেন এবং বাসাটি বরাদ্দ পাওয়া আব্দুল ওয়াদুদকে ফ্যাসিস্টের দোসর বলে আখ্যা দেন। এক পর্যায়ে শওকত আলম উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ ও তাঁর স্ত্রীকেও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন।
আবাসন পরিদপ্তরের কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর ইস্কাটনের ‘কাজলী–৬’ (এফ টাইপ) বাসাটি বরাদ্দ পান। তবে ওই বাসায় অন্য একজন কর্মকর্তা বসবাস করায় তিনি ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর বাসাটির কাগজের দখল বুঝে পান।
জানা যায়, কাজলী–৬ বাসাটিতে ২২ তম ব্যাচের মমিনুল নামে একজন যুগ্ম সচিব বসবাস করতেন। তিনি ‘সাগরিকা–৮’ বাসাটি বরাদ্দ পেলেও সেখানে একজন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব পরিবার নিয়ে বাস করায় বাসাটি ছাড়তে দেরি হয়। ফলে আব্দুল ওয়াদুদের পূর্ণাঙ্গ দখল পেতে সময় লেগে যায়। এই সুযোগে তথ্য গোপন করে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শারাবান তাহুরা বাসাটি নিজের নামে বরাদ্দ নেন। বিষয়টি আবাসন পরিদপ্তরের নজরে এলে যাচাই-বাছাই শেষে শারাবান তাহুরার বরাদ্দ গত ১০ মার্চ বাতিল করা হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে শনিবার সন্ধ্যায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব একেএম শওকত আলম মজুমদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি। হোয়াটসঅ্যাপে কল দেওয়া হলে সেটিও কেটে দেওয়া হয়। এরপর তাঁর স্ত্রী শারাবান তাহুরাকে কল করা হলে অপর প্রান্ত থেকে আরবিতে উত্তর দেওয়া হয় এবং হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। সবশেষে শওকত আলম মজুমদারের মুঠোফোনে সাংবাদিক পরিচয়ে গণপূর্তের কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য খুদেবার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর ইস্কাটনে আবাসন পরিদপ্তরের একটি বাসা বরাদ্দ নিয়ে এক উপসচিবের সঙ্গে আরেক যুগ্ম সচিবের বিরোধ চরমে পৌঁছেছে। প্রশাসন ক্যাডারের এ দুই কর্মকর্তার মাঝে পড়ে মার খেয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মচারী।
অভিযোগ রয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব একেএম শওকত আলম মজুমদার তার নামে সরকারি বাসা বরাদ্দ থাকার পরেও তথ্য গোপন করে তার স্ত্রীর (যিনি নিজেও একজন যুগ্ম সচিব) বাসা বরাদ্দ নেন। কিন্তু উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ তাঁর আগে বাসা বরাদ্দ পেয়ে ভাড়া ও অন্যান্য ফি পরিশোধ করে আসছিলেন। এর মেধ্যে এক বাসার দুই দাবিদার হয়ে হাজির হন যুগ্ম সচিব একেএম শওকত আলম মজুমদার।
বিষয়টি নজরে আসায় আবাসন পরিদপ্তর তার বরাদ্দ বাতিল করেছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শওকত আলম মজুমদার গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মচারীদের মারধর করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী আগে যে কর্মকর্তা বাসাটি বরাদ্দ পেয়েছিলেন, তিনি সেটি মেরামতের জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভাগীয় প্রকৌশলীর কাছে আবেদন করেন। গণপূর্ত অধিদপ্তর কাজ শুরু করলে, বরাদ্দ বাতিল হওয়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শারাবান তাহুরার স্বামী শওকত আলম মজুমদার সেখানে গিয়ে ওই বাসা সংস্কারের কাজে যুক্ত কর্মচারীদের মারধর করেন। এ ছাড়া তিনি আগে বাসাটি বরাদ্দ পাওয়া উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ ও তাঁর স্ত্রীকেও গালাগাল করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বাসা সংস্কারে কাজে নিয়োজিত মেরামত গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মচারী বলেন, ‘আমরা কাজ করছিলাম। এ সময়ে একেএম শওকত আলম মজুমদার এসে বলেন, ‘‘তোমরা কারা?’’ তখন আমরা বলি, আমরা এখানে কাজ করছি। এই কথা বলার পর শওকত আলম বলেন, ‘‘আমার তালা ভাঙছে কে?’’ এই কথা বলেই তিনি আমার ভাইকে ঝাড়ু দিয়ে পেটান। এরপর তিনি আমাকেও ঝাড়ু দিয়ে পেটান।’

এর আগেও একদিন শওকত আলম মজুমদার তার স্ত্রী শারাবান তাহুরাকে নিয়ে সেখান যান। এই সময় তিনি নিজেকে সরকারপন্থী আমলা দাবি করেন এবং বাসাটি বরাদ্দ পাওয়া আব্দুল ওয়াদুদকে ফ্যাসিস্টের দোসর বলে আখ্যা দেন। এক পর্যায়ে শওকত আলম উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ ও তাঁর স্ত্রীকেও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন।
আবাসন পরিদপ্তরের কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর ইস্কাটনের ‘কাজলী–৬’ (এফ টাইপ) বাসাটি বরাদ্দ পান। তবে ওই বাসায় অন্য একজন কর্মকর্তা বসবাস করায় তিনি ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর বাসাটির কাগজের দখল বুঝে পান।
জানা যায়, কাজলী–৬ বাসাটিতে ২২ তম ব্যাচের মমিনুল নামে একজন যুগ্ম সচিব বসবাস করতেন। তিনি ‘সাগরিকা–৮’ বাসাটি বরাদ্দ পেলেও সেখানে একজন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব পরিবার নিয়ে বাস করায় বাসাটি ছাড়তে দেরি হয়। ফলে আব্দুল ওয়াদুদের পূর্ণাঙ্গ দখল পেতে সময় লেগে যায়। এই সুযোগে তথ্য গোপন করে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শারাবান তাহুরা বাসাটি নিজের নামে বরাদ্দ নেন। বিষয়টি আবাসন পরিদপ্তরের নজরে এলে যাচাই-বাছাই শেষে শারাবান তাহুরার বরাদ্দ গত ১০ মার্চ বাতিল করা হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে শনিবার সন্ধ্যায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব একেএম শওকত আলম মজুমদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি। হোয়াটসঅ্যাপে কল দেওয়া হলে সেটিও কেটে দেওয়া হয়। এরপর তাঁর স্ত্রী শারাবান তাহুরাকে কল করা হলে অপর প্রান্ত থেকে আরবিতে উত্তর দেওয়া হয় এবং হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। সবশেষে শওকত আলম মজুমদারের মুঠোফোনে সাংবাদিক পরিচয়ে গণপূর্তের কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য খুদেবার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

সরকারি বাসা দখলে নিতে যুগ্ম সচিবের কাণ্ড
বিশেষ প্রতিনিধি

রাজধানীর ইস্কাটনে আবাসন পরিদপ্তরের একটি বাসা বরাদ্দ নিয়ে এক উপসচিবের সঙ্গে আরেক যুগ্ম সচিবের বিরোধ চরমে পৌঁছেছে। প্রশাসন ক্যাডারের এ দুই কর্মকর্তার মাঝে পড়ে মার খেয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মচারী।
অভিযোগ রয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব একেএম শওকত আলম মজুমদার তার নামে সরকারি বাসা বরাদ্দ থাকার পরেও তথ্য গোপন করে তার স্ত্রীর (যিনি নিজেও একজন যুগ্ম সচিব) বাসা বরাদ্দ নেন। কিন্তু উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ তাঁর আগে বাসা বরাদ্দ পেয়ে ভাড়া ও অন্যান্য ফি পরিশোধ করে আসছিলেন। এর মেধ্যে এক বাসার দুই দাবিদার হয়ে হাজির হন যুগ্ম সচিব একেএম শওকত আলম মজুমদার।
