শিরোনাম

মমেক ছাত্রাবাসে সংঘর্ষ: ছাত্রদলের ২ নেতা বহিষ্কার

ময়মনসিংহ সংবাদদাতা
মমেক ছাত্রাবাসে সংঘর্ষ: ছাত্রদলের ২ নেতা বহিষ্কার
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক)। ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের সংঘর্ষের ঘটনায় দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দিবাগত রাতে ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

বহিষ্কৃতরা হলো–ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে জাওয়াদ রুতাপ এবং সদস্য নাফিউল ইসলাম।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে জাওয়াদ রুতাপকে সাংগঠনিক পদ এবং নাফিউল ইসলামকে প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।

এদিকে, পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়ে বলা হয়, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি হাফিজুর রহমান সোহানের নেতৃত্বে এক সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত করে লিখিত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হলো।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত প্রায় ৯টার দিকে মমেকের বাঘমারা ছাত্রাবাসে বাইকে তেল ভরাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা মুয়াজ ও হামিদুরের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা ধস্তাধস্তিতে রূপ নেয়। পরে হামিদুর ও তার সহযোগীরা মুয়াজকে মারধর করে কক্ষ থেকে বের করে দেন। ঘটনার কিছুক্ষণ পর হামিদুর বাইরে গেলে তাকে স্টিলের পাইপ দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে হামিদুরের গ্রুপের সদস্যরা মুয়াজকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে মুয়াজ একটি কক্ষে আশ্রয় নেন। পরে তাকে উদ্ধার করতে তার গ্রুপের সদস্যরা এগিয়ে এলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এসব ঘটনায় শনিবার থেকে আগামী ৭ দিনের জন্য সব ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।

/এফআর/