বিষয়টি নজরে আসায় আবাসন পরিদপ্তর তার বরাদ্দ বাতিল করেছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শওকত আলম মজুমদার গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মচারীদের মারধর করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী আগে যে কর্মকর্তা বাসাটি বরাদ্দ পেয়েছিলেন, তিনি সেটি মেরামতের জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভাগীয় প্রকৌশলীর কাছে আবেদন করেন। গণপূর্ত অধিদপ্তর কাজ শুরু করলে, বরাদ্দ বাতিল হওয়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শারাবান তাহুরার স্বামী শওকত আলম মজুমদার সেখানে গিয়ে ওই বাসা সংস্কারের কাজে যুক্ত কর্মচারীদের মারধর করেন। এ ছাড়া তিনি আগে বাসাটি বরাদ্দ পাওয়া উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ ও তাঁর স্ত্রীকেও গালাগাল করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বাসা সংস্কারে কাজে নিয়োজিত মেরামত গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মচারী বলেন, ‘আমরা কাজ করছিলাম। এ সময়ে একেএম শওকত আলম মজুমদার এসে বলেন, ‘‘তোমরা কারা?’’ তখন আমরা বলি, আমরা এখানে কাজ করছি। এই কথা বলার পর শওকত আলম বলেন, ‘‘আমার তালা ভাঙছে কে?’’ এই কথা বলেই তিনি আমার ভাইকে ঝাড়ু দিয়ে পেটান। এরপর তিনি আমাকেও ঝাড়ু দিয়ে পেটান।’

এর আগেও একদিন শওকত আলম মজুমদার তার স্ত্রী শারাবান তাহুরাকে নিয়ে সেখান যান। এই সময় তিনি নিজেকে সরকারপন্থী আমলা দাবি করেন এবং বাসাটি বরাদ্দ পাওয়া আব্দুল ওয়াদুদকে ফ্যাসিস্টের দোসর বলে আখ্যা দেন। এক পর্যায়ে শওকত আলম উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ ও তাঁর স্ত্রীকেও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন।
আবাসন পরিদপ্তরের কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর ইস্কাটনের ‘কাজলী–৬’ (এফ টাইপ) বাসাটি বরাদ্দ পান। তবে ওই বাসায় অন্য একজন কর্মকর্তা বসবাস করায় তিনি ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর বাসাটির কাগজের দখল বুঝে পান।
জানা যায়, কাজলী–৬ বাসাটিতে ২২ তম ব্যাচের মমিনুল নামে একজন যুগ্ম সচিব বসবাস করতেন। তিনি ‘সাগরিকা–৮’ বাসাটি বরাদ্দ পেলেও সেখানে একজন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব পরিবার নিয়ে বাস করায় বাসাটি ছাড়তে দেরি হয়। ফলে আব্দুল ওয়াদুদের পূর্ণাঙ্গ দখল পেতে সময় লেগে যায়। এই সুযোগে তথ্য গোপন করে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শারাবান তাহুরা বাসাটি নিজের নামে বরাদ্দ নেন। বিষয়টি আবাসন পরিদপ্তরের নজরে এলে যাচাই-বাছাই শেষে শারাবান তাহুরার বরাদ্দ গত ১০ মার্চ বাতিল করা হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে শনিবার সন্ধ্যায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব একেএম শওকত আলম মজুমদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি। হোয়াটসঅ্যাপে কল দেওয়া হলে সেটিও কেটে দেওয়া হয়। এরপর তাঁর স্ত্রী শারাবান তাহুরাকে কল করা হলে অপর প্রান্ত থেকে আরবিতে উত্তর দেওয়া হয় এবং হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। সবশেষে শওকত আলম মজুমদারের মুঠোফোনে সাংবাদিক পরিচয়ে গণপূর্তের কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য খুদেবার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।



